English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
আইন
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
আইন
- এবার রোহিঙ্গা জাতির অস্তিত্ব অস্বীকার করলো মিয়ানমার 2009-10-21 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
কক্সবাজার, অক্টোবর ২১ (চিটাগাংটুডে ডটকম) এবার মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নামের কোন জাতির অস্তিত্ব নেই বলে দাবী করেছে নাসাকা।
বুধবার মিয়ানমারের সীমান্ত শহর মংডুতে বেলা ১১টা থেকে দুই ঘন্টাব্যাপি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বিডিআর ও মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী নাসাকার মধ্যে ব্যাটালিয়ান পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে নাসাকা এই দাবি করেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে থাকা ৪২ রাইফেলস ব্যাটালিয়ানের অভিযান কর্মকর্তা (অপস) মেজর আবু নাঈম জানান, রোহিঙ্গা পুশইন করার বিষয়টি নাসাকার কাছে তুলে ধরা হলে তারা বিষয়টি অসৌজন্যমূলক ভাবেই নিয়েছে।
বৈঠকে নাসাকা দাবি করেছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা বলে কোন জাতির অস্থিত্ব নেই। তারা অনুরোধ করেন, বাংলাদেশ যেন অনুপ্রবেশকারিদের মিয়ানমারের নাগরিক কিংবা মুসলমান বলে পরিচয় দেয় বলে আবু নাঈম উল্লেখ করেন।
নাসাকা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে কোন রকম সৈন্য সমাবেশের কথা বেমালুম অস্বীকার করে দাবি করেছে এটা বাংলাদেশি মিডিয়ার সৃষ্টি। মিয়ানমার সীমান্তে নাসাকা তাদের নিয়মিত কর্মকান্ডের পাশাপাশি চোরাচালান ও আদম পাচার রোধে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বত্র স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রয়েছে।
নাসাকা তাদের হাতে আটক ৯ বাংলাদেশি নাগরিককেও বিডিআরের কাছে হস্তান্তর করেছে।
বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দানকারি টেকনাফস্থ ৪২ রাইফেলস ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোজাম্মেল হোসেন জানান, তারা দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর নিয়মিত বৈঠকে অংশ নিতেই মিয়ানমারের মংডু টাউনশীপে গিয়েছিলেন।
নাসাকা কমান্ডার লে. কর্ণেল নে মিউ বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্বভাবিক অবস্থা বজায় রয়েছে। দুই বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে। অথচ বাংলাদেশি মিডিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বিডিআরের কাছে হস্তান্তর করা বাংলাদেশীরা হলেন, নুর মোহাম্মদ, সৈয়দুল হক, আবু সিদ্দিক, আবদুল করিম, আবু বক্কর সিদ্দিক, আলী হোসেন, হারুনুর রশিদ, নবী হোসেন ও আমান উল্লাহ। এদের মধ্যে প্রথম ৭ জন পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও শেষের দুইজন কক্সবাজারের রামু উপজেলার বাসিন্দা।
 Print    
- ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার অধিকতর তদন্তের সময় ৪র্থ বার বাড়লো 2009-07-22 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চতূর্থ বারের মত চাঞ্চল্যকর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার অধিকতর তদন্তের সময় আরও ৭৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ভবানী প্রসাদ সিংহ এ সময় বাড়ান
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর পিপি কামাল উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান চৌধুরী গত ১৩ জুলাই ৯০ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। বিচারক আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত তদন্তের সময় বাড়িয়েছেন।
এ নিয়ে চতুর্থ বার অধিকতর তদন্তের মেয়াদ বাড়ার তথ্য উল্লেখ করে পিপি বলেন, অস্ত্র পরিবহনকারী জাহাজটি সনাক্ত করতে না পারা এবং অস্ত্র খালাসের সময় উপস্থিত অজ্ঞাত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সুষ্পষ্ট তথ্য না থাকার কথা বলে তদন্ত কর্মকর্তা সময় বাড়ানোর আবেদন করেন।
অন্যদিকে বুধবার একই আদালতে সাত আসামির জামিন বাতিলের ওপর শুনানি হয়েছে। বর্তমানে এই সাত আসামী জামিনে রয়েছে। একই সময় আদালত এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি দীন মোহাম্মদের জামিন না মঞ্জুর করেছে। এই সাত আসামীর পক্ষে কেন জামিন বাতিল হবেনা মর্মে দেয়া নোটিশের জবাব দেয়া হয়েছে। আদালত আগামী ৫অক্টোবর শুনানীর পরবর্তী দিন ধার্য করেছে।
২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন মহানগর পিপি আহসানুল হক হেনা এ মামলার অধিকতর তদন্তের আবেদন করেন। আদালত নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের আদেশ দিলে সিআইডির সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট ইসমাঈল হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু দুদফা সময় নিয়েও তিনি তদন্তে অগ্রগতি করতে পারেননি।
পরে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে মনিরুজ্জামান চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি অস্ত্র খালাস ও জেটি ব্যবহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিইউএফএল কর্মকর্তা, কোস্টগার্ড, ট্রাক মালিক, পুলিশ এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দরের চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার (সিউএফএল) ঘাটে ট্রলার থেকে খালাসের সময় পুলিশ দশ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র আটক করে।
 Print    
- ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার অধিকতর তদন্তের সময় ৪র্থ বার বাড়লো 2009-07-22 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চতূর্থ বারের মত চাঞ্চল্যকর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার অধিকতর তদন্তের সময় আরও ৭৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ভবানী প্রসাদ সিংহ এ সময় বাড়ান।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর পিপি কামাল উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান চৌধুরী গত ১৩ জুলাই ৯০ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। বিচারক আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত তদন্তের সময় বাড়িয়েছেন।
এ নিয়ে চতুর্থ বার অধিকতর তদন্তের মেয়াদ বাড়ার তথ্য উল্লেখ করে পিপি বলেন, অস্ত্র পরিবহনকারী জাহাজটি সনাক্ত করতে না পারা এবং অস্ত্র খালাসের সময় উপস্থিত অজ্ঞাত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সুষ্পষ্ট তথ্য না থাকার কথা বলে তদন্ত কর্মকর্তা সময় বাড়ানোর আবেদন করেন।
অন্যদিকে বুধবার একই আদালতে সাত আসামির জামিন বাতিলের ওপর শুনানি হয়েছে। বর্তমানে এই সাত আসামী জামিনে রয়েছে। একই সময় আদালত এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি দীন মোহাম্মদের জামিন না মঞ্জুর করেছে। এই সাত আসামীর পক্ষে কেন জামিন বাতিল হবেনা মর্মে দেয়া নোটিশের জবাব দেয়া হয়েছে। আদালত আগামী ৫অক্টোবর শুনানীর পরবর্তী দিন ধার্য করেছে।
২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন মহানগর পিপি আহসানুল হক হেনা এ মামলার অধিকতর তদন্তের আবেদন করেন। আদালত নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের আদেশ দিলে সিআইডির সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট ইসমাঈল হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু দুদফা সময় নিয়েও তিনি তদন্তে অগ্রগতি করতে পারেননি।
পরে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে মনিরুজ্জামান চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি অস্ত্র খালাস ও জেটি ব্যবহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিইউএফএল কর্মকর্তা, কোস্টগার্ড, ট্রাক মালিক, পুলিশ এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই সাবেক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দরের চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার (সিউএফএল) ঘাটে ট্রলার থেকে খালাসের সময় পুলিশ দশ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র আটক করে।
 Print    
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions