English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
বৃহত্তর চট্টগ্রাম
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
বৃহত্তর চট্টগ্রাম
- কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ 2010-08-23 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম , আগস্ট ২৩ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলে ফিশিং ট্রলারে জলদস্যুদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে ৮ জেলে। সোমবার ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এমভি মা নামক ফিশিং ট্রলার গভীর সমুদ্রের কুতুবদিয়া চ্যানেলে মাছ ধরার সময় অন্য একটি ট্রলারযোগে আসা ২০/২৫ জনের দস্যু দল হামলা চালায়। তারা অস্ত্রের মুখে ফিশিং ট্রলারের জেলেদের জিম্মি করে মাছ ও অন্যান্য মালামাল লুট করে । এসময় বাধা দিলে দস্যুরা জেলেদের লক্ষ্য করে এলোপাতাপাড়ি গুলি করলে ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ হয়।
জলদস্যুরা চলে যাওয়ার পর অপর একটি ট্রলার আহত জেলেদের উদ্ধার করে আজ সকাল ৯ টার দিকে পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাটে নিয়ে আসে। পরে তাদের মধ্য থেকে ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দস্যুতার শিকার ট্রলার এমভি মা-এর মালিক রুহুল আমিন জানান, জলদস্যুরা ট্রলার থেকে ৮ লাখ টাকার মাছসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।
 Print    
- চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের 2010-08-22 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগষ্ট ২২ (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ বিনা টেন্ডারে সাবেক বার্থ অপারেটরদের দেয়া হলে সাথে সাথে বন্দরের কর্মকান্ড আচল করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে চট্টগ্রামে সরকার সমর্থক বন্দর শ্রমিকদের সংগঠন চট্টগ্রাম ডক বন্দর শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন।
রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর ভবন এলাকায় অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে এই কর্মসূচী দেয়া হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রাম বন্দরের বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন করে সাবেক বার্থ অপারেটরদেরকে ৬টি বার্থের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর কাজ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার জন্য নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গুটি কয়েক সদস্য বিনা টেন্ডারে সাবেক একটি বার্থ অপারেটরকে কাজ দেয়ার জন্য জন্য বাধ্য করছে । তারা ঐসব বির্তকিত সংসদ সদস্যদের অপসারণের দাবি জানান।
সংগঠনের নেতা গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এড. মাহফুজুর রহমান, আবদুল আহাদ, এসকান্দর মিয়া, রশিদ আহমেদ চৌধুরী, মীর নওশাদ, ওয়াহিদুল্লাহ সরকার।
সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে এসব বিতর্কিত সদস্যদের প্রত্যাহার করা না হলে তারা আন্দোলনের হুমকি দিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ৬টি বার্থের কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য দ্বিতীয়বার যে দরপত্র আহবান করা হয়েছে তাতে প্রতিটি বার্থে সর্বনিন্ম ৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা দরপত্র প্রস্তাব পাওয়া যায়। কিন্তু সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবের যোগসাজশে বেআইনীভাবে ১০ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে পূর্বের অপারেটরদের কাজ দেওয়ার জন্য বন্দরের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এতে ৬ টি বার্থে মোট ৩৬ লাখ টাকা বেশি বন্দরকে অতিরিক্ত গুণতে হবে।
বক্তারা সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এ ধরণের বেআইনী কর্মকান্ডের মাধ্যমে বন্দরকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি বিনা টেন্ডারে বার্থ অপারেটর নিয়োগের চেষ্টার প্রতিবাদে বন্দরে সর্বাত্মকভাবে কর্মবিরতি পালনের হুমকি দেন। এছাড়াও সমাবেশে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস প্রদান, বহিরাগত লোক নিয়োগ বন্ধ, তিন শিফট চালুর সার্কুলার প্রদানসহ অন্যান্য দাবী মেনে নেয়ার আহবান জানান।
 Print    
- বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি 2010-08-22 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
বান্দরবান, আগষ্ট ২২(চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে গড়ে উঠেছে ৫ হাজার তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ চুল্লি। প্রতিবছরর আশংকাজনক হারে বাড়ছে জেলায় তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াকরণ চুল্লির সংখ্যাও। প্রক্রিয়াজাতকৃত তামাক গুলো মজুদ রাখা হচ্ছে ঘনবসতিপূর্ন আবাসিক এলাকার অসংখ্য গুদামঘরে।
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, সাঙ্গু, মাতামুহুরী এবং বাকখালী নদীর দুপাশে হাজার হাজার একর জায়গায় চলতি ব্ছর তামাক চাষ হয়েছে। অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃষকরা ১২/১৩ বছর ধরে জেলার লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি, থানচি, রোয়াংছড়ি এবং সদর উপজেলায় ব্যাপক হারে তামাক চাষ করছে। ধীরে ধীরে তামাক চাষের ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়েছে মাতামুহুরী ও সাঙ্গু ফরেষ্ট রিজার্ভ এলাকায়ও। নদীর চর উর্ব্বর হওয়ায় দেখাগেছে নদী গুলোর দুপাশে মাইলের পর মাইল বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে শুধু তামাক আর তামাক।
কৃষি বিভাগ ও তামাক কোম্পানী থেকে পাওয়া তথ্যে জানাগেছে, চলতি বছর জেলার ৭টি উপজেলায় ১০ হাজার ২১২ একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। প্রায় ২০ হাজার চাষী তামাক চাষের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। আর তামাক প্রক্রিয়াজাত করণে পোড়ানো হয়েছে লক্ষ লক্ষ মন কাঠ। ফলে বনাঞ্চল উজ্াড়ের সাথে সাথে প্রাকৃতিক পরিবেশেও মারাত্বক প্রভাব পড়ার আশংকা প্রকাশ করেছে কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
ব্রিটিশ আমেরিকান কোম্পানী, ঢাকা টোবাকো এবং আবুল কায়ের টোবাকো কোম্পানী কৃষকদের মাঝে অগ্রীম দাদন দিয়ে উদ্ভুদ্ধ করে যাচ্ছে তামাক চাষে। কৃষকরাও অধিক লাভের আশায় লুফে নিচ্ছে কোম্পানী গুলোর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা। সবুজ শ্যামল ধান ও সব্জির জমি গুলোও নীলকরের দলের মত তামাক কোম্পানিগুলো যেন গিলে খাচ্ছে।
পার্বত্যাঞ্চলে শুরু থেকে তামাকচাষীদের ঋণ হিসেবে নগদ অর্থ, রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপাদান দিয়ে আসছে তামাক কোম্পানীগুলো। পাশাপাশি চাষ ও তামাক প্রক্রিয়াজাত করণ বিষয়ে চাষীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে দীর্ঘদিন তামাক চাষের কারণে বার্জেস রোগে (হাত- পায়ের পচন রোগ) আক্রান্ত হচ্ছে চাষীরা। এ বিষয়ে কৃষি তথ্য বিশেষজ্ঞ আলতাফ হোসেন জানান, তামাক চাষের ফলে জমির উর্ব্বরতা হ্রাস পাচ্ছে। তামাকের ব্যাপকতায় শস্য উৎপাদনে ধস নেমেছে। তামাক ক্ষেতে ব্যবহৃত কিটনাশক বৃষ্টিতে ধুয়ে খাল ও নদীতে মিশে গিয়ে পানি ব্যবহারকারীরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
বান্দরনানে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তামাক চুল্লি ও গুদামঘর গুলো কেন অপসারণ করা হবে না এ মর্মে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে জেলা প্রশাসক, সাত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাত থানার থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), লামা ও বান্দরবান্ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এবং কৃষি কর্মকর্তাকে আদেশ দিয়েছে যুগ্ন জেলা জজ মো: শামসুদ্দিন খালেদ। আদালতের নির্দেশনার কপি হাতে পাওয়ার পর তামাক চুল্লি ও গুদামগুলো অপসারণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান প্রশাসনের লোকজন।
 Print    
- মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি 2010-08-21 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম ,আগস্ট ২১ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রীসভার অনেকে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। তাই অবিলম্বে তার মন্ত্রীসভা পূনর্গঠন করা উচিত। তা না হলে দেশের অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাবে। তিনি নতুনদের পরিবর্তে মন্ত্রী সভায় অভিজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছেন। শনিবার নগরীর লেডিস ক্লাবে এলডিপি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।
কর্ণেল অলি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার টিম-এ নতুনদের নিয়ে চমক দেখিয়েছেন কিন্তু সুশাসন কায়েম করতে পারেননি। তার অনেক মন্ত্রী ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। অভিজ্ঞদের দিয়ে টিম সাজালে এ অবস্থা হতো না। অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই।
দেশের মানুষ সুখে নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ আজ অনেক সংকটের মুখোমুখি। আইনশৃঙ্খলা অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে খারাপ। এখনকার মতো অতীতে কখনো এত বেশি রাজনৈতিক কর্মী, পুলিশ ও ব্যবসায়ী খুন হননি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ছাড়াও দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট, যানজট ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
দেশে এখনো প্রতিশোধের রাজনীতি চলছে উল্লেখ করে কর্ণেল অলি বলেন, এতে সমাজের কোন উন্নতি হবে না। সরকারকে সততা, ন্যায় নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে এগুতে হবে। দেশে জনগণের সরকার কায়েম করতে হবে। একইসঙ্গে তিনি বিরোধী দলকেও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ থেকে বিরত থেকে সরকারের গঠনমুলক সমালোচনা করার আহবান জানান।
বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে আছে তা বুঝা মুশকিল। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কর্ণেল অলি আরো বলেন, দেশের জাতীয় আয়ের ৭০ ভাগের যোগানদাতা চট্টগ্রাম হলেও এখনও চট্টগ্রামের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ দেখানো হচ্ছে। কর্ণফুলী, হালদা, শংখ, মাতামুহুরীসহ চট্টগ্রামের অধিকাংশ নদনদী পলি জমে ভরাট হয়ে গেলেও ড্রেজিংয়ের কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, সংশ্লিষ্টরা ছোট-খাট ড্রেজিংয়ে আগ্রহী নন। কারণ ছোট-খাট কাজে দুর্নীতির সুযোগ থাকে কম। তাই তারা বড় কাজ এবং বড় দুর্নীতির সুযোগের জন্য অপেক্ষা করছে।
নগর এলডিপির সভাপতি ওয়াহিদ আজগর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. আবদুল গফুর, প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন,এলডিপি নেতা ছলিম উল্লাহ, সাবেক এমপি নুরুল আলম, এডভোকেট কফিল উদ্দিন, সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন আলম, মহিউদ্দিন, এয়াকুব আলী প্রমুখ।
 Print    
- নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি 2010-08-20 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগষ্ট ২০ ( চিটাগংটুডে ডটকম ): সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গুটি কয়েক সদস্য সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রাম বন্দরের বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন করে সাবেক বার্থ অপারেটরদেরকে পুনরায় কাজ দেওয়ার জন্য বাধ্য করছে অভিযোগ করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি থেকে এসব বিতর্কিত সংসদ সদস্যদের অপসারণের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রামে সরকার সমর্থক বন্দর শ্রমিকদের সংগঠন চট্টগ্রাম ডক বন্দর শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন।
শুক্রবার বিকেলে সংগঠন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরী প্রতিনিধি সভা থেকে তারা এ দাবি জানান।
সভায় বক্তারা অবিলম্বে এসব বিতর্কিত সদস্যদের প্রত্যাহার করা না হলে তারা আন্দোলনের হুমকি দিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ৬টি বার্থের কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য দ্বিতীয়বার যে দরপত্র আহবান করা হয়েছে তাতে প্রতিটি বার্থে সর্বনিম্ন ৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা দরপত্র প্রস্তাব পাওয়া যায়। কিন্তু সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবের যোগসাজশে বেআইনীভাবে ১০ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে পূর্বের অপারেটরদের কাজ দেওয়ার জন্য বন্দরের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এতে ৬ টি বার্থে মোট ৩৬ লাখ টাকা বেশি বন্দরকে অতিরিক্ত গুণতে হবে।
বক্তারা সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এ ধরণের বেআইনী কর্মকান্ডের মাধ্যমে বন্দরকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি বিনা টেন্ডারে বার্থ অপারেটর নিয়োগের চেষ্টার প্রতিবাদে বন্দরে সর্বাত্মকভাবে কর্মবিরতি পালনের হুমকি দেন। এছাড়াও এ সভা থেকে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস প্রদান, বহিরাগত লোক নিয়োগ বন্ধ, তিন শিফট চালুর সার্কুলার প্রদানসহ অন্যান্য দাবিতে আগামী রোববার বন্দর ভবনে প্রতিবাদ সভার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
ডক বন্দর শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি ইসকান্দর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এড. মাহফুজুর রহমান, আবদুল আহাদ, রশিদ আহমেদ চৌধুরী, ওয়াহিদুল্লাহ সরকার।
 Print    
- হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার 2010-08-20 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম ২০ আগস্ট ( চিটাগংটুডে ডটকম ) চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন বড়পুল মোড় এলাকা ও পাহাড়তলীর মনছুরাবাদ এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি দল ২৭ টি চোরাই রিকশা এবং চোর দলের ব্যবহৃত একটি সিএনজি বেবিটেক্সি উদ্ধার করেছে।
র‌্যাব সূত্র জানায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে রিকশা চুরি করে বিক্রি করে আসছিলো। চোর চক্রের তিন সদস্য সাইফুল (৩২), মোঃ শাহজাহান (৩৯), মোঃ দেলোয়ার হোসেন দেলু (৩৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
 Print    
- চন্দনাইশে মদ পানে ১ জনের মৃত্যু 2010-08-20 
চট্টগ্রাম ২০ আগস্ট ( চিটাগংটুডে ডটকম )চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার হারালা জেলে পাড়ায় মদ পানে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে ২ জন ।
বৃহস্পতিবার বিকালে জেলে পাড়ার তিন বন্ধু খোকা দাশ (৫৮), রতন দাশ (৩২),অনিল দাশ (৫০) মদ পানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চন্দনাইশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খোকা দাশের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চমেক হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়। অপর ২ জন চন্দনাইশে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে।
 Print    
- সাধারণ ক্ষমার আওতায় চট্টগ্রামে ১৩ কয়েদীর মুক্তি 2010-08-20 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম ২০ আগস্ট( চিটাগংটুডে ডটকম ) সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় চট্টগ্রাম কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত ১৩ জন কয়েদি। তারা ১৯৯১ থেকে ৯৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন মামলায় সাজা পেয়েছিলেন। শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম কারাগার সূত্র জানায়, এখান থেকে মোট ১৪ কয়েদিকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মুক্তি পাওয়ার আগেই মারা গেছেন। তার নাম শাহ অলম(৬২)। তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি এলাকার বাসিন্দা। বাকি ১৩ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্তদের কারাগার থেকে বেরিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ দীর্ঘদিন পর আপনজনদের কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
সাধারণ ক্ষমার আওতায় চট্টগ্রাম কারাগার থেকে মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন, বোয়ালখালীর ইমামুল্লার চরের মো.এজাজুল হক প্রকাশ আবদুল মান্নান (৪৫), কক্সবাজার খুরুস্কুল এলাকার সৈয়দ আকবর (৪৭), বাঁশখালীর ইলশা এলাকার আবু তাহের (৪৭) , কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার সদর আমিন ( ৪৭), মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এলাকার ইসলাম মিয়া (৪৭), বাঁশখালীর বরইতলী এলাকার বশির আহমদ (৪৮), ফটিকছড়ির সাদেক নগর এলাকার নুরুল ইসলাম (৪৫), নোয়াখালীর চাটখিল এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেন (৪২), লোহাগাড়ার উত্তর কলাউজান এলাকার হারুনুর রশিদ (৫৪), মায়ানমার আকিয়াবের রহমত উল্লাহ (৪১), বাঁশখালীর বেলগাঁওয়ের রমিজ আহমদ (৪৮), চট্টগ্রাম পাঁচলাইশের মো. ইসমাইল (৪৫) এবং কক্সবাজার ঈদগড় এলাকার নুরুল আলম (৪৮)।
কারা সূত্র জানায়, মুক্তিপ্রাপ্তরা ১৯৯১ থেকে ৯৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সাজা পেয়েছিলেন। বেশিরভাগই সাজা পেয়েছিলেন হত্যা মামলার আসামি হিসেবে।
 Print    
- সিসিসির সব উন্নয়ন কাজে ওপেন টেন্ডারের সিদ্ধান্ত 2010-08-19 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগস্ট ১৭(চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেছেন এখন থেকে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নমূলক সকল কাজ ওপেন টেন্ডারে সম্পন্ন করা হবে এবং কাজ প্রদানের ক্ষেত্রে সুষম বন্টন নীতি অনুসরন করা হবে। তিনি আজ বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে সিটি কর্পোরেশন ঠিকাদার সমিতির সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
বৈঠকে সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলারবৃন্দ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন। ঠিকাদারদের পক্ষে সমিতির সভাপতি মনজুরুল আলম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মহিউদ্দিন, কাজী বেলাল, হারুন জামাল, আহমদ হোসেন, জসিমউদ্দিন, আবু ফরহাদ সাবু, পাপ্পু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মেয়র বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা। এই উন্নয়ন কাজে সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদাররাও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত।
তিনি বলেন,সরকারী বিধি বিধান অনুসরন করে সিটি কর্পোরেশনের সকল উন্নয়ন কাজের টেন্ডার আহ্বান এবং উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। নিয়মনীতি বহির্ভূত কোন কাজ করা যাবে না।
তিনি ঠিকাদারদের বলেন, আমি আপনাদের সহযোগিতা দেব, তবে যে কোন মূল্যে আপনারা আমাকে মানসম্মত ও টেকসই কাজ দিতে হবে।
সভায় ঠিকাদারগণ টেন্ডারবাজী ও সিন্ডিকেট প্রথা দূরীকরণ, বাজার দরের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রাক্কলন দর পুনঃ বিবেচনা করা, দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত সাধারণ ঠিকাদারদের কাজ প্রদান এবং রমজান মাসে বকেয়া পরিশোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তারা সুষম বন্ঠনের মাধ্যমে কাজ প্রদানের জন্য মেয়রের নিকট আহ্বান জানিয়ে বলেন- এ পদ্ধতির ফলে প্রত্যেক ঠিকাদার কাজ পাবে এবং ঠিকাদার ও কাজের মধ্যে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। ফলে আপনি নগরবাসীকে মানসম্মত কাজ উপহার দিতে পারবেন। তারা উন্নয়ন কাজে মেয়রকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
 Print    
- মার্কিন কোস্টগার্ড প্রতিনিধি দলের চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন 2010-08-17 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগস্ট ১৭ (চিটাগাংটুডে ডটকম) মার্কিন কোস্টগার্ডের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলটি বন্দরের আইএসপিএস কোড বাস্তবায়ন সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন এবং বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। তারা দেশের একমাত্র জ্বালানী তৈল শোধনাগারও পরিদর্শন করেছে।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন ইউএস কোর্ষ্টগার্ডের ক্যাপ্টেন জন কস্টার, লে. কমান্ডার পল উইলিয়াম ও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক অফিসার মি. কুলি।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ ফরহাদ উদ্দিন জানিয়েছেন, মার্কিন কোস্টগার্ডের প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম বন্দরে আইএসপিএস কোড বাস্তবায়নে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
বেলা সাড়ে ১১টায় প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে পৌঁছেন। পরে তারা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ পরিদর্শন করেন।
এসময় প্রতিনিধি দলকে বন্দরের নিরাপত্তার জন্য গৃহীত নানা কার্যক্রম ব্যাখ্যা করেন বন্দর কর্মকর্তারা। প্রতিনিধি দল ইন্টারন্যাশনাল শিপ অ্যান্ড পোর্ট ফ্যাসিলিটি সিকিউরিটি (আইএসপিএস) কোড বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে জানতে চান। কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে প্রতিনিধি দলকে বিস্তারিত অবহিত করেছেন। পরে তারা বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর আরইউ আহমদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিকেল ৫টায় প্রতিনিধি দল বন্দর ভবন ত্যাগ করেন। পরে প্রতিনিধি দল পতেঙ্গায় অবস্থিত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিদর্শন করেন। সন্ধ্যায় প্রতিনিধি দল ঢাকার উদ্দেশে চট্টগ্রাম ত্যাগ করেন।
 Print    
- বান্দরবানে ছেলে ধরা আতংক: এক সপ্তাহে আটক ৫ 2010-08-17 
বান্দরবান, আগস্ট ১৭,(চিটাগাংটুডে ডটকম)বান্দরবানে ছেলে ধরা আতংকে নিঘুম রাতকাটাচ্ছে গ্রামবাসীরা। পাড়ায় পাড়ায় জনসচেতনা বৈঠক করে অবিভাবকদের সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনপ্রতিনিধিরা। এদিকে ছেলে ধরা সন্দেহে জনতা এক সপ্তাহে ৫ জনকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে।
গত রবিবারও জেলা সদরের হাফেজঘোনায় ঘোরাফেরার সময় আলী হোসেন (১৮) নামে এক যুবককে ধরে জনতা গনধোলাই দিয়েছে। পরে জনপ্রতিনিধির সহায়তায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে আসে। একই অভিযোগে শনিবার বালাঘাটা থেকে আরো একজনকে আটক করে জনতা।
এ ছাড়াও শুক্রবার রোয়াংছড়ি উপজেলার মাচালং পাড়া থেকে ছেলে ধরা সন্দেহে উক্য চিং ও আব্দুল আলিম নামে দুজনকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে জনতা। তারআগে বৃহস্পতিবার কালাঘাটা থেকে ছেলে ধরা সন্দেহে আরো এক মহিলাকে আটক করে জনতা। সবমিলিয়ে গত এক সপ্তাহে বান্দরবানে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ছেলে ধরা আতংকে এলাকায় এলাকায় রাত জেগে নির্ঘুম প্রহরা দিচ্ছে পাড়াবাসীরা। দুভাগে বিভক্ত হয়ে ৫/৭ জন করে প্রহড়ায় নিয়োজিত থাকছে প্রতিরাতে লোকজন।
এদিকে ছেলে ধরা আতংকে লোকজন অস্বাভাবিক এবং অপরিচিত লোকজনদের ধরে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করছে বলেও জানান পুলিশ। আতংক দূর করতে পাড়ায় পাড়ায় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী জনসচেতনা সভা করছে।
রবিবার হাফেজঘোনায় সচেতনতা সভায় পৌর কাউন্সিলার হাবিবুর রহমান জানান, শহরজুড়ে ছেলে ধরা আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। তার ওয়ার্ড হাফেজঘোনায় রাত জেগে প্রহরা দিচ্ছে লোকজন। আতংকে শিশু-কিশোরদের ঘরের বাইরে পাটাতে সাহস পাচ্ছে না লোকজন।
তবে অনুসন্ধান চালিয়ে ছেলে ধরার বিষয়ে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন পুলিশ। এবিষয়ে সদর থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা ফখরুল উদ্দিন জানান, কুচক্রি মহল ছেলে ধরা আতংক ছড়িয়ে দিয়েছে। এ পর্যন্ত লোকজন যাদের আটক করে পুলিশে দিয়েছে তাদের মধ্যে কারও ছেলে ধরার সাথে সংশিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তিনি জানান পুলিশ এ বিষয়ে সচেতনতামুলক কার্যক্রম শুরু করেছে। আতংক দুরকরতে পাড়ায় পাড়ায় সভা করা হচ্ছে।
 Print    
- অগ্নিকান্ড প্রতিরোধ ও ভূমিকম্প দূর্যোগে জাপান সহায়তা করবে 2010-08-17 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগস্ট ১৬,(চিটাগাংটুডে ডটকম) ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড প্রতিরোধ এবং দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় জাপান বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে আগ্রহী। রবিবার বিকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমের সাথে তাঁর কাট্টলীস্থ মোস্তফা হাকিম বাসভবনে জাপানস্থ টোকিও ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্সের রিচার্স ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের পরিচালক প্রফেসর সিনইচি সুগাহারা সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট জাপানের রিসার্চ ইঞ্জিনিয়ার ড. হিদেকি ইউসিওকা ও ড. স্থপতি সনজীব বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সিটি মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন অগ্নিকান্ড ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে বাংলাদেশ প্রতিবছর বহু মূল্যবান প্রান ও সম্পদ হারাচ্ছে। এর প্রতিরোধে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ও ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে এই ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা থেকে রক্ষা পাওয়া যেত।
মেয়র বলেন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীসহ শিল্পাঞ্চলগুলোতে এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে আগুন লাগালে তা সাথে সাথে আতংক ছড়িয়ে পড়ে এবং মহিলা কর্মীরা হুড়োহুড়ি করে সিড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে পায়ে চাপা পড়ে অনেকে মারা যান। এ ধরনের অনভিপ্রেত দূর্ঘটনার জন্য মূলত অসাবধানতা ও অসচেতনতাই মূল কারণ।
মেয়র বলেন হাইরাইজ বিল্ডিং এর আগুন নিভানো ও উদ্ধার কাজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও সীমিত। ফলে এ ধরনের ঘটনার মোকাবেলা দূরহ হয়ে পড়ে।
জাপানের প্রতিনিধিগণ বলেন- ভূমিকম্প, অগ্নিকান্ড এবং দূর্যোগ প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় জাপান বর্তমানে নতুন নতুন টেকনোলজি প্রয়োগ করছে। জাপানের এই টেকনোলজি বাংলাদেশ ইচ্ছে করলে অনুসরন করতে পারে।
 Print    
- সিইপিজেডে শ্রমিকের মৃত্যূ: এমইবি গ্রুপের কারখানা বন্ধ 2010-08-12 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগষ্ট ১২(চিটাগাংটুডে ডটকম) চিটাগং এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (সিইপিজেড)এর ভেতর একটি টেক্সটাইল কারখানার দরজার ভাঙা কাচে গলা আটকে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এক শ্রমিকের। এই ঘটনার জের ধরে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে কর্তৃপক্ষ কারখানাটি বন্ধ করে দেয়।বৃহস্পতিবার সকালে এমইবি গ্রুপের মালিকানাধীন তারেক-আজিম টেক্সটাইল লিমিটেডে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শ্রমিকের নাম শের-ই-বাদল (২৮)। সে সিইপজেডসংলগ্ন এলাকার জনৈক আব্দুল লতিফ মল্লিকের পুত্র।
শ্রমিক নিহত হওয়ার খবরে ওই কারখানার অন্য শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
পুলিশ ও শ্রমিকদের সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে বাদল কারখানার মূল কার্যালয়ে কাচের দরজা ঠেলে ভেতের ঢোকার সময় অসাবধানতাবশত সেটিতে আঘাত লাগে। এতে ভাঙা কাচে বাদলের গলা আটকে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ দ্রুত কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে শ্রমিকদের বাইরে বের করে দেয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
সিইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সার্জেন্ট মো. হাসান জানান, কাঁচের দরজায় সতর্কতামূলক কোনো চিহ্ন না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
 Print    
- বাঁশখালীতে ডাকাত-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ২, আহত ২০ 2010-08-10 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগস্ট ১০ (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ডাকাত ও এলাকাবাসীর সংঘর্ষে এক ডাকাত সর্দার ও এক এলাকাবাসী নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় কমপক্ষে ২০জন আহত হয়েছে। পুলিশ জানায় ডাকাতের গুলিতে নিহত গ্রামবাসীর নাম আবুল হোসেন (৬০) নিহত ও ডাকাত সর্দারের নাম আবু সৈয়দ (৪২)।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম আতাউর রহমান জানান, নিহত ডাকাত আবু সৈয়দ দক্ষিণ চট্টগ্রামের ডাকাত দলের সর্দার। তার নামে বাঁশখালী, সাতকানিয়াসহ বিভিন্ন থানায় খুন, ডাকাতি, দস্যুতার কয়েকটি মামলা রয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, গত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ১৫/২০ জনের ডাকাত দল বাঁশখালীর পশ্চিম চাম্বল, ডেপুটি ঘোনা গ্রামে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হলে গ্রামবাসী খবর পেয়ে ডাকাত দলকে ঘেরাও করে। গ্রামবাসী মসজিদের মাইকে ডাকাত দলকে প্রতিরোধ করার জন্য গ্রামবাসীর প্রতি আহবান জানায়।
এ সময় অবস্থা বেগতিক দেখে ডাকাত দল গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা করে। ডাকাতের গুলিতে ঘটনাস্থলে মারা যায় আবুল হোসেন নামে একজন।
পরে গ্রামবাসী ডাকাত দলকে ধাওয়া করে এক ডাকাতকে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।
 Print    
- চাকতাই প্রথম সেতু খুলে দেয়া হয়েছে 2010-08-10 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগষ্ট ৯(চিটাগাংটডে ডটকম) সোমবার নগরীর চাক্তাই খাতুনগঞ্জ সংযোগ সড়কের অন্যতম সেতু চাকতাই প্রথম সেতু যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম ফিতা কেটে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর ফলে মিয়া খাঁ নগর, দেওয়ান বাজার, চাক্তাই, বক্সির হাট, বাকলিয়া, খাতুনগঞ্জ, কর্ণফুলীর দক্ষিন পাড় যাতায়তে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাগব হবে।
উদ্বোধনকালে মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন,চাক্তাই খাতুনগঞ্জ সারাদেশের ব্যবসা বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। বিগত সময়ে বহুবিধ সমস্যার কারণে চাক্তাই খাতুনগঞ্জ ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। এই সেতুটি পুনঃ নির্মাণ করে সিটি কর্পোরেশন তার নৈতিক দায়িত্ব পালন সম্পন্ন করেছে। এতে করে চাক্তাই খাতুনগঞ্জ ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তার অতীত ঐতিহ্য ফিরে আসবে ।
এই সেতু চালুর ফলে মিয়া খাঁ নগর, দেওয়ান বাজার, চাক্তাই, বক্সির হাট, বাকলিয়া, খাতুনগঞ্জ, কর্ণফুলীর দক্ষিন পাড় ইত্যাদি স্থানে যাতায়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে ও নগরীর উক্ত ব্যবসায়িক কেন্দ্রস্থলসমূহে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে অবদান রাখবে বলে মেয়র উল্লেখ করেন।
তিনি এলাকার যানজট নিরসনের এ সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বলেন, ব্যবসায়ী সমাজের দীর্ঘ দিনের দাবী ছিল এই সেতুটির পুনঃ নির্মাণ। বর্তমানে এই সেতুটি নির্মানের মাধ্যমে এলাকাবাসীর সীমাহীন দূর্ভোগের অবসান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ নগর অবকাঠামোর সুষম উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি নগরবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এ সময় প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, সংশিস্নষ্ট প্রকৌশলী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর ইয়াছিন চৌধুরী আশু, কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম, সাবেক কমিশনার হাজী মোঃ জামাল হোসেন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
চাক্তাই প্রথম সেতুটি নির্মানে এডিবির অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ১৭ লড়্গ টাকা ব্যয় করা হয়। দুই লেন বিশিষ্ট এই সেতুটির দৈঘ্য ৬২ ফুট ও প্রস্থ ২৪ ফুট।
 Print    

1  2  3  4  5  6  7  8  9  10  11  12  13  14  15  16  17  18  19  20  21  22  23  24  25  26  27  28  29  Next
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions