English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
জাতীয়
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
জাতীয়
- নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার, দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস 2010-05-15 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম , মে ১৫ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) টানা ৮ দিন পর নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। আটক শ্রমিক নেতাদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, আলোচনার ভিত্তিতে বেতন কাঠামো নির্ধারণসহ নৌযান শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে।
শনিবার সংসদ ভবনে নৌ পরিবহন সংক্রান্ত জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির সভাপতি নূরে আলম চৌধুরী লিটন ও শ্রম বিষয়ক জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ ইসরাফিল আলমের সাথে নৌ শ্রমিক ফেডারেশন নেতাদের বৈঠক হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর নৌ শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা আবু তাহের বলেন,সরকার দাবি মানার আশ্বাস দেয়ায় বিকেল ৪ টা থেকে নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৈঠকে নৌ যান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম পটল, লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা আবু তাহের, নুরুল আবছার, নুরুল আবছার মাস্টার, আবুল কাসেম মাস্টরসহ শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
২২ দফা দাবিতে নৌ যান শ্রমিক ফেডারেশন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলো।
 Print    
- চট্টগ্রাম বোর্ডে এবারো শীর্ষে কলেজিয়েট 2010-05-15 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, মে ১৫( চিটাগংটুডে ডটকম ) ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরেছে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজিয়েট স্কুল। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে গতবারের মতো এবারও শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে স্কুলটি । এ স্কুলের ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। গতবার এ সংখ্যা ছিলো ৩৪৬ জন।
অন্য স্কুলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩৫ জন, ডা. খাস্তগীর সরকারি স্কুল থেকে ২৩০ জন, নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২২ জন, সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই নগরীর স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। নেচে গেয়ে তারা একাকার করে তোলে স্কুল আঙ্গিনা। মিষ্টির দোকানগুলোতে শুরু হয় মিষ্টি বেচাকেনার ধুম। দুপুর নাগাদ অনেক দোকানেই মিষ্টি শেষ হয়ে যায়।
এবার চট্টগ্রাম বোর্ডে ৩১টি বিদ্যালয় থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
কেউ পাস করেনি এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা চট্টগ্রাম বোর্ডে নেই।
 Print    
- এসএসসিতে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাশের হার ৭২ সারা দেশে ৮০ 2010-05-15 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, মে ১৫ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের প্রায় সব সূচকেই এবার উন্নতি হয়েছে। উত্তীর্ণের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৬৮ হাজার ৫০০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলো। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৯ হাজার ৪৫১ জন।
পাশের হার ৭২ দশমিক ৩১ শতাংশ । গতবার এ হার ছিলো ৬৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৮০০ জন, গতবার এ সংখ্যা ছিলো ৪ হাজার ৫২৯।
শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে চট্টগ্রাম বোর্ডের ফলাফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পিযূষ দত্ত।
সারা দেশে এবার পাশের হার প্রায় ৮০ শতাংশ । গত বছর এ হার ছিলো ৭০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
চট্টগ্রাম বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার পাস করেছে ৮৯ দশমিক ১৫ শতাংশ, মানবিক বিভাগ থেকে ৫৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ।
চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাসের হার ৮২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। মহানগরীর বাইরে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্ররা এবার ভালো ফলাফল করেছে। ছেলেদের পাসের হার ৭৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৬৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের সংখ্যা ২৫ হাজার ১১৩ জন এবং ছাত্রী পাস করেছে ২৪ হাজার ৩৩৮ জন।
 Print    
- রাঙ্গামাটিতে ৯ বিডিআর জোয়ানের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা 2010-05-02 
রাঙ্গামাটি জেলা সংবাদদাতা, মে ২(চিটাগাংটুডে ডটকম) রাঙ্গামাটি বিডিআর সেক্টরে স্থাপিত বিডিআর বিদ্রোহের ১ম বিচারিক আদালত-৪ এ রবিবার জেলার লংগদুর রাজনগর ১২ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ৯ বিডিআর সদস্যকে বিদ্রোহের অভিযোগের রায়ে সাজা দিয়েছে। এ আদালতের এটি ১ম রায়।
বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় রবিবার দুপুর আড়াইটায় ১৫মিনিটের রায়ে সাজা প্রাপ্তরা হলেন, হাবিলদার মোঃ শামছুল হক ৭ বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা, সিপাহী আবুল কালাম আজাদ ৬বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা, হাবিলদার মোঃ সোহরাব হোসেন ৬বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা, হাবিলদার মোঃ শিব্বির আহমেদ ৬বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা, সিগন্যালম্যান মোঃ আব্দুর রহমান ৫ বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা, সিপাহী মোঃ রাসেল কবির ৩বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমনিা, সিপাহী মোঃ সাখাওয়া হোসেন ২বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা, সিপাহী মোঃ জহির উদ্দিন ২বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা, এবং সিপাহী মোঃ সরওয়ার কামাল ২বছরের জেল ও ১শ টাকা জরিমানা কর হয়েছে।
বিশেষ বিচারিক আদালত-৪ এর রায়ে বলা হয়েছে ,আসামীরা নিজেদের নির্দোষ দাবী করলেও সকল স্বাক্ষ্য প্রমানে ও যুক্তি তর্কে গত ২৬ ফেব্রুয়ারীর রাজনগর ১২ রাইফেল ব্যাটালিন সদরে বিডিআর বিদ্রোহ হয়েছে আদালতে প্রমানিত হয়েছে। ৯জন আসামীর প্রত্যেকে বিভিন্ন মাত্রার বিদ্রোহের সাথে জড়িত ছিলো।
পিলখানা বিডিআর বিদ্রোহের সাথে একাত্মতা, পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ানো, কর্মকর্তার সাথে উদ্ধ্যত আচরণ, অশালিন অঙ্গভঙ্গি, কর্মকর্তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে অশোভণ আচরণ, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ বিকলকরা, কোত/ম্যাগাজিন খোলা রাখা, বিদ্রোহের প্রস্তুতি নিয়ে বান্ডুলিার পরিহিত অবস্থায় ফলইনে হাজির হওয়া ও অস্ত্রসহ ফলইনে দৌড়ে অন্যান্য সদস্যদের বিদ্রোহ সংঘটনে উত্তেজিত/ প্ররোচিত করে উধ্বতন কর্মকর্তার সাথে তর্কে লিপ্ত হওয়ার মতো ৯টি অভিযোগ আদালতে আসামীদের বিরুদ্ধে উল্থাপন করা হয়।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে অভিযুক্তদের রাঙ্গামাটি কারাগার থেকে বিডিআর বিদ্রোহের বিচারে জন্য গঠিত বিশেষ আদালত -৪ এ হাজির করা হয়। গত রবিবার দুপুর আড়াইটা আদালত শুরু হয় এবং ১৫ মিনিট স্থায়ী রায় ঘোষনার মধ্যদিয়ে পৌনে ৩টায় আদালত মুলতবি ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য যে, বিডিআর বিদ্রোহের বিচারিক বিশেষ আদালত-৪ এর বিচার কায্যের মধ্য দিয়ে দেশের বিডিআর বিদ্রোহের বিচার শুরু হয় ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর| এ আদালতের এটি ৮ম কার্যদিবস। আসামীদের উপস্থিতিতে জনাকীর্ণ আদালত এ রায় ঘোষিত হলে অভিযুক্তদের অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। পরে বিদায়ের সময় আসামী ও তাদের আত্মীয় স্বজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।
রাঙ্গামাটির বিশেষ আদালত ৪ এর বিচারক প্যানেলের প্রধান, বিডিআর মহা পরিচালক মেজর জেনারেল মঈনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে বিচার কাজ পরিচালনা করেন এটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধি ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মোঃ সোহরাওয়ার্দি, বিডিআর কর্মকর্তা লেঃ কর্ণেল মোঃ আব্দুর রউফ ও মেজর গোলাম মোস্তফা আল মামুন ।
মামলায় সরকার পক্ষে মামলা প্রসিকিউটার ১২ রাইফেল্ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল হাবিবুর করিম ও আসামী পক্ষের ফ্রেন্ড অব দি অ্যাকিউজড মেজর এনামূল করিম ।
বিডিআর বিদ্রোহের বিচারে রায় উপলক্ষে র্যা ব,পুলিশ সেনাবাহিনীও গোয়েন্দা সংস্থা রাঙ্গামাটি শহরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছিলো। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে বিশেষ টহলের ব্যবস্থাসহ নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। রায় ঘোষনার পর আসামীদের রাঙামাটি জেলা কারাগারে প্রেরন করে।
 Print    
- ৯ বিডিআরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছে আদালত 2009-11-24 
মোহাম্মদ ইলিয়াস/রাঙ্গামাটি নভেম্বর ২৪ (চিটাগাংটুডে ডটকম)বিডিআর বিদ্রোহের বিচারের প্রথম দিনে নয় বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ আমলে নিয়েছে বিশেষ বিচারিক আদালত-৪। মঙ্গলবার রাঙ্গামাটি সেক্টর সদর দপ্তরে স্থাপিত এই আদালত ১২ ব্যাটালিয়নের রাজনগর ক্যাম্পের ৫ বিডিআরকে শ্যোন এরেষ্ট দেখিয়ে মোট ৯ বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানাও জারি করেছে।
নয় বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানা হত্যাকান্ড ও বিদ্রোহে একাত্মতা প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের সাথে উদ্যোত আচরন,তর্কার্তকি,হইহল্লাসহ কর্মক্ষেত্রে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
বহুল আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহের প্রথম অভিযোগ উত্থাপন করেন,১২ রাইফেল ব্যাটালিয়ানের ডিএডি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। প্রসিকিউর লেঃ কঃ হাবিবুল করিম অভিযোগের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন দীর্ঘ ৯মাস তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত সাক্ষ্য দ্বারা প্রমানিত অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে বলে আদালতকে জানান।
বিডিআর বিদ্রোহের বিচারে স্থাপিত বিশেষ আদালত-৪এর বিচারক প্যানেলের প্রধান বিডিআর মহাপরিচালক মইনুল ইসলাম অপর দুই সদস্য লেঃকঃ আব্দুর রব ও মেজর আ.জ.ম.গোলাম মোস্তফা শামীম এবং এ্যর্টনি জেনারেলের পক্ষে ডেপুটি এ্যর্টনি জেনারেল সোহরাব উদ্দিন বিকেল ৩টায় বিশেষ আদালতে উপস্থিত হয়ে প্রথমে নব গঠিত বিচারক প্যানেলকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
প্রথমে তিন সদস্যের প্যানেলকে শপথ বাক্য পাঠ করান ডেপুটি এটর্নি জেনারেল সোহরাব উদ্দিন। পরে বিচারিক প্যানেলের প্রেসিডেন্ট বিডিআর মহা পরিচালক মইনুল ইসলাম ডেপুটি এ্যটর্নি জেনারেলকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
অভিযোগ ও যুক্তি আমলে এনে বিজ্ঞ আদালত রাঙ্গামাটি জেলা করাগারে আটক ৫জন কে শ্যোন এ্যারেষ্ট ও ১২ ব্যাটালিয়ানের হেফাজতে থাকা ৪ বিডিআর বিদ্রোহীকে ব্যাটালিয়ানের জিম্মায় রেখে তথা গ্রেফতার করে আগামী ধার্য্য তারিখ ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় আদালতে উপস্থিত করার নির্দেশ দেয়।
মঙ্গলবার যাদের বিরুদ্ধে বিশেষ আদালত-৪ এ অভিযোগ তোলা হয়েছে তারা হলেন, মৌলবী বাজার জেলার কুলাউরা থানার খিদিমপুরের মৃত মাহবুব মিয়ার পুত্র হাবিলদার শিব্বির আহম্মদ,টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানার আইসরার মৃত বেলায়েত হোসেনের পুত্র হাবিলদার সোহরাব হোসেন,চাঁদপুর জেলার মতলব থানার দিঘদির আব্দুর রব প্রধানিয়ার পুত্র সিপাহী আব্দুর রহমান,বি-বাড়িয়া জেলার মসলিশপুর থানার মৃত লাল মিয়ার পুত্র সিপাহী শামসুল হক, ও রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার চরলক্ষীপুরএর মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র সিপাহী মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এবং ১২ ব্যাটালিয়ানে আটক ৪ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন,রাসেল করিম,জহির উদ্দিন, ও সরওয়ার কামাল ।
আদালতে সহকারী প্রসিকিউটার ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। তাকে সহায়তা করেন মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু। এডভোকেট কাজল এ প্রতিনিধিকে বলেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা প্রমানিত হলে সর্ব্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও একশত টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
আদালত বিকেল ৩টায় বসে এবং প্রায় এক ঘন্টা স্থায়ী হয়। আদালত ২৫ নভেম্বর বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
চলতি বছরের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। বিদ্রোহীদের হাতে ৫৭ জন কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রান হারায়। এ বিদ্রোহের সাথে দেশের বিভিন্ন বিডিআর সেক্টরের বিডিআর জওয়ান বিদ্রোহের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে। বিদ্রোহের ঘটনার পর বিদ্রোহের অভিযোগে অন্যান্য সেক্টরের বিদ্রোহী বিডিআরদের মতো রাঙ্গামাটি সেক্টরের ৫টি ইউনিটের ৩৯ জন জোয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
রাঙ্গামাটি শহরকে রাব পুলিশ, বিডিআর, ও সাদা পোষাকধারী গোয়েন্দো সংস্থার লোকজন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহের বিচারের জন্য রাঙ্গামাটি বিডিআর সেক্টরে স্থাপিত বিশেষ বিচারিক আদালত-৪ কে ঘিরে এ নিরাপত্তা ব্যাবস্থা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১৯৭২ সালের বিডিআর আইনে বিচার করা হবে।
আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। আটককৃতদের পর্যায়ক্রমে এ বিশেষ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এ বিশেষ আদালতে শুধু বিডিআরে বিদ্রোহের বিচার করা হবে। বিচার হবে খাগড়াছড়ি এবং চট্টগ্রামের বিদ্রোহী সদস্যদের।
বিদ্রোহের অভিযোগে আটক বিডিআর সদস্যদের মঙ্গলবার কারাগারে ডাক্তারী পরীক্ষার করা হয়েছে।
বিডিআর বিদ্রোহের ১ম বিচারিক কার্যক্রম রাঙ্গামাটিতে শুরু হওয়ায় সারাদেশের মানুষের নজর এখন রাঙ্গামাটির দিকে। উতখন্টায় রয়েছে অভিযুক্তদের আত্মীয় স্বজনরা| অনেকেই রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবে ফোন করে বিচার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।
কারাগারে আটক অভিযুক্তদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে । জেলার সর্বত্র বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারী।র্যাব, পুলিশ, বিডিআরর পাশাপাশি সাদা পোষাকধারী গোয়েন্দা টীম শহরকে ঢেকে দিয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। রাঙ্গামাটি সেক্টরের সকল অস্ত্র ক্লোজ করা হয়েছে।
 Print    
- কড়া নিরাপত্তায় রাঙ্গামাটিতে কাঠগড়ায় উঠছে ৫ বিডিআর সদস্য 2009-11-23 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
মুহাম্মদ ইলিয়াস /রাঙ্গামাটি নভেম্বর ২৩,(চিটাগাংটুডে ডটকম) রাঙ্গামাটি সেক্টরের লংগদু রাজনগর ক্যাম্পের বিদ্রোহের অভিযোগে আটক ৫ জন বিডিআর সদস্যের বিচার শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। বিডিআর আইন অনুযায়ী বিডিআরের নিজস্ব আদালতে এই বিচার চলবে। বিডিআর মহা পরিচালক এর নের্তৃত্বে ৩ জন বিচারক এ আদালত পরিচালনা করবেন। আদালতের অপর দুই সদস্য হচ্ছেন বিডিআরের একজন লেঃ কর্ণেল পদমর্যাদা এবং অপর জন মেজর পদ মর্যাদার কর্মকর্তা।
রাঙ্গামাটি বিডিআর সেক্টরে স্থাপিত এ বিশেষ আদালতে রাঙ্গামাটি ছাড়াও বিডিআর বিদ্রোহের অভিযোগে চট্রগ্রাম ও খাগড়াছড়ি সেক্টরের অধীন বিভিন্ন ব্যাটালিয়ানের অভিযুক্ত বিডিআর সদস্যদেরও বিচার করা হবে। দেশের ৬টি বিশেষ আদালতের মধ্যে রাঙ্গামাটির আদালত ৪র্থ।
রাঙ্গামাটি বিডিআর সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান সরকার এ প্রতিনিধিকে জানান,বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সেক্টর সদরে বসানো হয়েছে বিশেষ আদালত-৪ এর এজলাস।তিনি আরো জানান বিচারের প্রথম দিনে অভিযোগ গঠন করার পর অভিযুক্তরা আত্নপক্ষ সমর্থনের জন্য ২৭ দিন সময় পাবেন। উল্লেখ্য ২৭ দিন সময়ের মধ্যে অভিযুক্তরা তাদের পক্ষে স্ব স্ব আইনজীবি নিয়োগ করতে পারবে।
এছাড়া এ্যাটর্নী জেনারেল এর একজন মনোনীত প্রতিনিধি এই বিশেষ আদালতকে সহায়তা করবেন।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বিচার কাজ শুরু হয়ে তা একটানা সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত চলবে। বিচারের প্রথম দিনে বিডিআর রাঙ্গামাটি সেক্টরের লংগদু রাজনগর ক্যাম্পের বিদ্রোহের অভিযোগে আটক ৫ জন বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ উত্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য চলতি বছরের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী বিডিআর সদর দপ্তরে বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ বিদ্রোহের সাথে দেশের বিভিন্ন বিডিআর সেক্টরের বিডিআর জওয়ান বিদ্রোহের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে। এ বিদ্রোহের ঘটনার পর বিদ্রোহের অভিযোগে অন্যান্য সেক্টরের বিদ্রোহী বিডিআর মতো রাঙ্গামাটি সেক্টরের ৫টি ইউনিটের ৩৯ জন জোয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। আটককৃতদের পর্যায়ক্রমে এ বিশেষ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এ বিশেষ আদালতে শুধু বিডিআরে বিদ্রোহের বিচার করা হবে।
রাঙ্গামাটিতে বিডিআর বিদ্রোহের বিচার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলা করাগারে নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি কারাগারে আটক অভিযুক্তদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে । জেলার সর্বত্র বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারী।
 Print    
- বিডিআর বিদ্রোহের প্রথম বিচার মঙ্গলবার রাঙ্গামাটিতে শুরু 2009-11-22 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
মোহাম্মদ ইলিয়াস/রাঙ্গামাটি নভেম্বর ২২( চিটাগাংটুডে ডটকম)বিডিআর বিদ্রোহের প্রথম বিচার রাঙ্গামাটিতে মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে। রাঙ্গামাটি ৪র্থ বিশেষ বিচারিক আদালতে এই বিচার প্রক্রিয়া চলবে বলে বিডিআর সূত্রে জানা গেছে।
রাঙ্গামাটি বিডিআর সেক্টরের উপ অধিনায়ক মেজর মনির জানিয়েছেন,৪র্থ বিশেষ বিচারিক আদালত রাঙ্গামাটিতে বিদ্রোহের অভিযোগে আটক ৫ বিডিআর সদস্যের বিচারের মাধ্যমে দেশে বিডিআর বিদ্রোহের প্রথম বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
অপরদিকে আসামী পক্ষের আদালতে উপস্থিত থাকবেন এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনিরসহ অপরাপর আইনজীবি।
বিডিআর রাজনগর ১২ রাইফেল ব্যাটালিযনের জেলে আটক ৫ সদস্যকে বিদ্রোহের অভিযোগে এ আদালতে হাজির করা হবে।
রাঙ্গামাটিতে বরকল ১৮ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ১৬জন, মারিশ্যা ৯ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ১৮জন, রাজনগর ১২রাইফেল ব্যাটালিয়নের ৫জনসহ ৩৯ বিডিআর সদস্যকে পর্যায়ক্রমে রাঙ্গামাটি বিডিআর সেক্টরে স্থাপিত ৪থ বিশেষ আদালতে বিচার করা হবে।
বিচারের প্রথম দিনে মঙ্গলবার আদালত শুরু হবে বিকেল ৩টা থেকে এবং শেষ হবে ৬টায়। পর দিন সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলবে।
এ ব্যাপারে আসামী পক্ষের এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির এর মতামত জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পর যারা দোষী তারা পালিয়েছে। কিন্তু ঘটনার পরও যারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের আদেশ নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন করেছে, তার বিদ্রোহী হতে পারেনা। অভিযুক্তরা ন্যায় বিচার পাক সেটাই আমরা কামনা করি।
তিনি বলেন,অভিযোগে উল্লেখ ছিলো ৫/৬ জনের নাম পরে ১৮ জনের নাম অর্ন্তভূক্ত হয়েছে।
২৫ ফ্রেব্রুয়ারী ঢাকার সদর দপ্তরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআরের জওয়ানরা বিদ্রোহ করে।
 Print    
- রমজানে শুক্র,শনিবার দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে 2009-08-17 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
আসন্ন রমজান মাসে শুক্র ও শনিবার দোকানপাট রাত আটটার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ একথা জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য রমজান মাসে শুক্র ও শনিবার রাত ১০ টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকবে। আর অন্য ৫ দিন আগের মতোই রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে।"
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে দোকানপাট রাত আটটা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়।
তথ্য সচিব বলেন, "সংসদ সদস্যদের বকেয়া টেলিফোন বিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগে মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিয়েমিতভাবে দেওয়া হত। আজকের (সোমবার) বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এ প্রতিবেদন এখন থেকে আর নিয়মিতভাবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে দিতে হবেনা।"
আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রস্তাবিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর আইন ২০০৯ বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। এ আইনের আওতায় ৭ সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এ পরিষদের সভাপতি হবেন। এর মেয়াদ হবে ৩ বছর। আর প্রতি বছর এ উপদেষ্টা পরিষদকে অন্তত একটি করে সভা করতে হবে। আর সংসদে পাশের পর এ আইন বলবৎ হবে।
 Print    
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions