| English Version |
Subscription - Advertisement |
|
|
| Sunday 05 September 2010 |
| রোববার - ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ - ২১ ভাদ্র ১৪১৭ - ২৫ রমজান ১৪৩১ |
|
সর্বশেষ শিরোনাম  |
|
|
|
| - আর্জেন্টিনার কষ্টার্জিত জয়, চমকপ্রদ জয় দক্ষিন কোরিয়ার |
2010-06-12 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, জুন ১২ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) - জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে এবারের অন্যতম ফেভারিট দল আর্জেন্টিনা। শনিবার নিজস্ব প্রথম ম্যাচে ডিফেণ্ডার গ্যাব্রিয়েল হেইঞ্জের চমত্কার একটি গোলে নাইজেরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা। তবে নাম ও খ্যাতির সঙ্গে সুবিচার করতে পারেনি দলটি, দেখা যায়নি তাদের স্বাভাবিক ছন্দ। গোলের অনেক সুযোগ পেয়েও নষ্ট করেছেন মেসি সহ অন্যরা। অপরদিকে আর্জেন্টিনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়েছে আফ্রিকান সুপার ঈগল নাইজেরিয়া। একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েছিল তারাও। খেলার চার মিনিটের মাথাতেই এগিয়ে যেতে পারতো আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি তীব্র গতিতে একটি বল নিয়ে বাঁ প্রান্ত দিয়ে ঢুকে বক্সের ভেতর হিগুইয়েনের উদ্দেশ্যে বাড়ান। কিন্তু হিগুইয়েনের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। খেলার মাত্র ছয় মিনিটের মাথায় গোল করে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরনের কর্নার থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে গ্যাব্রিয়েল হেইঞ্জ এগিয়ে দেন আর্জেন্টিনাকে। এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত জয় এনে দেয় তাদের। নাইজেরিয়া কয়েকটি গোলের সুযোগ সৃষ্টি করলেও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে ল্যাতিন আমেরিকার মতো এশিয়ারও দিনটি ভালো কেটেছে। শক্তিশালী গ্রীসকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শুভ সূচনা করেছে এশিয়ার অন্যতম প্রতিনিধি দক্ষিণ কোরিয়া। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে কোরিয়ানরা। তাদের সামনে দাড়াতেই পারেনি গ্রীস। খেলার সাত মিনিটেই লি জুং সু এর গোলে এগিয়ে যায় কোরিয়া। ৫২ মিনিটের সময় মধ্যমাঠ থেকে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের একাধিক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে অনেকটা একক প্রচেষ্টায় দক্ষিণ কোরিয়াকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তারকা পার্ক জি সুং। |
| |
|
| - বিশ্বাকাপের ট্রফি চায় ব্রাজিল |
2010-05-25 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
ফুটবলের পরাশক্তি ব্রাজিল । কেবল সৌন্দর্যের বিচারে নয়, কার্যকারিতার নিরিখেও। লাতিন আমেরিকান এ দেশটিই ছন্দময় ফুটবল দিয়ে মানুষের মনে গড়ে দিয়েছে এ ধারণাটি। রেকর্ডও তাদের পক্ষে কথা বলে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তারা। আসলে ব্রাজিল যত বড় মঞ্চ পায় নিজেদের তত প্রবলভাবে মেলে ধরে। আর বিশ্বকাপের মতো মঞ্চ পেলে তো কথাই নেই। নিজেদের চিরায়ত ফুটবল সৌন্দর্যের সঙ্গে আপস করেও সেখানে তারা সফল হতে মরিয়া। আফ্রিকা অভিযানে যাওয়ার আগে ডুঙ্গাও এক সাক্ষাৎকারে ও রকম প্রত্যয়ই ঘোষণা করেছেন। দল গঠনে পরিশ্রমী ফুটবলারদের প্রতি পক্ষপাত দেখিয়ে তিনি যে ২০১০ সালের বিশ্বকাপটা জিততে চান, অনেক কিছুর সঙ্গে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছেন সে কথাটাও। * আরও একটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কোচ আপনি, কেমন লাগছে?
** এর থেকে ভালো আর কিছু হয় না। আবার বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের সঙ্গে। আনন্দ বলে বোঝাতে পারব না। তবে একই সঙ্গে প্রচুর দায়িত্ব।
* সাধারণত ব্রাজিলের মানুষ বিশ্বকাপ ট্রফি ছাড়া আর কিছুতেই খুশি হন না। এটি তো বিরাট চাপের?
** আমরা ব্রাজিলীয়রা বিশ্বাস করি আমরাই সেরা ফুটবল খেলিয়ে দেশ। তাই চার বছর অন্তর জুনে আমরা নিজেদের শীর্ষে দেখতে চাই। প্রতিবার একই লক্ষ্য নিয়ে খেলি। তাছাড়া আমরা ফুটবল সত্যি ভালোবাসি। তাই প্রত্যাশা সবসময় থাকে।
* ২০০৬ বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকেই সবাই ফেভারিট ধরেছিলেন। কিন্তু শেষ আটে ওঠার পর দল বিদায় নিয়েছিল। তারপর আপনি দায়িত্ব নেন।
** বিশ্বকাপে কোনো কিছু আগে থেকে বলা সম্ভব নয়। সে জন্যই তো সবার এত আগ্রহ। ফেভারিট মানেই আপনি চ্যাম্পিয়ন হবেন, তা নয়। মাঠে নেমে সেটা করে দেখাতে হবে।
* যদিও চার বছরে আপনি যথেষ্ট সফল; কিন্তু অনেকেই আপনার দলের খেলার ধরনে খুশি নন।
** আমি শুধু এটুকু জানি, গত বছর কনফেডারেশন্স কাপ জিতেছি। তার আগের বছর কোপা আমেরিকা জিতেছি। অলিম্পিকেও আমরা সেমিফাইনালে উঠেছি। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে আমরা লাতিন আমেরিকা গ্রুপে শীর্ষে ছিলাম। তাই আমি যথেষ্ট তৃপ্ত। কিন্তু আগেই বললাম, ব্রাজিলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে না পারলে কোনো কিছুর দাম নেই। দক্ষিণ আফ্রিকায় আগামী এক মাস আমাদের কাছে সব থেকে কঠিন সময়।
* কোনো সন্দেহ নেই, আপনি সফল কোচ। কিন্তু সমালোচনা হচ্ছে, কারণ ব্রাজিল এখন শুধুই প্রতি-আক্রমণে যাচ্ছে। খেলায় আর আগের সৌন্দর্য নেই।
** সৌন্দর্যের ওপর জোর দিতে গিয়ে আমাদের ২৪ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল বিশ্বকাপ জিততে। ১৯৯৪ সালে আমরা যখন জিতলাম, আমাদের খেলা কিন্তু তত দর্শনীয় ছিল না। কিন্তু ট্রফি আমরাই পেয়েছিলাম। সেটাই আসল কথা। বিশ্বকাপে হারার যন্ত্রণাও আমি বুঝি। কারণ সে দলেও আমি ছিলাম। জেতার আনন্দও জানি। আমার মনে হয় যদি ট্রফি জিতি, তা হলে কেউ তার থেকে সুন্দর ফুটবলকে এগিয়ে রাখবেন না। সুন্দর ফুটবল খেলতে গিয়ে যদি ব্রাজিল বিশ্বকাপটাই না জিততে পারে, তাহলে সবাই কি খুশি হবেন?
* আপনি যে দল বেছেছেন সেখানেও একই প্রতিফলন। পরিশ্রমী ফুটবলারই বেশি।
** আমি আর আমার সহকারীরা সেই ফুটবলারদেরই বেছেছি, যারা মাঠে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে। গত চার বছরে তারা সেটাই করেছে। আগামী এক মাসেও সেটাই করতে হবে। প্রত্যেককে তাদের শারীরিক সক্ষমতা আর ফর্মের বিচারে নেওয়া হয়েছে। মাঠে সাংগঠনিক ক্ষমতা, টেকনিক আর প্রতিভাও বিচার করা হয়েছে।
* রোনালদিনহো এবার ইতালি লীগে খুব ভালো খেলেছেন। আপনার কি মনে হয় না ওর অভিজ্ঞতা কাজে লাগত?
** কোনো সন্দেহ নেই ও আলোচনায় ছিল। এমনকি ওকে আমরা রিজার্ভে রেখেছি। যদি দরকার পড়ে, ওকে চূড়ান্ত দলেও নিতে পারি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বা পরিস্থিতি, ও আমাদের প্রথম ২৩ জনের দলে নেই।
* ব্রাজিলের ষষ্ঠবার বিশ্বকাপ জেতার ব্যাপারে আপনি কতটা আত্মবিশ্বাসী?
** ব্রাজিল যখনই বিশ্বকাপ খেলতে যায়, শুধু ব্রাজিলিয়ানরাই নয়, গোটা বিশ্বই আশা করে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হবে। সুতরাং ফেভারিট হিসেবে শুরু করাটা ব্রাজিলের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। চার বছর ধরে আমরা দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েছি। যে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্যও আমরা তৈরি। তবে এ মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মাঠে নেমে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করা।
* ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে আপনার কাছে কোন দল বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে?
** অনেকেই আছে। স্পেন দারুণ ফর্মে রয়েছে। দলে অনেক প্রতিভাও রয়েছে। আর্জেন্টিনা তো আমাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। বিশ্বের সেরা ফুটবলার মেসি তো রয়েছেই। এছাড়া অনেক প্রতিভাও রয়েছে। ইতালি গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। জার্মানি ইউরো কাপের রানার্সআপ। ইংল্যান্ডও ভালো খেলছে। আফ্রিকায় এই প্রথম বিশ্বকাপ হচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলোও ক্ষুধার্ত থাকবে। বিশ্বকাপে সব দলই ভয়ঙ্কর।
|
| |
|
| - কক্সবাজারে ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ ঝুলে আছে ১০ বছর |
2010-05-06 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
আনছার হোসেন /কক্সবাজার, মে ৬ (চিটাগাংটুডে ডটকম) দীর্ঘ ১০ বছরেও কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রক্রিয়া কোন অগ্রগতি হয়নি। স্টেডিয়ামের জন্য জমি বাছাই প্রক্রিয়াতেই আটকে আছে সকল কার্যক্রম। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ক্রীড়া বোর্ড এবং স্থানীয় ক্রীড়া পরিষদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জন্য শহরের জেলে পার্ক ময়দানের পশ্চিমে খোলা জমিকে ‘প্রথম পছন্দ’ হিসেবে বাছাই করলেও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বারবারই কলাতলী মোড়, পুলিশ লাইন সংলগ্ন জমি ও গলফ মাঠকে প্রস্তাবণার তালিকায় রেখেছেন। জেলা প্রশাসন সর্বশেষ কলাতলি মোড় থেকে ইনানি পর্যন্ত এলাকার যে কোন একটি জমি বাছাই করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জসীম উদ্দিন জানান ‘জেলা প্রশাসন প্রতিবারই স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের ব্যাপারে সিভিল এভিয়েশনের আপত্তির কথা বলে জেলে পার্কের সামনের জমিটি প্রস্তাবণা থেকে দূরে রেখেছেন। অথচ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্মকর্তারা বারবারই জানিয়েছেন, নতুন প্রযুক্তি ও ডিজাইন ব্যবহার করে স্টেডিয়ামটি তৈরি করা হবে। যেখানে ফ্লাডলাইট হবে গ্যালারির ভেতর থেকে, কোন টাওয়ারের প্রয়োজন হবে না। যাতে বিমান উঠানামায় কোন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।’ জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক অরূপ বড়ুয়া অপু বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ড ইতিমধ্যেই জানিয়েছে প্রস্তাবিত জমিটি পাওয়া গেলে বিসিবির অর্থায়নেই স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করে দেয়া হবে। অথচ জমিটিই পাওয়া যাচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসন বারবারই স্টেডিয়ামটি ইনানি কিংবা পেঁচার দ্বীপ এলাকায় নির্মাণের জন্য প্রস্তাব দিচ্ছেন। যা কক্সবাজার শহর থেকে ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে। অতদূরে গিয়ে কক্সবাজারের কেউ ক্রিকেট খেলা দেখতেও পারবে না, কেউ ওখানে গিয়ে খেলতেও পারবে না।’
তিনি মনে করেন, শুধু স্টেডিয়াম নির্মাণ করলেই হবে না, স্থানীয় ক্রীড়ামোদি ও ক্রিকেটারদেরও কাজে লাগতে হবে।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ক্রিকেট স্টেডিয়াম হলে কেবল আন্তর্জাতিক ম্যাচ কিংবা জাতীয় দলের ম্যাচ হবে তা কিন্তু নয়। এটি হবে স্থানীয় ক্রিকেটার সৃষ্টির একটি উপলক্ষ।
তিনিও মনে করেন, ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি শহর থেকে দূরে হলে স্থানীয় ক্রিকেটারদের পক্ষে ওখানে গিয়ে খেলা সম্ভব হবে না।
কক্সবাজার স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইতিমধ্যেই ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জমির জন্য মানববন্ধনের মতো কর্মসূচীও পালন করা হয়েছে। প্রয়োজনে জেলাবাসি কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। ওই সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা ফরাজি নুরুল আলম, হেলাল উদ্দিন কবির ও হারুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শুকুর আলী বলেন, ‘জেলা প্রশাসনও ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জন্য জমি দিতে প্রস্তুত। তবে তা হতে হবে কলাতলি বাইপাস থেকে ইনানি পর্যন্ত কোন স্থানে।’
তিনি বলেন, ‘দু’টি কারণে কক্সবাজার শহরের কাছে ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণে জমি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। কক্সবাজার বিমান বন্দরের সমপ্রসারণের কাজ চলছে। এটিও আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হতে যাচ্ছে। তাছাড়াও জেলে পার্কের কাছে স্টেডিয়াম হলে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। তখন পুরো শহরের উপর চাপ পড়বে। এই এলাকায় চার লেইনের রাস্তা তৈরি করতে হবে, যা সম্ভব নয়।
|
| |
|
| - বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ফুটবল টূর্ণামেন্ট শুরু |
2010-05-05 |
|
|
বান্দরবান,মে ৫(চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ফুটবল টূর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। বুধবার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) বীর বাহাদুর এমপি টুর্ণামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেছেন। অনুষ্ঠানে অন্যা্ন্যদের মধ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা, জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিহার রঞ্জন হাওলাদার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারী ইসলাম বেবী উপস্থিত ছিলেন।
উদ্ধোধণী অনুষ্ঠানে বীর বাহাদুর এমপি বলেছেন, ক্রীড়াঙ্গনে বান্দরবান কৃতিত্বে স্বাক্ষর রেখেছে। ভবিষ্যতে যাতে আরো ভালো করতে পারে সে লক্ষ্যে আগা্মীতে তিন পার্বত্য রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান জেলা নিয়ে ফুটবল টূর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। উদ্ধোধনী খেলায় বুধবার লাইমী পাড়া একাদশ এবং কালাঘাটা ইয়ং টাইগার্স ক্লাব পরস্পরের মোকাবেলা করে। খেলায় লাইমী পাড়া একাদশ ১-০ গোয়ে কালাঘাটা ইয়ং টাইগার্স ক্লাবকে হারিয়েছে। টূর্নামেন্টে সর্বমোট ৮টি দল অংশ নিয়েছে বলে ক্রীড়া সংস্থা সূত্র জানিয়েছেন। |
| |
|
| - উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালে বায়ার্ন |
2010-04-28 |
|
|
চট্টগ্রাম এপ্রিল ২৮ ( চিটাগংটুডে ডটকম )উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে বায়ার্ন মিউনিখ। স্তাদে গারল্যান্ডে মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন ৩-০ গোলে অলিম্পিক লিওঁকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। বায়ার্নের পক্ষে তিনটি গোলই করেন ইভিকা ওলিচ। খেলায় শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে বায়ার্ন। লিওঁকে চাপে রেখে শুধু আক্রমণই করে গেছে তারা। বায়ার্ন একের পর এক আক্রমণ চালালেও খেলার ২৬ মিনিটে প্রথম গোলের স্বাদ পায়। টমাস মুলারের মাইনাসে ইভিকা ওলিচ গোলটি করেন। লিওঁ মাঝে মাঝে কয়েকটি পাল্টা আক্রমণ করে। খেলার ৩১ মিনিটে বায়ার্নের রক্ষণভাগ ভেদ করে সিডনি গভউয়ের শট গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে না গেলে তাদের গোল শোধের চমৎকার সুযোগ হত এটি। খেলার প্রথমার্ধ ১-০ তে শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ৬০ মিনিটের মাথায় লিওঁর ক্রিস দ্বিতীয়বারের মতো হলুদ কার্ড পাওয়ায় তাকে মাঠ থেকে বের হয়ে যেতে হয়। ফলে খেলার পরবর্তী সময় লিওঁর দশ জন নিয়েই খেলে। এদিকে বায়ার্ন একজন কম খেলোয়াড় পেয়ে প্রতিপক্ষকে আরো চেপে ধরে। খেলার ৬৬ মিনিটে ওলিচ লিওঁর জালে বল পাঠিয়ে দলের ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর আর লিওঁ মেরদন্ড সোজা করে দাড়াতে cv‡iwb। ৭৭ মিনিটের মাথায় লাহমের ক্রসের বলে ওলিচ হেড করে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিকটি আদায় করে নেন। আর লিওঁর মাটিতে দলকে পাইয়ে দেন ৩-০ গোলের বিশাল ব্যবধান। ওলিচ এ আসরের ৯ খেলায় এ নিয়ে মোট ৭টি গোল করেন। এর আগে লেগ পর্বের প্রথম সেমিফাইনালে নিজেদের মাঠে লিওঁকে বায়ার্ন ১-০ গোলে হারায়। |
| |
|
| - বার্সেলোনার অগ্নি পরীক্ষা আজ |
2010-04-28 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম , এপ্রিল ২৮( চিটাগংটুডে ডটকম ) উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ঘরের মাঠে আজ ইন্টার মিলানের বিপক্ষে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার অগ্নি পরীক্ষা। রাত সাড়ে ১২ টায় ম্যাচটি হওয়ার কথা রয়েছে। সানসিরোতে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে হোসে মরিনহোর দুর্দান্ত গেমপ্ল্যানের সামনে পেপ গার্দিওয়ালার বার্সা উড়ে গিয়েছিল ৩-১ গোলে। আজ নুক্যাম্পে ফিরতি সেমিফাইনালে তাই বড় ব্যবধানে জিততেই হবে বার্সাকে, যদি তারা ফাইনালে যেতে চায়। কারণ এক পা ফাইনালে প্রায় দিয়েই রেখেছে ইন্টার। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে তাই বার্সা ডিফেন্ডার জেরার্ড সাফ বলে দিলেন, এ ম্যাচে শুধু আমাদের জিতলেই হবে না, বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলতে হবে ইন্টারকে। আমরা সেই লক্ষ্যেই নামব। কারণ, জানি ২-১ গোলে জিতলেও ফাইনালে চলে যাবে প্রতিপক্ষ। এ ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের অতীত ইতিহাস কিন্তু বার্সার পক্ষে। ঘরের মাঠে আজ বার্সা তাকিয়ে সেই মেসির দিকেই। যিনি নকআউট পর্বে স্টুটগার্টের বিরুদ্ধে করেছিলেন দুই গোল আর আর্সেনালকে একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন চার গোল করে। মেসির সঙ্গে থাকবেন ইব্রাহিমোভিচ এবং পেদ্রো। বার্সার জন্য সুখবর, আজ সাসপেন্ড থাকার জন্য ইন্টারের হয়ে খেলতে পারবেন না দেয়ান স্তানকোভিচ। ইনজুরির জন্য বাইরে থাকতে পারেন ইন্টারের প্লেমেকার ওয়েসলি স্নেইডারও। তবে এসব নিয়ে ভাবছেন না কোচ গার্দিওয়ালা। তিনি বলেছেন, ‘নুক্যাম্পে নিজেদের পারফরমেন্সেই জিততে চাই আমরা। খেলোয়াড়রা তো বটেই, এ ম্যাচে দর্শকরাও আমাদের সাফল্যে নিতে পারেন বড় ভূমিকা। কারণ এ ম্যাচটি এ মৌসুমে আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরিণত হয়েছে।’
ওদিকে আত্মবিশ্বাসে আকাশে না উড়ে মাটিতেই পা রাখছেন ইন্টার কোচ মরিনহো। বলেছেন,এটা আমাদের জন্য একটা ঐতিহাসিক সুযোগ। সেটিকে কাজে লাগানোর জন্য জীবন বাজি রাখবে গোটা দল।
|
| |
|
| - মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু |
2009-11-13 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ১৩,(চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামের মিডিয়া হাউজগুলুকে নিয়ে বিএসজে কিষোয়ান মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে শুক্রবার। বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএসজেএ) চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কিষোয়ান স্ন্যাক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব। মোট ১২টি দল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করছে। টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে শুভ সূচনা করেছে দৈনিক সমকাল ও দৈনিক কালের কণ্ঠ। দৈনিক সমকাল ৪-২ গোলে দৈনিক আজাদী’কে এবং দৈনিক প্রথম আলোকে ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে দৈনিক কালের কণ্ঠ । প্রথম খেলায় দৈনিক সমকালের এমরান হোসাইন এবং দ্বিতীয় খেলায় দৈনিক কালের কন্ঠের আসিফুল হাসনাত সিদ্দীকি ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার অর্জন করেন। |
| |
|
| - চট্টগ্রামের ফুটবলাররা বিকেএসপিতে সুযোগ পাবে- মেয়র |
2009-11-06 |
|
|
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ৬( চিটাগাংটুড ডটকম) সিজেকেএস-মেয়র আন্তঃ ওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দল থেকে একজন করে খেলোয়াড় বিকেএসপিতে ভর্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন মেয়র এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তাদের ব্যয়ভারও তিনি বহন করবেন বলে জানান। তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড কার্যালয় প্রাঙ্গনে সদ্য সমাপ্ত মেয়র আন্ত ওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্টে রানার্স আপ উত্তর পাঠানটুলীর খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এতে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খান সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক দস্তগীর চৌধুরী, বিশিষ্ট শিল্পপতি শামসুল আলম ও সিজেকেএস এর সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে মেয়র আন্তঃ ওয়ার্ড ফুটবল টুণামেন্টের আহবায়ক সরওয়ার হোসেন ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। |
| |
|
| - সিরিজের শেষ ম্যাচ কঠিন করে জিতল বাংলাদেশ |
2009-11-05 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, নভেম্বর৫(চিটাগাংটুড ডটকম)শেষ ভালো যার, সব ভালো তার-এই মন্ত্রেই যেন নাইমের চওড়া ব্যাটে সিরিজের শেষ ম্যাচেও জয় এল বাংলাদেশ দলের। প্রথম ম্যাচ হেরে শুরু করা সিরিজটা শেষ পর্যন্ত ৪-১ এ জিতে নিল টাইগাররা। বৃহস্পতিবার সাগরিকার মাঠে এক পর্যায়ে ১১৩ রানে ৭ উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে দেয়। কিন্তু টেইলরের অসাধারণ শতকে ২২২ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় সফরকারীরা। তাই বাগে পেয়েও সহজ ম্যাচটি কঠিন করে জিততে হলো বাংলাদেশকে। নাইমের হাফ সেঞ্চুরির উপর ভর করে জয় এল ১ উইকেটের। সিরিজের শেষ ম্যাচে টস জয়ী বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করতে ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারেই আঘাত হানেন রাজ্জাক। তার ঘুর্ণি জাদুতে ওপেনার ভারমুলিন যখন জুনায়েদের ক্যাচ হয়ে ফেরেন তখন দলীয় সংগ্রহ মাত্র ১২ রান। দলকে ১৮ রানে রেখে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক মাসাকাদজা রাজ্জাকের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। তখন শংকা দেখা দেয়, আগের ম্যাচের ৪৪ রানের মতো ফের অল্প রানেই সফরকারীরা গুটিয়ে যায় কিনা। কিন্তু আগের ম্যাচের পুণরাবৃত্তি হতে দেননি ডানহাতি স্টাইলিস ব্যাটসম্যান বেন্ডন টেইলর। তিনি এক প্রান্ত আগলে রেখে বাংলাদেশী স্পিনারদের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যান। চিগাম্বুরা সঙ্গে ৬২ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখান। কিন্তু স্পিনার মাহমুদুল্লাহর কাছে পরাস্ত হয়ে ব্যক্তিগত ৩৮ রান করে বিদায় নেন চিগাম্বুরা | একই ওভারের দুই বল পরে মাহমুদ্দুল্লাহ ওয়ালারকেও ফিরিয়ে দেন। দলীয় ৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। মাতসিকিনারির সঙ্গে ২৪ রানের জুটি গড়ে টেইলর দলকে শতরান পার করান। দলীয় ১০৪ রান থেকে ১১৩ রানে যেতেই ৩টি উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মাসাকাদজা বাহিনী। একপ্রান্ত আগলে রেখে ত্রাণ কর্তার ভূমিকা নেন টেইলর। তিনি লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়ে দলকে দুইশ রানের কোঠায় নিয়ে যান। তার অপরাজিত ১১৮ রানের উপর ভর করে ৫০ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ে সংগ্রহ করে ৯ উইকেটে ২২১ রান। বাংলাদেশী স্পিনারদের বিপক্ষে গতকাল সিরিজের শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে সফরকারী জিম্বাবুয়ে দলের একমাত্র টেইলরই ছিলেন সাবলীল। প্রথম ম্যাচের নায়ক চিগাম্বুরা স্পিনারদের বিপক্ষে কিছুক্ষণ লড়াই চালিয়ে গেলেও ব্যক্তিগত ৩৮ রান করে স্পিনার মাহমুদুল্লাহর শিকারে পরিণত হন।
জিম্বাবুয়ে ৯টি উইকেট সমানভবে স্পিনার মাহমুদুল্লাহ, সাকিব ও রাজ্জাক ভাগ করে নেন। কিন্তু উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান টেইলরকে পরাস্ত করতে পারেননি তারা। টেইলর একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং চালিয়ে যান। তার দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিংয়ে দলের দুইশ রানের কোটা পার হয়। পাশাপাশি ক্যারিয়ারের ৯০ তম ম্যাচ খেলতে নেমে গতকাল প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ হয় তার। ১২৫ বলে চারটি ছক্কা ও সাতটি চারের সাহায্যে অপরাজিত ১১৮ রানের ইনিংসটি সাজান তিনি। জয়ের জন্য ২২২ রানের টার্গেটে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় টাইগার বাহিনী। লোকাল বয় তামিম ইকবাল হাতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন। এরপর আশরাফুল নেমেও সুবিধা করতে পারেননি। ৫ রান করে রানআউটের শিকার হন তিনি। দলীয় ৮ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয় স্বাগতকিদের|
জুনায়েদ ও রকিবুল ভালোভাবেই টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন দলকে। কিন্তু দলকে ৪২ রানে রেখে ফিরে আসেন ওপেনার জুনায়েদ। সাকিব ও রকিবুলের জুটি ভাঙে ৭৫ রানে। দলীয় ১০২ রানে মুসফিক ও ১০৫ রানে সাকিব আউট হয়ে ফিরলে পরাজয়ের শংকা দেখা দেয়।
এরপর শক্ত হাতে হাল ধরেন নাইম ইসলাম। মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে ১৭৪ পর্যন্ত যান নাইম। এরপরই মিনি ধস নামে ব্যাটিংয়ে। ১৭৪ থেকে ১৮৭ রান পর্যন্ত যেতেই ৯টি উইকেটের পতন হলে টাইগারদের পরাজয় সময়ের ব্যাপার বলেই মানতে থাকেন সবাই। কিন্তু নাইম ম্যাচ জয়ের পণ করে ১০ম উইকেট জুটিতে নাজমুলকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন থেকে অসাধারণ জয় এনে দেন। চারটি চার ও চারটি ছয়ের সাহায্যে অপরাজিত ৭৩ রান করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয়েছেন নাইম। আর পুরো সিরিজেই ভালো বল করে ১৫ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্যা সিরিজ হয়েছেন স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক।
|
| |
|
| - শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চায় জিম্বাবুয়ে |
2009-11-04 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ৪(চিটাগাংটুডে ডটকম)সিরিজের শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চায় জিম্বাবুয়ে| ৪৪ রানে অলআউট হয়ে লজ্জাজনক পরাজয়ের পরও শেষ ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী জিম্বাবুয়ে সাবেক অধিনায়ক তাতেন্দা তাইবু। তিনি বলেন, অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াবো আমরা। গত ম্যাচে আমরা বাজে ব্যাটিং করে স্বল্প রানেই অলআউট হয়েছি। ২০০৪ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে মাত্র ৩৫ রান করেছিলাম আমরা। কিন্তু পরের ম্যাচেই কামব্যাক করেছি। ২০০১ সালেও শ্রীলংকার বিপক্ষে মাত্র ৩৮ রান করেছিলাম আমরা। ওই ম্যাচে হিথ স্ট্রিক ও অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারও ছিলেন। তার পরের ম্যাচেই আমরা কামব্যাক করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করি। সিরিজের শেষ ম্যাচে আমাদের প্রয়োজন ঘুরে দাঁড়ানো এবং বাংলাদেশ দলের সঙ্গে লড়াই করা। পুরো সিরিজেই ছিল বাংলাদেশী স্পিনারদের দাপট। স্পিনারদের কাঁধে ভর করেই এই সিরিজটিও জিতে নিয়েছে স্বাগতিকরা| অবশ্য এ বছর যে চারটি ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ, তার সবকটিতেই বড় ভূমিকা রয়েছে দলের স্পিনারদেরই। বাংলাদেশের স্পিনারদের মোকাবিলা করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মানছেন তাইবু। বললেন বাংলাদেশী লেফট আর্ম স্পিনারদের মোকাবিলা করাটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমি দীর্ঘ দিন ধরে তাদের বিপক্ষে খেলেছি। ঢাকার লীগেও সিটি ক্লাবের হয়ে আমি খেলেছি। ওই সময়গুলো আমি এনজয় করেছি। কারণ চ্যালেঞ্জ নিতেই আমি পছন্দ করি। তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ে অনেক স্পিনার থাকলেও লেফট আর্ম স্পিনারের অভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বেশ এগিয়ে। আমরা যত বেশি বাংলাদেশের সঙ্গে ম্যাচ খেলবো ততই কিভাবে ওই স্পিনারদের মোকাবিলা করতে হয়, তা শিখতে পারবো। ৪৪ রানে জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যাওয়ার পর চট্টগ্রামের উইকেট ছিল আলোচনা-সমালোচনায়। এমন বাজে পারফরম্যান্সের জন্য উইকেটকে দোষারোপ করছেন না তাইবু। তার ভাষ্য, ‘উইকেট কোন ব্যাপার নয়। দিন শেষে জয়-পরাজয়ই বড় কথা। আমাদের আরো ভালো খেলতে হবে। ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকায় বেশ হতাশ তাইবু। আজও তাকে রাজ্যের হতাশা নিয়ে ড্রেসিং রুমে বসেই সতীর্থদের খেলা উপভোগ করতে হবে। |
| |
|
| - রহস্যময় উইকেট নিয়ে অনেক প্রশ্ন |
2009-11-03 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ৩,( চিটাগংটুডে ডটকম ) তিন ঘন্টায় ১৪ উইকেট। লাঞ্চ ব্রেকের আগেই ম্যাচ শেষ। জিম্বাবুয়ে মাত্র ২৪.৫ ওভারে ৪৪ রানে অলআউট। এটা তাদের চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে কোন দলের প্রথম সর্বনিম্ন স্কোর। প্রতিপক্ষকে এত কম রানে বেধে রাখার কৃতিত্ব স্বভাবতই বোলার ও ফিল্ডারদের। তবে এ নিয়ে ম্যাচ শেষে ভিন্নরকম কথার গুঞ্জনI শোনা গেল দর্শক ও ক্রিকেটারদের মুখে। মামুলি স্কোর তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ যখন হারোলো ৪ টপঅর্ডারকে তখন এই গুঞ্জন আর গুঞ্জনে সীমাদ্ধ না থেকে অনেকের মনে ক্ষোভের জন্ম হয়।
বাংলাদেশ সিরজ জিতলেও ম্যাচের আয়ু বেশিক্ষণ স্থায়ি না হওয়ায় প্রত্যাশা পূরণ হয়নি দর্শকদের। অনেকে টিকিট কেটে মাঠে গিয়ে দেখেন ম্যাচ তখন সাঙ্গ । কিন্তু কেন ম্যাচের এমন বেহাল দশা? এই প্রশ্নে আসামীর কাঠগড়ায় দাড়াত হল একজনকে। তার নাম উইকেট। কি ছিলো জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ওই পিচে ? সবার মুখে মুখে ঘুরেছে এই একটাই প্রশ্ন। আগের দিন বাংলাদেশ দলের কোচ জেমি সিডন্স টাইগার ক্রিকেটডটকমকে বলেছিলেন, জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের পিচ ব্যাটিং সহায়ক হবে। এখানে ভালো স্কোর আসবে। জিম্বাবুয়ে দলও হয়তো এমনটাই ভেবেছিলো। আর তাই টস জিতে তারা হাতে তুলে নেয় ব্যাট। কিন্তু মাঠে নেমেই দেখলো পিচের ভিন্ন চেহারা।কোন ব্যাটসম্যানই স্থির হয়ে দাড়ানোর মতো সময় পায়নি। বলে বলে পতন ঘটেছে উইকেটের।
ছোট স্কোর তাড়া করতে খুব ফুরফুরে মেজাজেই মাঠে নামল বাংলাদেশ। কিন্ত হায়। তারাও দেখলো পিচের সেই ক্রুদ্ধ চেহারা। ৪৪ রান টপকাতে বাংলাদেশেরও নির্ভরযোগ্য ৪ ব্যাটসম্যান ফিরলেন সাঝঘরে। ভাগ্য ভালো জিম্বাবুয়ের ইনিংস আর একটু বড় হলে হয়তো বাংলাদেশের হাসি জিম্বাবুয়েও হাসতে পারতো। সফরকারী অধিনায়ক মাসাকাদজা পরাজয়ের জন্য দুষলেন উইকেটকে।তিনি ম্যাচ শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজে উইকেটে খেলেছি। আমরা স্পোটিং উইকেট আশা করেছিলাম, তা হয়নি। এ উইকেটে দেড়শ রান করত পারলে আমরাও জিততে পারতাম। এমনটাই মন্তব্য জিম্বাবুয়ে অধিনায়কের। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব বলেন, উইকেটে এতটা স্পিন ধরবে ভাবিনি। উইকেট থকে হোম এডভান্টেজ এসেছে। তাছাড়া উইকেটে সকালে প্রচুর ময়েশ্চার ছিলো্,এটা বোলারদের সহায়ক হয়েছে। ওদিকে বাংলাদেশ একজন পেসার ও ৬জন স্পিনার নিয়ে মাঠে নামে।তাই প্রশ্ন উঠেছে, সিডনস কি তাহলে আগে থেকে জানতেন উইকেটের চরিত্র।তা না হলে কেন ৬ স্পিনার খেলানো হলো।আগের দিন তিনি কেন এটাকে স্পোটিং উইকেট বলেছিলেন প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়েও। |
| |
|
| - রের্কড ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজ জিতল টাইগাররা |
2009-11-03 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, নভেম্বর ৩,(চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামে প্রথম বারের মত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে। মঙ্গলবার জহুর আহমদ চৌধুরী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে নিজেদের বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন রানে বেধে রেখে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। সকালে টসে জিতে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক মাসাকাদজা ব্যাটিং নিলে নাজমুল, সাকিব আর এনামুল জুনিয়াররা তাদেরকে শিশির ভেজা পিচে মাত্র ৪৪রানে বেধে ফেলে। জিম্বাবুয়ের এই স্কোর হচ্ছে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ান ডে ম্যাচে কোন দলের সর্ব নিম্ন স্কোর।
সকালে হাজার দশেক দর্শকের উপস্থিতিতে শুরু হওয়া গ্রামীন ফোন সিরিজের চতুর্থ ম্যাচের প্রথম ওভারে সফরকারীদের অধিনায়ক মাসকাদজাকে ফিরিয়ে দেন পেসার নাজমুল।পরের ওভারে আবারো অঘাত হানেন বাংলাদেশ দলের একমাত্র পেসার নাজমুল। ফিরিয়ে দেন মাত্র ১রান করা চালর্স কভেন্ট্রিকে। ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার জেতেন স্বাগতিক দলের একমাত্র পেসার নাজমুল । এরপর স্পিনার আবদুর রাজ্জাক, সাকিব আল হাসান ও এনামুল জুনিয়রের স্পিন ঘূর্নিতে মাত্র ২৪.৫ ওভারে মাত্র ৪৪রানে সফরকারীদের গুটিয়ে ফেলে টাইগাররা। রাজ্জাক ২টি এনামুল ৩টি ও সাকিব নেন ৩টি উইকেট
নিজদের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্কোর টপকাতে গিয়ে নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি বাংলাদেশের টপ অর্ডাররা।১১.৫ ওভারে ৪৪ রান করতে হারাতে হয় ৪ উইকেট।
তামিম ২২, জুনায়েদ ৮, আশরাফুল ০ নাইম ০ রানে ফিরে পরিচয় দেন দায়িত্বহীনতার।
সফরকারীদের মধ্যে আর ডাব্লিউ প্রাইস এবং এজি ক্রেমার পান দুটি করে উইকেট। |
| |
|
| - চতূর্থ ম্যাচে চট্টগ্রামে প্রথম সিরিজ জয় চাচ্ছে টাইগাররা |
2009-11-02 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চটগ্রাম, নভেম্বর ২, (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামে সিরিজ জয়ের কোন রেকর্ড নেই বাংলাদেশ দলের। এর আগে এমন সুযোগ দু্ইবার হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু এবার আর সিরিজ হাতছাড়া করতে নারাজ সাকিব-তামিমরা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে বন্দর নগরীতে সাগরিকার মাঠে সিরিজের চতূর্থ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে সিরিজ জয়ের স্বাধ পেতে চান টাইগাররা। সাকিব, তামিম আশরাফুলরা সফরকারী জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে নতুন রেকর্ড গড়তে চান । প্রতিপক্ষ সম্পর্কে আশরাফুল বলেন, জিম্বাবুয়েকে বর্তমান দলটি বেশ ভালো দল। আগের চেয়ে তারা অনেক উন্নতি করেছে। তাছাড়া দলের সদস্যরা বেশ কিছু দিন ধরে একসঙ্গে খেলছে। তারপরও চট্টগ্রামে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ জিতেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চাই আমরা। কোচ সিডন্সও জহুর আহমদ চৌধুরী ষ্টেডিয়ামের প্রথম ম্যাচে জয়ের বিকল্প কিছু ভাবছেন না। জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে মিরপুরের উইনিং কম্বিনেশন ভাঙ্গছেন না তিনি। ম্যাচ জয়ের জন্যপরিকল্পনা তুলে ধরে কোচ বলেন, উইনিং কম্বিনেশন ঠিক রাখা হবে। দলে চারজন স্পিনারের সঙ্গে একজন পেসার খেলবেন। এখানকার উইকেট ব্যাটিং সহায়ক। এখানে প্রচুর রান হবে। এমন উইকেটের ম্যাচ দর্শকরাও উপভোগ করবে। কোচের সঙ্গে সুর মেলালেন শিষ্য তামিম ইকবাল। লোকাল বয় তামিমের সাফ কথা। ক্রিকেট জিততে হয় ব্যাটিং দিয়ে। যারা বেশি রান করবে ম্যাচ জিতবে তারাই। চট্টগ্রাম জহুর আহমদ চৌধুরী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে তামিম মাত্র দুটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তাতে তার রান একটিতে ৩৫ ও অন্যটিতে ৮৪। শেষেরটি সেঞ্চুরি বানাতে না পেরে কিছুটা আফসোস রয়েই গেছে তার।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেঞ্চুরি প্রতিদিন আসে না। সুযোগ আসলে তা কাজে লাগানো উচিত। তিনি আজকের ম্যাচে ভালো খেলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, চেষ্ঠা করবো ভালো কিছু উপহার দেওয়ার। |
| |
|
| - চতূর্থ ম্যাচে চট্টগ্রামে প্রথম সিরিজ জয় চাচ্ছে টাইগাররা |
2009-11-02 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চটগ্রাম, নভেম্বর ২, (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামে সিরিজ জয়ের কোন রেকর্ড নেই বাংলাদেশ দলের। এর আগে এমন সুযোগ দু্ইবার হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু এবার আর সিরিজ হাতছাড়া করতে নারাজ সাকিব-তামিমরা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে বন্দর নগরীতে সাগরিকার মাঠে সিরিজের চতূর্থ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেতে চান টাইগাররা।
সাকিব, তামিম আশরাফুলরা সফরকারী wR¤^vey‡q‡K হারিয়ে নতুন রেকর্ড গড়তে চান । প্রতিপক্ষ সম্পর্কে আশরাফুল বলেন, ÔwR¤^vey‡qi বর্তমান দলটি বেশ ভালো দল। আগের চেয়ে তারা অনেক উন্নতি করেছে। তাছাড়া দলের সদস্যরা বেশ কিছু দিন ধরে একসঙ্গে খেলছে। তারপরও চট্টগ্রামে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ জিতেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চাই আমরা। কোচ সিডন্সও জহুর আহমদ চৌধুরী ষ্টেডিয়ামের প্রথম ম্যাচে জয়ের বিকল্প কিছু ভাবছেন না। জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে মিরপুরের উইনিং কম্বিনেশন ভাঙ্গছেন না তিনি। ম্যাচ জয়ের জন্যপরিকল্পনা তুলে ধরে কোচ বলেন, উইনিং Kw¤^‡bkb ঠিক রাখা হবে। দলে চারজন স্পিনারের সঙ্গে একজন পেসার খেলবেন। এখানকার উইকেট ব্যাটিং সহায়ক। এখানে প্রচুর রান হবে। এমন উইকেটের ম্যাচ দর্শকরাও উপভোগ করবে।
কোচের সঙ্গে সুর মেলালেন শিষ্য তামিম ইকবাল। লোকাল বয় তামিমের সাফ কথা। ক্রিকেট জিততে হয় ব্যাটিং দিয়ে। যারা বেশি রান করবে ম্যাচ জিতবে তারাই। চট্টগ্রাম জহুর আহমদ চৌধুরী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে তামিম মাত্র দুটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তাতে তার রান একটিতে ৩৫ ও অন্যটিতে ৮৪। শেষেরটি সেঞ্চুরি বানাতে না পেরে কিছুটা আফসোস রয়েই গেছে তার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেঞ্চুরি প্রতিদিন আসে না। সুযোগ আসলে তা কাজে লাগানো উচিত। তিনি আজকের ম্যাচে ভালো খেলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, চেষ্ঠা করবো ভালো কিছু উপহার দেওয়ার। |
| |
|
| - সমতাই এখন প্রথম টার্গেট : মাসাকাদজা |
2009-11-02 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, নভম্বের ২, (চিটাগাংটুডে ডটকম)সিরিজের শুরুটা দারুন হয়েছিল সফরকারী জিম্বাবুয়ে দলের। চিগাম্বুরার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে বাংলাদেশ দলকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে যায় তারা। কিন্তু টাইগারদের কাছে পরবর্তী দুই ম্যাচ হেরে উল্টো সিরিজ হারের শংকায় পড়েছে এখন সফরকারীরা| তবে সিরিজ হার নয়, মঙ্গলবারের ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে সিরিজে প্রথমে সমতা আনতে চান অধিনায়ক মাসাকাদজা। এরপর সিরিজের শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চান তিনি। এভাবেই সিরিজ জয়ের নিভু নিভু স্বপ্নে বিভোর এখন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। কাজটা যে সহজ নয়, সেটা মেনে নিয়েই আজ চট্টগ্রাম জহুর আহমদ চৌধুরী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য সিরিজের চতুর্থ ম্যাচটি জিতে আগে সমতা আনতে চান তিনি।প্রি ম্যাচ সংবাদ সম্মলেনে বললনে,সমতাই এখন প্রথম টার্গেট। সমতা হয়ে গেলে সিরিজে ভালোভাবেই ফিরে আসবো আমরা। সিরিজের চতূর্থ ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা আনার জন্য দলের নিয়মিত অধিনায়ক উতসেয়া ও সাবেক অধিনায়ক তাতেন্দা তাইবুকে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেন বর্তমান অধিনায়ক মাসাকাদজা। দুজনই ইনজুরির কারণে দলের মূল একাদশে নেই। তবে উতসেয়া ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ কারণে মাঠে নামার আগে মূল একাদশ ঘোষণা করবে তারা| উতসেয়ার জন্য শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করবে সফরকারীরা। উতসেয়ার বোলিংয়ের প্রশংসা করে মাসাকাদজা বলেন, ওর বোলিং অসাধারন। বাংলাদেশী বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের সে বেধে রাখতে পারে। তাই সিরিজ বাঁচানো ম্যাচে তাকে ও তাইবুকে ভীষণ প্রয়োজন। তাদের পেলে কাজটা অনেক সহজ হতো। কিন্তু ওই জন ছাড়াও বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের ক্ষমতা রাখি আমরা। তাই ওদের না পেলেও ম্যাচ জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। অবশ্য মাসাকাদজা এমন সাহসী আশাবাদের পেছনে রয়েছে ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরা ওপেনার ভারমিউলিন। আজকের ম্যাচে ব্যাট হাতে দেখা যাবে এই ওপেনারকে। সিরিজে সমতা আনার অভীষ্ট লক্ষ্য সঙ্গে নিয়ে সোমবার অনুশীলন করতে চট্টগ্রাম জহুর আহমদ চৌধুরী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আসেন মাসাকাদজার দল। নেটে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করেন টেইলর, কভেন্ট্রি ও মাসাকাদজা। সেই সঙ্গে ঘাম ঝরান তারা বোলিং ও ফিল্ডিংয়েও। অনুশীলনে সিরিয়াসনেস ও দলের খেলোয়াড়দের শারীরিক ভাষায়ই যেন বলে দিচ্ছিলো কতটা উদগ্রীব তারা ম্যাচ জয়ের ব্যাপারে। |
| |
|
1 2 Next |
|
|
|
|
Designed & Developed By
HSSOFT |
|
Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved. |
|
|
|
|
|
|
|