English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
শেয়ার বাজার
- সিএসইর ব্রোকারেজ রিপ্রেজেন্টেটিভ প্রশিক্ষন সম্পন্ন 2010-08-19 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
ঢাকা, আগস্ট ১৮ (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন যৌথ উদ্যোগ সিএসই ব্রোকারেজ হাউজ গুলোর নতুন অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভদের জন্য দুদিন ব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মসুচীর সম্পন্ন হয়েছে । সম্প্রতি সিএসইর ঢাকা অফিসের কনফারেন্স হলে এই প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সিএসইর ব্রোকারেজ হাউজের অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার প্রাক যোগ্যতা হিসেবে এই প্রশিক্ষন কর্মসূচী সম্প্রতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সদস্য জনাব মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী প্রশিক্ষন কর্মসুচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের বিশাল জগত, এখানে অনেক কিছুই জানার আছে। সারাজিবন পুঁজিবাজার নিয়ে পড়াশুনা করেও এখানকার সকল বিষয়ে আত্মস্থ করা কঠিন । তিনি কর্মক্ষেত্রে আত্ববিশ্বাস অর্জনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন ।
তিনি অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভদের বিনিয়োগকারীদেরকে শেয়ার লেনদেন সম্পর্কিত কোন সিদ্ধান্ত দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহবান জানান।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর উপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সাজিদ হোসাইন তার বক্তব্যে নতুন অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভদের স্বাগত জানান। তিনি অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভদেরকে এস ই সি ও সিএসইর আইন-কানুন যথাযথভাবে পালন করার পরামর্শ দেন । দুদিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষন কর্মসুচীতে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ-র সিনিয়র কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা করেন।
 Print    
- হাক্কানী পেপার মিলসের ২৪শতাংশ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি অর্জন 2010-06-30 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুন ৩০, (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামের হাক্কানী পাল্প এন্ড পেপার মিলস লিঃ প্রতিকুল পরিস্থিতির দক্ষতার সাথে উত্তোরন ঘটিয়ে ২০০৮-০৯ অর্থ বছরের বিগত বছরের তুলনায় উৎপাদনে প্রবৃদ্বি অর্জিত হয়েছে ২৪ শতাংশ এবং সাথে সাথে বিক্রয়ের প্রবৃদ্বি হয়েছে ২০ শতাংশ, লভ্যাংশ বৃদ্বি পেয়েছে ৩০ শতাংশ।
হাক্কানী পেপারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, উৎপাদনের প্রতিটি স্তর নিশ্চিত করা হয়েছে আভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রন এবং স্বচ্ছতা , বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও তদারকি নিবিড় করার লক্ষ্যে স্থাপন করা হয়েছে ডিজিটাল ওয়েট ব্রীজ স্কেল। সঠিক পদ্বতিতে ও প্রনোদনার মাধ্যমে জ্বালানী শক্তি ও কাঁচামালের সঠিক ব্যবহার এবং সর্বোপরি নিবিড় তদারকির মাধ্যমে পণ্যের মান সংরক্ষণ করে উৎপাদন মূল্যে যৌক্তিক স্তরে রাখার দিকে কোম্পানর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেতন।
শিল্পনীতি ও পরিকল্পনায় পরিবর্তন ও অস্থিশীল বাজার ব্যবসায়ী উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা অর্জন , মান উন্নয়ন ও সংরক্ষণ এবং সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সর্বোপুরি সু-দক্ষ ব্যবস্থাপনায় ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে সকল শেয়ার হোল্ডারকে ১০ শতাংশ এবং তার আগের বছর ৮ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করেছিল। কোম্পানী ২০০৮-০৯ অর্থ বছরের ৩০ শে অক্টোবর তারিখ পর্যন্ত পাঁচ বছর টেক্স হলিডে সুবিধা ভোগ করে। টেক্ষ হলিডে সময়কার অব্যবসায়িক আয় থেকে এবং নিয়মতান্ত্রিক অন্যান্য খাত থেকে সরকার কোষাগারে উল্লেখ্যযোগ্য অর্থ প্রদান করে জাতীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সচল রাখতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানীর সচিব নাছির উদ্দিন।
তিনি আরও বলেন কোম্পানীর আওতাধীন বোর্ড মিলস, পেপার মিলস, ফিলিং ষ্টেশন হাক্কানী মোটরস লিঃ ও কন্টেইনার ক্যারিয়ার সহ সকল প্রকল্পের উৎকর্ষতা বৃদ্বির লক্ষ্যে কোম্পানী নিরলস কাজ করে যাচ্ছে । কোম্পানীর পরবর্তী এজিএম বিষয়ে জানতে চাইলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন আগামী ডিসেম্বরে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তবে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে কোম্পানীর বোর্ড মিটিং এ বিষয়টি নিয়ে সঠিক সিদ্বান্ত নেয়া হবে অবহিত করেন।
উল্লেখ্য কোম্পানীর বোর্ড অব ডিরেক্টরস এর মধ্যে চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছাড়া ৮ জন ডিরেক্টরস আছেন তার মধ্যে ২ জন নির্বাচিত বাকীরা মনোনীত। কোম্পানীর বর্তমানে কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা ১৪০ জন।
 Print    
- ইষ্টার্ন কেবলসের এজিএম: ৫ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড ঘোষণা 2010-06-29 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুন ২৯ (চিটাগাংটুডে ডটকম) ইষ্টার্ন কেবল্স্ লিমিটেডের ২৩ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় বিনিয়োগকারীদের জন্য ফলে ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে ৫ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়। সোমবার অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারন সভায় বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ডিভিডেন্ট ঘোষণা করা হয়। এজিএমে উপস্থিত বিনিয়োগকারীরা এই ডিভিডেন্টকে অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
উত্তর পতেঙ্গায় কোম্পানীর ফ্যাক্টরী প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীর চেয়ারম্যান আবু হাফিজ, পরিচালক বৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবদুল মোমেন, জাবেদ মোস্তফা ,শাহানাজ পারভীন, মিজবাহুল রহমান, আনোয়ার সাহাদাত, গোলাম রাব্বানী সহ প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ।
অনুষ্ঠা্নর শুরুতে বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কর্র্মচারী ইউনিয়নের কয়েকজন বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্য প্রদান কালে তারা কোম্পানীকে কিভাবে লাভজনক করা যায় তার উপর আলোকপাত করেন। তার পাশাপাশি শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন বৃদ্বি, নিয়মিত বোনাস প্রদান , শ্রমিক কর্মচারীদের বসবাসরত আবাসন পূনঃ সংস্কার করা, গ্যাস, পানি,বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্য আহবান জানান।
এজিএমে আবদুল মোনাফ নামে একজন বিনিয়োগকারী বলেন নিয়ম অনুযায়ী ইষ্টার্ন কেবল্স্ লিমিটেডের ১৫ শতাংশ শেয়ার শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে বন্টন করার কথা কিন্তু সরকার দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সেই শেয়ার উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে দেয় । এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৬ সালে শ্রমিক কর্মচারীর পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং পরবর্তী ১৯৯৯ সালে এ মামলা শ্রমিক কর্মচারীর পক্ষে রায় ঘোষিত হয়। আজ পর্যন্ত উক্ত মামলার শ্রমিক কর্মচারী তাদের ন্যর্য্য পাওনা ফিরে পায়নি।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্টানের চেয়ারম্যান বলেন পিডিবি,আরইবি,ডিপিসিডি, ডেসকো ইষ্টার্ন কেবল্স লিমিটেডের প্রধান ক্রেতা। এ সব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আহুত স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দরপত্র অংশ গ্রহণ করে কার্যাদেশ প্রাপ্তির মাধ্যমে অত্র প্রতিষ্ঠানের মূখ্য বিপনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে এ বছর বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার ফলে উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে কাঙ্খিত পরিমান কার্যাদেশ না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের বিপনন কাজে বিরুপ প্রভাব পড়ে। ফলে কোম্পানী নির্ধারিত উৎপাদন ও বিক্রয় লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত করতে পারেনি।
ইষ্টার্ন ক্যাবলসের অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি এবং পরিশোধিত মূলধন ২৪ কোটি টাকা, শেয়ার প্রতি অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ ১৭০.৯৮ টাকা।
নিয়ম অনুযায়ী কোম্পানী তার শেয়ার প্রতি আয় নির্ণয় করেছে। শেয়ার হোল্ডাদের কোন প্রকার অগ্রাধিকারযুক্ত লভ্যাংশ , সংখ্যালঘুদের সুবিধা এবং অন্যান্য অতিরিক্ত সাধারণ সুবিধাদি নাই বলে চলতি বছরের নীট লাভকে কোম্পানীর আয় বলে ধরা হয়েছে।
শেয়ার বিভাজনে সরকারের হাতে( বিএসইপি) ৫১শতাংশ এবং আইসিবি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে ৪৯ শতাংশ।
 Print    
- সিএসইতে দিনের প্রথম ১ ঘন্টা লেনদেন হয়নি 2010-06-27 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুন ২৭, (চিটাগাংটুডে ডটকম) রোববার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) দিনের প্রথম ১ ঘন্টা কোন লেনদেন হয়নি। প্রথম দিক থেকে লেনদেন বন্ধ থাকায় অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজ ছিল ফাঁকা থাকলেও এক পর্যায়ে বাজারে স্বাভাবিক ব্যস্ততা শুরু হয়।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সিইওর আবদুল্লাহ মামুন জানিয়েছেন, আমাদের আই,টির কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা থাকায় লেনদেন আপাতত বন্ধ আছে খুব দ্রুত অর্থাৎ ১২ টার পর পরই চালু হবে।
তিনি আরো জানান, যেহেতু ১ ঘন্টা লেনদেন হয়নি সূতরাং সেই ১ ঘন্টা পিছনে বর্ধিত করা হবে। অবশ্যই ১২ টা ১০ মিনিট থেকে লেনদেন শুরু হয়ে একটানা ৪ টা পর্যন্ত চলে।
এ বিষয়ে হাসান শেয়ার এন্ড সিকিউরিটিজের এমডি আনোয়ারুল হাসান বলেন পূর্বে থেকে একটি নিয়ম চালু ছিল যে হরতালের দিন লেনদেন বন্ধ থাকবে। তিনি আরো বলেন এ ক্ষেত্রে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেজ্ঞ একযোগে বন্ধ থাকার কথা কিন্তু শুধুমাত্র সিএসইর লেনদেন বন্ধ রয়েছে।
সোহেল সিকিউরিটিজের এক কর্মকর্তা জানান, একটি পত্রিকা সংবাদ ছেপেছে সিএসইর লেনদেন বন্ধ থাকবে তবে ডিএসইর লেনদেন চলবে। তিনি আরো বলেন সংবাদটির উপর নির্ভর করে অনেক বিনিয়োগকারী বিভ্রান্ত হয়েছে।
পরে সিএসইর মার্কেটিং বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, হরতালের দিন লেনদেন বন্ধ থাকার লিখিত কোন নিয়ম চালু নেই। যেহেতু বিষয়টি রাজনৈতিক সুতরাং নিয়ম চালু করার কোন প্রশ্ন আসেনা। তবে এক ধরণের প্রথা চালুরয়েছে যে হরতাল হলে লেনদেন বন্ধ থাকবে।
হরতালের দিন কোন লেনদেন হবেনা এমন আশংকা এবং যানবাহন না চলায় অনেক বিনিয়োগকারী আসতে পারেনি। তবে ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত লেনদেন না হলেও এক পর্যায়ে অনেকে হাউজে পুনরায় স্বাভাব্কি ব্যস্ততা ফিরে আসে।
 Print    
- প্রবাসীদের জন্য সিএসইর ইন্টারনেটে লেনদেন শুরু 2010-05-24 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, মে ২৪,( চিটাগংটুডে ডটকম ) শেয়ারবাজারে প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ সহজ করার লক্ষ্যে ইন্টারনেটভিত্তিক লেনদেন পদ্ধতি চালু করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।
এই পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে দেশব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে সিএসই ২৩ মে রোববার সিলেটে শুরু করেছে ধারাবাহিক রোড শোর প্রথম পর্ব। খুব শিগগিরই রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লাসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে এই রোড শোর আয়োজন করা হবে।
রোববার সিলেটের স্টার প্যাসিফিক হোটেলে অনুষ্ঠিত রোড শোতে সিএসই কর্মকর্তারা বলেন, দেশের ভেতরের এবং বাইরের সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের কাছে লেনদেন সুবিধা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে তাঁরা ইন্টারনেটভিত্তিক লেনদেনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।
সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সিএসইরসহ-সভাপতি আল মারুফ খান, এফসিএ; সিএসইর দুজন প্রাক্তন সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক, যথাক্রমে এমকেএম মহিউদ্দিন ও নাসিরউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, পরিচালক মো: সিদ্দিকুর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রফেসর ড. এম. এ. মামুন। এসময় সিএসইর সহ-সভাপতি তারেক কামাল, পরিচালক এএসএম শহিদুল্লাহ, বিজন চক্রবর্তী, মোঃ ফখরুদ্দিন, আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী এবং সিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সিলেটের বিপুল সংখ্যক বিনিয়োগকারী এবং বিনিয়োগে আগ্রহী ব্যক্তিবর্গএই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এতে ইন্টারনেটভিত্তিক লেনদেনের কলাকৌশল ও পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা শফিকুল হায়াত।
অনুষ্ঠানে সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতিতে সিলেটের রয়েছে ব্যাপক গুরুত্ব। সিলেটের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী প্রতি বছর দেশে বিরাট অংকের বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু শিল্প ও অন্যান্য খাতের বিনিয়োগের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় এর বড় অংশই মার্কেট, বাড়ি নির্মাণসহ অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হয়ে থাকে। এই মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাকে দেশের অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে এসে শিল্প-বাণিজ্যে বিনিয়োগের সুবিধা করে দিতেই সিএসই সিলেটকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তাছাড়া হযরত শাহজালালের (রহ:) পুণ্যভুমি সিলেট থেকে সিএসই রোড শো শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের তথ্যসমৃদ্ধ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে সিএসই। তিনি বলেন, দেশের দুটি স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনের মধ্যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে। লেনদেনের এই ভারসাম্যহীনতা কমিয়ে আনতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।
সিএসই সভাপতি বাজারে ইসলামী পণ্য চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের মুসলিম বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। কিন্তু ইসলামী পণ্য না থাকায় তাদের বিনিয়োগকে এই দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি সিডিবিএলের বিভিন্ন ফি কমানোর তাগিদ দিয়ে বলেন, দেশের দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ সম্মিলিতভাবে বছরে যে আয় করে থাকে সিডিবিএল একাই তার চেয়ে বেশি আয় করে। তাই এদের এত উচ্চ ফির কোন যৌক্তিকতা নেই। ফি কমিয়ে আনলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা উপকৃত হবেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার এবং সম্ভাবনার তুলনায় আমাদের পুঁজিবাজার এখনো অনেক ছোট ও অপরিণত। তাই এই বাজারের বিকাশকে উৎসাহিত করতে হবে। সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ^v_ বাজারকে আরও বড় করে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগকে অর্থনীতির প্রধান স্রোতে নিয়ে আসতে হবে। এই অবস্থায় বাজারের জন্য প্রয়োজন নানা ধরনের প্রণোদনা। তা না করে বিও হিসাবের জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করা কিংবা শেয়ারবাজারে মুনাফার ওপর মূলধনী কর আরোপ করা হলে বাজারের বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
 Print    
- ওআইসি সদস্যদের যোগাযোগ বৃদ্ধির আহবান সিএসই প্রেসিডেন্টের 2010-05-03 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, মে ৩(চিটাগাংটুডে ডটকম) একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম নিশ্চিত করতে এবং সংশ্লিষ্ট ওআইসি সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের যোগাযোগ-চ্যানেল প্রতিষ্ঠায় ওআইসি সদস্য দেশগুলোর স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে হবে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ সম্প্রতি আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ওআইসি সদস্য দেশগুলোর স্টক এক্সচেঞ্জেস্ ফোরামের ৩য় কার্যকরী কমিটির সভায় এ কথা বলেন।
পুঁজিবাজার পরিচালনা সহজ করতে আইনি বিধিমালা সহজ করার জন্যে এই ফোরামের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো উচিত বলে সিএসই প্রেসিডেন্ট অভিমত প্রকাশ করেন। সুপরিকল্পিত কৌশলগত নীতিমালা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর আন্তঃসম্পর্ক ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে আমাদের দেশগুলোতে আন্তর্জাতিক সমন্বিত বিনিয়োগ বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশে বিনিয়াগ-সুবিধা প্রসঙ্গে তিনি বলেন : দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সহনশীল বিনিয়োগ-পরিবেশ রয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের ভৌগলিক পরিবেশ, সহজে প্রবেশযোগ্য নৌ ও আকাশপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যে অত্যন্ত উপযোগী।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ উক্ত ফোরামের কার্যকরী কমিটির সদস্য। ওআইসি সদস্য দেশগুলোর স্টক এক্সচেঞ্জসমূহের ফোরাম ২০০৫ সালে গঠিত হয়।
বর্তমানে এর সদস্য দেশগুলোর ৩৪টি স্টক এক্সচেঞ্জ উক্ত কমিটির সদস্যপদ লাভ করে।
ওআইসির সদস্যদেশগুলো হলো : জর্ডান, বাহরাইন, আজারবাইজান, বৈরুত, আলজেরিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, বাংলাদেশ (সিএসই, ডিএসই), কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, পাকিস্তান, তুরষ্ক, কাজাকস্তান, সুদান, মোজাম্বিক, ওমান, নাইজেরিয়া, ফিলিস্তিন, সৌদি আরব, ইরান, আলবেনিয়া, উজবেকিস্তান, তিউনিশিয়া এবং উগান্ডা।
 Print    
- শরীয়া ভিত্তিক লেনদেন চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সিএসই 2009-11-08 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ৮ (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ(সিএসই) শেয়ার বাজারে শরীয়া ভিত্তিক লেনদেন ইসলামিক ফিন্যান্সিং সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে এ ধরনের প্রোডাক্ট চালু করতে সিএসইর ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর স্টক এক্সচেঞ্জসমূহের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত আছে।
রোববার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সিএসইর চতুর্দশ বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য প্রদানকালে সিএসইর বিদায়ী প্রেসিডেন্ট নাসিরউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
বিদায়ী সিএসই প্রেসিডেন্ট বলেন : দেশের ও বিশ্বের পরিবর্তমান আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে সিএসই ২০০৮ সালে ৫০% প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়। ২০০৭-এর দৈনিক গড় লেনদেন ২২.০৯ কোটি টাকার তুলনায় ২০০৮-এ ৯১.৫৯% বেড়ে ৪২.৩৪ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ১৬ অক্টোবর ২০০৮-এ সিএসইর ইতিহাসে সর্বপ্রথম ১০৯.১৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ জুন ২০০৯-এ তা ১৬৩ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। এতে স্মরণাতীত কালের সর্বোচ্চ দৈনিক লেনদেন ১৬৩.০৬ কোটি টাকা রেকর্ড হয়। সিএসইতে ২০০৭ সালের শেষে বাজার মূলধন ছিলো ৬১,৩১৭ কোটি টাকা। ২০০৮-এর শেষে তা ৩২% বেড়ে প্রায় ৮১,০০০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
বিদায়ী সিএসই প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করনে,শীঘ্রই নেক্সট জেনারেশন ট্রেডিং সিস্টেম (এনজিটিএস) প্রবর্তনের কথা জানান যে সিস্টেম ইকুইটি মার্কেট, ডেবট্ মার্কেট, ফিউচারস্ অ্যান্ড অপশনস্ মার্কেট, কমোডিটি মার্কেট, আইপিও অথবা বুক বিল্ডিং ইত্যাদিকে ফ্যাসিলিটেট করবে।
তিনি আশা প্রকাশ করনে ইন্টারনেট, ওয়্যারলেস ও মোবাইল ফোন এবং ব্রোকারদের ইন-হাউস সিস্টেমের মাধ্যমে লেনদেনের সুবিধা সৃষ্টি হবে।
এজিএম শেষে বিদায়ী সিএসই প্রেসিডেন্ট ২০০৮ সালে লেনদেনে এগিয়ে থাকা শ্রেষ্ঠ ৫ ব্রোকারেজ হাউসকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন। ২০০৮-এ লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেড ১ম, সালটা ক্যাপিটাল লিমিটেড ২য়, ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটিজ কোম্পানি লিমিটেড ৩য়, আরব বাংলাদেশ ব্যাংক ফাউন্ডেশন ৪র্থ এবং সোহেল সিকিউরিটিজ লিমিটেড ৫ম স্থান লাভ করে।
সিএসইর ২০০৮ সালের বার্ষিক আর্থিক হিসাব বিবরণী এজিএম-এ উপস্থাপিত এবং অনুমোদিত হয়। ২০০৯ সালের জন্যে রহমান রহমান হককে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুনঃনিয়োগ দেয়া হয়।
জনাব ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ; এএসএম শহীদুল্লাহ; তারেক কামাল এবং এমকেএম মহিউদ্দিন ২০১২ সাল পর্যন্ত আগামী তিন বছর মেয়াদের জন্যে পরিচালক নির্বাচিত হন।
সিএসইর নতুন পরিচালনা পর্ষদের সভায় জনাব ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ সিএসই প্রেসিডেন্ট এবং আল মারুফ খান, এফসিএ; একিউআই চৌধুরী, ওবিই ও তারেক কামাল ২০১০ সালের জন্যে সিএসইর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
সিএসই নতুন বোর্ডের মনোনীত পরিচালকগণ হলেন : প্রোফেসর আবু আহমেদ; আফতাবুল ইসলাম, এলএলবি, এফসিএ; ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ; আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী; আনিস এ. খান; ফারুক সোবহান; কুতুবুদ্দীন আহমেদ; মামুন রশিদ; মোঃ সারওয়ার-ই-আলম; ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, এফসিএ এবং ড. জাইদী সাত্তার।
 Print    
- ড. মোঃ আবদুল্লাহ মামুন সিএসইর নতুন সিইও 2009-11-05 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, নভেম্বর,৫(চিটাগাংটুডে ডটকম) ড. মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মামুন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই)এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছেন।
সিএসইতে যোগদানের আগে ড. মামুন মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির বিজনেস স্কুল এবং মালয়েশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত কার্টেইন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, অস্ট্রেলিয়ার ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করেন।
ড. মামুন ১৯৬৪ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৩-৮৪ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বি. কম. (সম্মান) পরীক্ষায় ১ম শ্রেণীতে ২য় স্থান পেয়ে উত্তীর্ণ হন। একই বিভাগ থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় তিনি ১ম শ্রেণীতে ২য় স্থান লাভ করেন।
কর্মজীবনের শুরুতে দুই বছর ড. মামুন বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় কর্পোরেট হাউসে কাজ করেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রভাষকের পদ থেকে অধ্যাপক পর্যন্ত দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি শিক্ষকতা করেন। দেশের পাবলিক এবং প্রাইভেট সেক্টরের বিভিন্ন উচ্চতর শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্কুল হিসেবে তিনি অবদান রাখেন।
তিনি বেলজিয়ামের ভ্রিজি ইউনিভার্সিটিট ব্রাসেলস্ (ভিইউবি), ব্রাসেলস্ থেকে এমবিএ এবং ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ থেকে কর্পোরেট সোশাল রেসপনসিবিলিটি বিষয়ে পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
ইয়োরোপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে ড. মামুনের গবেষণামূলক প্রবন্ধ/নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।
 Print    
- বিআইবিএম প্রতিনিধি দলের সিএসই পরিদর্শন 2009-11-04 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ৪( চিটাগাংটুডে ডটকম)বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর একটি দল বুধবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)পরিদর্শন করেন।
সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবদুল্লাহ মামুন বিআইবিএম-এর প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।
বিআইবিএম প্রতিনিধি দল সিএসইর বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় করেন।
মতবিনিময় কালে সিএসইর সিইও বলনে,আমাদের নতুন প্রজন্ম পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ ইনস্টিটিউট পাচ্ছেনা যেখান থেকে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞগণ বেরিয়ে আসবেন এবং বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সহযোগিতা করবেন।
আগত অতিথিদের জন্যে আয়োজিত প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন সিএসইর কর্পোরেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের ব্যবস্থাপক একেএম শাহরোজ আলম।
বিআইবিএম-এর উপস্থিত কৌতূহলী ছাত্র ও শিক্ষকগণ সিএসইর কার্যাবলী এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক পুঁজিবাজার সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন রাখনে।
সিএসইর মহাব্যবস্থাপক ও কমপ্লাইয়্যান্স বিভাগের প্রধান মোঃ আতিকুজ্জামান, কোম্পানি সচিব ও অর্থায়ন বিভাগের প্রধান আহমেদ দাউদ এবং উপদেষ্টা এ. বি. সিদ্দিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
 Print    
- পুঁজিবাজার হতে পারে মেয়েদের নিরাপদ কর্মসংস্থান 2009-10-28 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম,অক্টোবর ২৮(চিটাগাংটুডে ডটকম) শেয়ার বাজার হতে পারে মেয়েদের কর্মসংস্থানের জন্য সুবিধাজনক সেক্টর। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পুজিবাজার মেলায় ব্রোকারেজ হাউজগুলোর স্টলে অনেক মেয়ে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছে।
শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের পাশপাশি মেয়ারাও অনেক বেশি সাচ্ছন্দ্য বোধ করছে ব্রোকারেজ হাউজে কাজ করতে
বিভিন্ন স্টলের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, বাজার বিশ্লষণ থেকে শুরু করে বিনিয়োগকারীদের সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে মেয়ারা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।
তারা জানান, তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর পুজিবাজারের লেনদেন কায্যক্রমে মেয়েরা পিছিয়ে নেই। অনেক ক্ষেত্রে তারা ছেলে সহকর্মীদের ছাড়িয়ে গেছে।
ব্রোকারেজ হাউজে পেশদারিত্ব নিয়ে কাজ করার পাশপাশি দেশের বাজারে মহিলা বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মেলার দর্শনার্থী গৃহীণি নিগার সুলতানা জানিয়েছেন, শেয়ার বাজার প্রযুক্তি নির্ভর হওয়াতে ঘরে বসেও এই সেক্টরে সহজে বিনিয়োগ করা যায়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী নির্ভর আমাদের শেয়ার বাজারে এখন ছেলেদের পাশাপাশি অনেক মেয়েকেও দেখা যাচ্ছে।
এদের মধ্যে পেশাদার বিনিয়োগকারী ছাড়াও গৃহীণিরাও রয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
 Print    
- চট্টগ্রামে জমজমাট পুঁজিবাজার মেলা 2009-10-28 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম অক্টোবর ২৮,(চিটাগাংটুডে ডটকম) বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক কৌতুহল আর মেলায় অংশগ্রহনকারী ব্রোকারেজ হাউজগুলোর সেই কৌতুহল মেটানোর চেষ্ঠার মধ্যে দিয়ে জমজমাট হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের(সি এসই) পুঁজি বাজার মেলা।
মেলায় আসা দর্শনার্থীদের অধিকাংশই বাজার সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য ব্রোকারেজ হাউজগুলোর স্টলে ভিড় করছে।আর যে সব স্টলে শেয়ার বাজার সম্পর্কিত বই পত্র পাওয়া যাচ্ছে সেখানে সবচেয়ে বেশি ভীড় দেখা গেছে।
মেলাতে আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ নামের একটি ব্রোকারেজ হাউজ বেশ কয়েকটি প্রকাশনা নিয়ে এসেছে। এই ব্রোকারেজ হাউজটির কর্ণধার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এফসিএর লেখা শেয়ার বাজার জিজ্ঞাসা নামের একটি বই কয়েকশ কপি বিক্রি হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
তারা প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বাজার সম্পর্কিত ৬০টি প্রশ্নের একটি লিফলেট বিনামূল্যে বিতরন করছে।
সিএসইর স্টলে তাদের নিয়মিত প্রকাশনা মার্কেট আপডেট ছাড়াও মেলা উপলক্ষ্যে প্রকাশ করা কয়েকটি প্রকাশনা পাওয়া যাচ্ছে। এসব প্রকাশনা প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।
বী রিচ ব্রোকারেজ হাউজ শেয়ার বাজারের উপর বিদেশী প্রকাশকদের বই বিক্রী করছে।
পিএইচপি সিকিউরিটিজ বিদেশ থেকে ট্রেডে অংশগ্রহণ সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করছে।
এই ছাড়াও অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজের স্টলগুলো বিনিয়োগকারীদের জন্য তাদের সেবা সমুহের প্রচারপত্র বিতরন করছে।
বিএসআরএম স্টীলের স্টলে কোম্পানীটির উৎপাদিত বিভিন্ন গ্রেডের রড় প্রদর্শন করছে।মারিকো বাংলাদেশও পণ্য প্রদর্শন করছে।
বিএসআরএম স্টীলের স্টলে কোম্পানীটির উপাদিত বিভিন্ন গ্রেডের রড় প্রদর্শন করছে।মারিকো বাংলাদেশ পণ্য প্রদর্শন করছে।
মেলাতে ব্রোকারেজ হাউজগুলো বিনিয়োগকারীদের হ্রাসকৃত মূল্যে বিও একাউন্ট খোলাসহ বিশেষ সেবা দিচ্ছে।
 Print    
- আবারো সরকারকে পুঁজি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের তাগিদ 2009-10-27 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, অক্টোবর ২৭, (চিটাগাংটুডে ডটকম) পুঁজি বাজার থেকে সরকারী প্রকল্পগুলোর জন্য তহবিল সংগ্রহের এখনই উপযুক্ত সময়।সরকার যদি এই সময় কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় তা হলে সুযোগ হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামে তৃতীয় পুজিবাজার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
সিএসই প্রেসিডেন্ট নাছির উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের(এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের(ডিএসই) চেয়ারম্যান রকিবুর রহমান, ইটিভির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, গ্রামীন ফোনের চীফ কর্পোরেট এফেয়ার অফিসার রায়হান শামছি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের(সিএসই) উদ্যোগে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিষ্টিটিউশনে শুরু হয়েছে দুই দিনের মেলা।
চট্টগ্রাম ক্লাব অডিটরিয়ামে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসইসি চেয়ারম্যান বলেন,দেশের শেয়ার বাজার এখন অনেক চাঙ্গা। আমরা চাচ্ছি গুনগত পরিবর্তন আনার মাধ্যমে বাজার আরো বেশি গতিশীল রাখাতে।
বাজারে বিনিয়োগের প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগ ঝুকি মুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আর এই জন্য সচেতন বিনিয়োগকারী তৈরী করতে হবে এবং সিএসইর এই মেলা সচেতন বিনিয়াগকারী তৈরী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান বলেন, বাজারে এখনো ভালো শেয়ারের অভাব আছে, গ্রামীণ ফোনের মতো আরো বড় প্রতিষ্ঠান বাজারে আসলেও বাজার তেমন অস্থিতিশীল হবেনা।
সরকারের উচিত পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহে নেমে পড়া, না হলে বড় ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো আইপিও ছেড়ে বাজার থেকে তহবিল নিয়ে গেলে আমাদের দায়ী করা যাবেনা।
সভাপতির বক্তব্যে সিএসই প্রেসিডেন্ট নাছির উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, পুজি বাজারে অর্থ আছে, বিদেশী ঋণের মূখাপেক্ষি না হয়ে সরকার চাইলে এখান থেকে তহবিল নিয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে পারে।
দুই দিনের এই মেলায় ৮টি ব্যাংক, ৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ১৫টি ব্রোকার হাউজ এবং ৪টি অনান্য সেক্টরের প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
 Print    
- চট্টগ্রামে তৃতীয় পুঁজিবাজার মেলা শুরু 2009-10-27 
চট্টগ্রাম, অক্টোবর ২৭, (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রাম ষ্টক এক্সচেঞ্জের(সিএসই) উদ্যোগে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিষ্টিটিউশনে শুরু হয়েছে দুই দিনের পুঁজি বাজার মেলা।
সকালে এই মেলার উদ্বোধন করেন সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের(এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার।
চট্টগ্রাম ক্লাব অডিটরিয়ামে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসইসি চেয়ারম্যান বলেন, সচেতন বিনিয়োগকারী শেয়ার বাজারের প্রান।
বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা তৈরী করতে সিএসইর এই মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সিএসই প্রেসিডেন্ট নাছির উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান রকিব আহমদ।
দুই দিনের এই মেলায় ৮টি ব্যাংক, ৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ১৫টি ব্রোকার হাউজ এবং ৪টি অনান্য সেক্টরের প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
৮টি ব্যাংক পূবালী ব্যাংক লিঃ, সাইথ ইষ্ট ব্যাংক লিঃ ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ,দি সিটি ব্যাংক লিঃ, প্রাইম ব্যাংক লিঃ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিঃ, এন.সি.সি. ব্যাংক লিঃ,এবি ব্যাংক লিঃ।
৩টি আথিক প্রতিষ্ঠান গ্রীন ডেল্টা ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিঃ ,মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিঃ, পিপলস্ ইন্ডভেষ্টমেন্ট লিঃ।
৪টি অনান্য প্রতিষ্ঠান গ্রামীন ফোন লিঃ, গোল্ডেন সান লিঃ, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিঃ, বি.এস.আর.এম. ষ্টীল লিঃ।
১৫টি ব্রোকারেজ হাউজ কবির সিকিউরিটিস লিঃ, ফিনিক্স সিকিউরিটিস লিঃ, নর্থ ওয়েষ্ট সিকিউরিটিস লিঃ, আই ল্যান্ড সিকিউরিটিস লিঃ, এসোসিয়েট ক্যাপিটাল সিকিউরিটিস লিঃ, পি.এফ.আই. সিকিউরিটিস লিঃ, সালটা ক্যাপিটাল লিঃ, চিটাগাং ক্যাপিটাল লিঃ, মিনহার সিকিউরিটিস লিঃ, পি.এইচ.পি. স্টক্স এন্ড সিকিউরিটিস লিঃ, বি.রিচ লিঃ, আই.ডি.এল.সি. সিকিউরিটিস লিঃ, লংকা বাংলা সিকিউরিটিস লিঃ, সোহেল সিকিউরিটিস লিঃ ।
চট্টগ্রামের প্রথম অনলাইন ডেইলি চিটাগংটুডে ডটকম তৃতীয় সিএসই ক্যাপিটাল মার্কেট ফেয়ারকে বিশেষভাবে প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে।
 Print    
- গ্রামীণ ফোনের শেয়ার: নতুন যুগে পুঁজিবাজার 2009-10-26 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, অক্টোবর ২৭(চিটাগাংটুডে ডটকম) মোবাইল অপারেটর গ্রামীণ ফোনের শেয়ার বাজারে তালিকাভূক্ত হওয়াতে দেশের পুঁজিবাজার নতুন যুগে প্রবেশ করেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, এবং সিএসইর সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এত বিশাল আকারের শেয়ার দেশে এই প্রথম। কিন্তু এত বিপুল পরিমান শেয়ারেও বিনিয়োগকারীর ঘাটতি পরেনি। বিনিয়োগকারীদের চাহিদা যে আরো অনেক বেশি তা এর মধ্যে দিয়ে প্রমান হয়ে গেছে।
গত এক বছর ধরে গ্রামীণ ফোন শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি ছিল বিনিয়োগকারীদের মুখে মুখে। নানা জটিলতার পরও ৪৮৬.০৮শ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে বহুজাতিক এই কোম্পানীটি ১১লক্ষ ২৩ হাজার ১শ ৪০জনের কাছ থেকে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার আবেদন গ্রহন করেছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের(সিএসই) সদস্য এবং বাজার বিশেষজ্ঞ আবুল খায়ের চৌধুরী চিটাগাংটুডে ডটকমকে বলেছেন, গ্রামীণ ফোনের আইপিওতে যে সাড়া পাওয়া গেছে তাতে বহুজাতিক কোম্পানীগুলোর আমাদের শেয়ার বাজারে আসা এখন শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।
গ্রামীণ ফোনের মত প্রতিষ্ঠান বাজারে আসলে বাজারে শৃংখলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সিন্ডিকেটেড ম্যানেপুলেশানও কমে যাবে। কারন এত বিশাল অংকের শেয়ার ম্যানেপুলেট করা সহজ হবেনা বলে তিনি মনে করেন।
১৯৯৭ সালে কার্যক্রম শুরু করা গ্রামীণ ফোন দেশের মোবাইল ফোন সেবাদান কারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে গ্রামীণের মোবাইল সেবা গ্রহনকারীর সংখ্যা ২০মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে যা দেশের মোবাইল ব্যবহারকারীর প্রায় অর্ধেক।
গ্রামীণ ফোন নরওয়ের টেলিনর এবং নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত গ্রামীণ ব্যাংকের একটি যৌথ উদ্যোগ। টেলিনর বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থানসহ এশিয়া ও ইউরোপের ১৪টি দেশে মোবাইল সেবা দিচ্ছে।টেলিনরের প্রায় ৫৩ শতাংশের মালিক নরওয়ে সরকার
চট্টগ্রামের অন্যতম ব্রোকারেজ হাউজ বী রিচ এর প্রধান নির্বাহী শামসুল ইসলাম চিটাগাংটুডে ডটকমকে বলেছেন, বড় ধরনের নতুন শেয়ার আসলে বাজার নিম্নমূখী হয়ে যাওয়ার চিরচারিত প্রবনতা কিন্তু এবার দেখা যায়নি।
গ্রামীণ ফোনের শেয়ারের জন্য তার প্রতিষ্ঠানেই প্রায় সাড়ে তিনহাজার নতুন বিও একাউন্ট খোলা হয়েছে মর্মে উল্লেখ করে তিনি বলেন,এই রকম বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর কারনে বাজারে নতুন নতুন বিনিযোগকারী আসবে।
২০০৮ সালে গ্রামীণ রাজস্ব আয় করেছে ৬১.৪০ বিলিয়ন। এর প্রায় ৬০শতাংশ এবং এর প্রায় ৬০ শতাংশ কর দেয়া হয়েছে বলে কোম্পানীর শীর্ষ কর্মকর্তারা সম্প্রতি সিইসি কর্মকর্তাদের সাথে এক সভায় উল্লেখ করেন।
 Print    
- প্রবাসীদের সরাসরি ট্রেডের সুযোগ করে দিতে চান সিএসইর ব্রোকাররা 2009-10-26 
চট্টগ্রাম অক্টোবর ২৬(চিটাগাংটুডে ডটকম) দ্রুত প্রবাসীদের সরাসরি শেয়ার বাজারে লেনদেনের সুযোগ করে দিতে চাচ্ছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের(সিএসই) ব্রোকাররা।
সিএসই সূত্র জানিয়েছে, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন(এসইসি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম কানুনের জটিলতা থাকায় প্রবাসীরা এখন সরাসরি ট্রেডে অংশ গ্রহণ করতে পারেনা।
সিএসইর অন্যতম ব্রোকার সোহেল সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান চিটাগাংটুডে ডটকম কে জানিয়েছে, গত দুই বছর ধরে তারা দেশের বাইরে সিএসই র কর্মকান্ড সম্প্রসারনের চেষ্টা করছেন। কিন্তু আইন কানুনের জটিলতা থাকায় তা সম্ভব হচ্ছেনা।
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের সিএসইতে সরাসরি ট্রেড করার সুযোগ করে দিতে তারা নিউইয়র্কে অফিস ও নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
সিএসইর আরেক ব্রোকারেজ হাউজ বি রীচ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম জানিয়েছেন, পৃথীবির যে কোন প্রান্ত থেকে সিএসইতে ট্রেড করার প্রযুক্তিগত সুবিধা তাদের আছে।
এই জন্য তারা কয়েকটি সফটওয়্যার ডেভেলাপ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারী সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে হয়তো প্রবাসীরা সরাসরি ট্রেডে অংশ নিতে পারবেনা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্ট ধারণা আগামী এক বছরের মধ্যে পুজি বাজারের আকার দ্বিগুন হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আইন কানুনের জটিলতা এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারনে এই সুযোগ হাত ছাড়া হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
 Print    

1  2  Next
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions