 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
কক্সবাজার, অক্টোবর ২১ (চিটাগাংটুডে ডটকম) এবার মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নামের কোন জাতির অস্তিত্ব নেই বলে দাবী করেছে নাসাকা। বুধবার মিয়ানমারের সীমান্ত শহর মংডুতে বেলা ১১টা থেকে দুই ঘন্টাব্যাপি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বিডিআর ও মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী নাসাকার মধ্যে ব্যাটালিয়ান পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে নাসাকা এই দাবি করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে থাকা ৪২ রাইফেলস ব্যাটালিয়ানের অভিযান কর্মকর্তা (অপস) মেজর আবু নাঈম জানান, রোহিঙ্গা পুশইন করার বিষয়টি নাসাকার কাছে তুলে ধরা হলে তারা বিষয়টি অসৌজন্যমূলক ভাবেই নিয়েছে। বৈঠকে নাসাকা দাবি করেছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা বলে কোন জাতির অস্থিত্ব নেই। তারা অনুরোধ করেন, বাংলাদেশ যেন অনুপ্রবেশকারিদের মিয়ানমারের নাগরিক কিংবা মুসলমান বলে পরিচয় দেয় বলে আবু নাঈম উল্লেখ করেন।
নাসাকা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে কোন রকম সৈন্য সমাবেশের কথা বেমালুম অস্বীকার করে দাবি করেছে এটা বাংলাদেশি মিডিয়ার সৃষ্টি। মিয়ানমার সীমান্তে নাসাকা তাদের নিয়মিত কর্মকান্ডের পাশাপাশি চোরাচালান ও আদম পাচার রোধে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বত্র স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রয়েছে।
নাসাকা তাদের হাতে আটক ৯ বাংলাদেশি নাগরিককেও বিডিআরের কাছে হস্তান্তর করেছে।
বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দানকারি টেকনাফস্থ ৪২ রাইফেলস ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোজাম্মেল হোসেন জানান, তারা দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর নিয়মিত বৈঠকে অংশ নিতেই মিয়ানমারের মংডু টাউনশীপে গিয়েছিলেন। নাসাকা কমান্ডার লে. কর্ণেল নে মিউ বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্বভাবিক অবস্থা বজায় রয়েছে। দুই বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে। অথচ বাংলাদেশি মিডিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিডিআরের কাছে হস্তান্তর করা বাংলাদেশীরা হলেন, নুর মোহাম্মদ, সৈয়দুল হক, আবু সিদ্দিক, আবদুল করিম, আবু বক্কর সিদ্দিক, আলী হোসেন, হারুনুর রশিদ, নবী হোসেন ও আমান উল্লাহ। এদের মধ্যে প্রথম ৭ জন পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও শেষের দুইজন কক্সবাজারের রামু উপজেলার বাসিন্দা। |