English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
পর্যটন
- কক্সবাজারে ভূমি জটিলতাই বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে 2009-11-13 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
কক্সবাজার, নভেম্বর১৩,(চিটাগাংটুডে ডটকম) ভূমি সংক্রান্ত জটিলতাই কক্সবাজারে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে বিনিয়োগ করতে এসে অনেকে নানা রকম হয়রানীর সম্মূখীন হচ্ছেন। শুধু তাই নয় বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘস্থায়ী মামলা মোকদ্দমাতেও জড়িয়ে পরছেন ।
পৃথীবির দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের কক্সবাজারের গড়ে উঠছে অনেক হোটেল। দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারিরা এই খাতে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করছেন। কিন্তু সম্প্রতি বিনিয়োগকারিরাই নানা রকম বাধার সম্মুখিন হচ্ছেন। তারা শিকার হচ্ছেন দখল,বেদখল আর হামলা মামলার ।
একাধিক বিনিয়োগকারি প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন। অনেকেই আশংকা করছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে কক্সবাজারে পর্যটনখাতে বিনিয়োগ হ্রাস পেতে পারে।
ইনানি সৈকত এলাকায় পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণকারি প্রতিষ্ঠান রিগস গ্রুপের প্রকল্প সমন্বয়কারী জহিরুল ইসলাম জানান, ইনানিতে তাদের ২২ তলা বিশিষ্ট তারকা হোটেলের নির্মাণ কাজ চলছে। গত ২৭ অক্টোবর একদল সন্ত্রাসি পররাষ্ট্র সার্ভিস একাডেমীর বর্তমান অধ্যক্ষ ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেনের নাম ভাঙ্গিয়ে ওই প্রকল্পে হামলা চালায়।
তিনি জানান, হামলাকারির রিগস গ্রুপের জমিটিতে সাইনবোর্ডও টাঙ্গিয়ে দেয়। ওই সাইনবোর্ডে দাবি করা হয় এই জমির মালিক তৌহিদ হোসেনের দুই মেয়ে সীমা হোসেন ও তনিমা হোসেন, মোশাররফ হোসেনসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। ঠিকানা দেয়া হয়, বেলাবো, নরসিংদি।
পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন জানান, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন দাবি করছেন, জমিটি তাদের। রিগস গ্রুপ রাতের আঁধারে টিনের ঘেরা দিয়ে জবর দখল করেছে। এই বিষয়ে দুটি পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তারপরই বলা যাবে আসলে জমিটি কার। তিনি জানান, এ বিষয়ে এখনো কোন মামলা হয়নি।
জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে নিরাপত্তা চেয়ে দেয়া রিগস গ্রুপের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের প্রতিষ্ঠিত বিনিয়োগকারি প্রতিষ্ঠান রিগস গ্রুপ কক্সবাজারে পর্যটন শিল্পে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগও করেছেন।
সেই বিনিয়োগের অংশ হিসেবে একই সাথে ইনানিতে ২২ তলা পাঁচ তারকা হোটেল ও সেন্টমার্টিন দ্বীপে ইকো রিসোর্ট নামে একটি হোটেলের কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে কক্সইন নামে পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। হয়েছে।
রিগস গ্রুপের কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম দাবি করেন, উখিয়া র একজন জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বেই ইনানি এলাকায় জমি জবরদখল, সাইনবোর্ড সরানোসহ নানা ভাবে বিনিয়োগকারিদের হয়রানি করা হচ্ছে।
এদিকে কক্সবাজার শহরে হোটেল মোটেল জোনে তারকা হোটেল সীগালের নিরাপত্তা কর্মীরা ফ্যালকন গ্রুপের নির্মাণাধীন হোটেল প্রকল্পে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় ফ্যালকন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১০ জন আহত হয়। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনাও ঘটেছে।
হোটেল সীগাল কর্তৃপক্ষ করছেন, ফ্যালকন তাদের হোটেল নির্মাণে সীগালের বাউন্ডারি দেয়ালের পাঁচ গজের মধ্যে পিলার নির্মাণ করছেন। অথচ হোটেল সীগাল বাউন্ডারি দেয়ালের উপরেই তাদের ভবন নির্মাণ করেছেন।
 Print    
- বিশ্বখ্যাত চিকেন ফাষ্টফুড কেএফসি এখন চট্টগ্রামে 2009-11-12 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ১২,(চিটাগাংটুডে ডটকম)বিশ্ব বিখ্যাত ফ্রাইড চিকেন ফাষ্ট ফুড প্রতিষ্ঠান কেএফসি চট্টগ্রামে তাদের শাখা খুলেছে। নগরীর লালখান বাজারে আমিন সেন্টার সংলগ্ন এটি কেএফসির ৫ম শাখা।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কেএফসির এই শাখাটি উদ্বোধন করেন দেশের অন্যতম কন্ঠশিল্পী তিশমা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সকম ফুড লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আক্কু চৌধুরী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কন্ঠ শিল্পী তিশমা বলেন, কেএফসির শাখা উদ্বোধন করতে এসে আমি উল্লাসিত। পৃথীবির য কোন দেশে গেলে আমি কেএফসি চিকেনের স্বাধ উপভোগ করতে ভুলিনা।
আক্কু চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বমানের ফাষ্টফুড নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য যেখানে বন্ধু বান্ধব ও পরিবারের সভাই মিলে সামর্থের মধ্যে অনন্য স্বাদের খাবার উপভোগ করতে পারবে।
তিনি নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, ভোজন রসিকরা এখানে ১১টি সিক্রেট স্পাইসেস রেসিপি, সেরা মানের সার্ভিস ও অনন্য ডাইনিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করবে বলে ।
ট্রান্সকম ফুড বিশ্ব বিখ্যাত রেষ্টুরেন্ট ইয়ামের চিকেন ব্রান্ড কেএফসি এবং পিজা ব্রান্ড পিজ্জা হাট এর বাংলাদেশের ফ্রানচাইজি। ২০০৫ সাল থেকে পিজা হাট চট্টগ্রামে সার্ভিস দিয়ে আসছে।
 Print    
- চট্টগ্রাম- কুয়েত সরাসরি বিমান যোগাযোগ শুরু 2009-10-31 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, অক্টোবর ৩০ ( চিটাগাংটুডে ডটকম)শাহ আমানত বিমান বন্দর থেকে কুয়েত এয়ারওয়েজ এর ফ্লাইট চালুর মধ্যে দিয়ে চট্টগ্রামের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশ কুয়েতের সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপিত হলো।
শুক্রবার সকালে কুয়েত থেকে ২৩২জন যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম শাহ আমানত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে আসার মধ্যে দিয়ে এয়ার লাইন্সটির ৪৮তম রুটের যাত্রা শুরু করেছে।
এই নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের তৃতীয় বিমান সংস্থা চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি ফ্লাইট চালু করলো।চট্টগ্রাম থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু করা অপর দুটি বিমান সংস্থা হচ্ছে ওমান এয়ার এবং এয়ার এরাবিয়া।
শীঘ্রই বাহরাইন এয়ার লাইনসসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরো এয়ার লাইনস চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি ফ্লাইট চালুর কথা রযেছে।
সপ্তাহে শুক্রবার এবং রোববার দুটি করে মোট চারটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম-কুয়েত যাওয়া আসা করবে। এই ছাড়াও চট্টগ্রামের যাত্রীরা পশ্চিমে নিউইয়র্ক এবং পূর্বে ম্যনিলাসহ মোট ৪৮টি রুটে যাতায়ত করতে পারবে এই এয়ার লাইন্সের মাধ্যমে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর পেনিনসুলা হোটেলে ফ্লাইট উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলনে কুয়েত এয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন থেকে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট চললেও আগামীতে এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করা হবে।
বিমান সংস্থাটি এই রুটে ফ্রান্সের তৈরী এ ৩০০-৬০০ সিরিজের এয়ারবাস দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।১৮জন স্টাফ ও ২৩২ জন যাত্রীসহ এয়ারবাস এ-৩০০ এর ধারন ক্ষমতা ২০জন।
চট্টগ্রামের নোয়াখালী,কুমিল্লা,কক্সবাজারসহ এই এলাকার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাসিন্দা মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। তাদের এবং ব্যবসায়ীদের সুবিধার কথা চিন্তা করেই চট্টগ্রাম থেকে কুয়েত সরাসরি ফ্লাইট চালু করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মলেনে জানিয়েছে কুয়েত এয়ার লাইনস।
এয়ার লাইনস সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে এয়ার কার্গো পরিবহনেও বিশেষ সেবা দিতে পারবে তারা।
কুয়েত এয়ার লাইন্সের ফ্লাইট চালু হওয়াতে আরো বেশি ব্যস্ত হয়ে উঠবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বিমান বন্দরটি।
দেশের প্রধান বিমান বন্দর জিয়ার উপর থেকে চাপ কমানোর জন্য জাপানের আর্থিক সহায়তায় ৫শ কোটি টাকা ব্যয়ে বছরে ৩০লাখ যাত্রী পরিবহন ৬শ টন কার্গো হ্যন্ডেলিং এ সক্ষম শাহ আমানত বিমান বন্দরের ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার।
ব্যবহার বাড়ানোর জন্য শাহ আমানতের আকাশ সীমাকে উম্মুক্ত করে দেয়া যায় কিনা সে ব্যপারে সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় সম্ভ্যাবতা যাচাই করছে।
 Print    
- বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার সৈকত, ঝাউ নয় থাকবে নারিকেল সুপারীর বাগান 2009-10-26 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
কক্সবাজার, অক্টোবর ২৭ (চিটাগাংটুডে ডটকম) বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার সৈকত। পৃথীবির দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে চির চেনা ঝাউ বনের পরিবর্তে অচিরেই দেখা যাবে নারিকেল, তাল আর সুপারী গাছের সারি।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও মাঠির ক্ষয়রোধে ঝাউগাছ অকার্যকর হয়ে পড়ায় সেখানে ১১০ কিলোমিটারব্যাপি গুচ্ছ মূলের ৫ সারি বাগান গড়ে তোলা হবে। কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় সৈকত জুড়ে বাগান গড়ে তোলা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে আগামি এপ্রিল-মে মাসে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে।
সরকার নীতিগত ভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে জেলা প্রশাসনের পাঠানো প্রাক্কলন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিস্ট এলাকার বিভিন্ন স্তরের লোকজনকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
বর্তমানে সমুদ্র সৈকতের কিছু কিছু এলাকায় ঝাউগাছ রয়েছে। ঝাউগাছের শেকড় খুবই নরম। ঢেউয়ের আঘাতে সহজেই উপড়ে পড়ে। ইতিমধ্যে নাজিরারটেক থেকে হিমছড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার এলাকার হাজার হাজার ঝাউগাছ গত বর্ষার জলোচ্ছাসে পড়ে গেছে।
ঝাউগাছের কোন উডভেল্যুনেই। এসব গাছে কোন পাখি বসে না। কোন ফলও হয় না। তাই বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে জেলা প্রশাসন সৈকতে নারিকেল, খেজুর, তাল ইত্যাদি গুচ্ছমূল জাতীয় গাছ রোপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব গাছ সমুদ্রের তীরে উঁচু বালিয়াড়ি সৃষ্টি করে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ সৃষ্টি করবে।
নতুন এই বেষ্টনী তৈরী হলে সমুদ্র সৈকতের ভাঙ্গন রোধ হবে। এসব গাছ থেকে ফলমূলও পাওয়া যাবে। সাথে সাথে এসব গাছ সংশিস্নষ্ট কারখানা গড়ে উঠবে। সমুদ্র সৈকতে অপরূপ দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ তৈরি হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
 Print    
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions