English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
পরিবেশ
- বান্দরবানে তামাক চাষ বন্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা 2010-08-19 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
বান্দরবান,আগষ্ট ১৯(চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবানে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তামাক চুল্লি ও গুদামঘর গুলো কেন অপসারণ করা হবে না এ মর্মে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে জেলা প্রশাসক, সাত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাত থানার থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), লামা ও বান্দরবান্ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এবং কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে যুগ্ন জেলা ও দায়রা জর্জ আদালত।
বান্দরবান জেলা যুগ্ন জজ মো: শামসুদ্দিন খালেদ জনস্বার্থে সাংবাদিক আলাউদ্দিন শাহরিয়ার এবং জাফর ইকবালের দায়ের করা মামলায় বুধবার এই আর্দেশ দেন।
এছাড়াও তামাক চাষ, প্রক্রিয়াকরণ এ নিয়ে কৃষকদের সাথে তামাক কোম্পানীগুলোর আর্থিক দেলদেনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জনসচেতনা তৈরি এবং জনকল্যান মূলক উক্ত মামলায় আগ্রহীদের বাদী হিসেবে সর্ম্পক্ত করতে বলা হয়েছে।
আদালতে বাদী তার আর্জিতে বলেন, তামাক চাষ নাগরিকের স্বাভাবিক জীবন যাপনে অন্তরায়। তামাক সেবন মানুষের মৃত্যু ঘটায়। তামাক কোম্পানীগুলো চাষীদের প্রলুব্ধ করে তামাক চাষে আগ্রহী করে তুলছে।
বিগত বছর বান্দরবানে ১০ হাজার ২১২ একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। তার কারণে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
আদালতে বাদীর পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন এ্যাড ড.মহিউদ্দিন, এ্যাড. মো: ইলিয়াছুর রহমান এবং বিশ্বজিৎ তঞ্চচঙ্গা।
 Print    
- কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ হয়নি 2010-07-28 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
কক্সবাজার, জুলাই ২৮(চিটাগাংটুডে ডটকম) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। অবৈধ দখলদার চক্র পরিবেশ আইন,আদালতের নিষেধাজ্ঞাসহ কিছুই মানছেনা। সরকারী খাসজমি,ব্যক্তি মালিকানাধীন বিরোধপূর্ণ জমি এবং হোটেল মোটেল জোনে বাতিল করা প্লটে বর্তমানেও চলছে স্থাপনা নির্মাণ কাজ।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সন্নিকটে বাতিলকৃত প−ট গুলোতে মাস্টার প্লান অনুসারে গাড়ি পার্কিং, শিশুদের জন্য পার্ক ও মসজিদ থাকার কথা। কিন্তু তা না করে প−ট হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। অবৈধ স্থাপনা গুলোর বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানান।
১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৫ ধারা অনুসারে সরকার কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু পরিবেশ আইনকে উপেক্ষা করে ২০০৩ সালে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ১৩০ একর সরকারি খাসজমি নিয়ে হোটেল মোটেল জোন গড়ে তোলা হয় । প্লট তৈরী করে ৯৯ বছরের জন্য বরাদ্ধও দেয়া হয় বিভিন্ন প্রভাশালী ব্যক্তিদের। ইতিমধ্যে কিছু প−ট চড়া দামে হাতবদল করা হয়েছে।
বরাদ্দের চুক্তি অনুসারে নির্মাণকাজ শেষ না করায় চলতি বছরের ১২জানুয়ারি সংসদীয় কমিটি এবং ভূমি ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের বিভাগীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ৫৯টি প−টের ইজারা বরাদ্দ বাতিল করেন।
এদিকে,সমুদ্র সৈকতের সী-ইন পয়েন্ট,সী প্যালেস এলাকাসহ সৈকতের পার্শ্বে বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে চলছে স্থাপনা নির্মাণ কাজ। উক্ত এলাকায় একটি চক্র তৎপর রয়েছে বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ ও ভেজাল জমি ক্রয় করার কাজে। চক্রটি যতরুপ বে-দখল ভেজাল জমি কম মূল্যে খরিদ করে সেখানে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবে সন্ত্রাসী দিয়ে জবর দখল করার পর তা উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা তাদের কাজ।
সৈকত সংলগ্ন হোটেল সী-প্যালেসের পিছনে গত কয়েক দিন ধরে অভিযান চালিয়ে স্থাপনা উচ্ছেদ করে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ওই উচ্ছেদকৃত স্থাপনার পার্শ্বে ওই চক্রটি সরকারী খাস জমিতে আবারো ইট লোহা,সিমেন্ট কংক্রিটসহ বিভিন্ন মালামাল মজুদ করে পাকা দালান নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে । সী-প্যালেস হোটেলের পেছনে সৈকতের লাগোয়া জমি নিয়ে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে।
অপরদিকে, প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষিত ওই এলাকার সীমানা আগামী ছয় মাসের মধ্যে নির্ধারণ করতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতি আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। অধিদপ্তরকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন ওই এলাকার বৈশিষ্ট্য রক্ষায় একজন পরিচালক নিয়োগ দিতেও বলা হয়।
এছাড়া জেলা প্রশাসককে সচেতনতার জন্য প্রতিবেশগত এলাকা হিসেবে সেখানে সাইন বোর্ড টাঙানো এবং এলাকার স্থাপনা ও জমির অবস্থান নির্ণয় করতে প্রকৌশলীর সমন্বয়ে ন্যূনতম দুই সদস্যের কমিটি গঠন করতে বলেছেন আদালত।
 Print    
- বান্দরবানে রাস্তার গাছ কেটে উজাড় করছে প্রভাবশালীরা 2010-07-22 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
বান্দরবান,জুলাই ২২ (চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবানের লামায় রাস্তার দুপাশের সরকারী গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালীরা। লামা উপজেলার কুমারী থেকে ইয়াংছা এবং ইয়াংছা থেকে লামারমুখ বাজার পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে বনবিভাগসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাগানো সরকারী গাছ গুলো রাতের অন্ধকারে কেটে নিয়ে যাচ্ছে ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ইতিমধ্যে রাস্তার দুপাশের প্রায় দু’শতাধিক রেইনট্রি, শীলকড়ুইসহ মূল্যবান সরকারী গাছ রাতের আধাঁরে কেটে নিয়ে গেছে চকরিয়ার লোকজন। চোরাকারবারীরা লামা-আলীকদম সড়কের রাস্তার দুপাশের লাগানো সরকারী গাছ গুলো উজাড়ের মহোৎসবে নেমেছে। কিন্তু বনবিভাগের লোকজন বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় লোকজন।
লামা উপজেলার পরিবেশকর্মী মোঃ আলমগীর জানান, চকরিয়ার বনদস্যুরা রাতের আধাঁরে রাস্তার দুপাশের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। চোরাকারবারীদের সাথে আওয়ামীলীগ সমর্থিতরা জড়িত থাকায় প্রশাসনও বিষয়টি নজরে আনছে না। সশস্ত্র অবস্থায় চোরাকারবারীরা গাছ কাটার ফলে জনগনও প্রতিহত করতে পারছে না।
এবিষয়ে লামা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র তাজুল ইসলাম জানান, লামা উপজেলায় রাস্তার দুপাশে এখন আগের মতো গাছ নেই। চোরাকারবারীরা রাতের আধাঁরে গাছ গুলো কেটে সাবাড় করে ফেলছে। বনবিভাগকে বিষয়টি জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সবচেয়ে বেশি ইয়াংছা থেকে লামারমুখ পর্যন্ত রাস্তার দুপাশের অধিকাংশ গাছ কেটে নিয়েগেছে চোরাকারবারীরা।
 Print    
- দখল আর দূষণে বিপর্যস্ত কাপ্তাই হ্রদ 2010-06-30 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
মুহাম্মদ ইলিয়াস/রাঙ্গামাটি , জুন ৩০(চিটাগাংটুডে ডটকম) দূষণ, দখল, বর্জ্য নিক্ষেপ, বন ধ্বংস, পাহাড় কাটা, আর ভূমি ধ্বসের কারনে ৭২৫ বর্গ কিলো মিটারের কাপ্তাই হ্রদ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।মানুষের হিংস্র থাবায় দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের রানী রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ আজ তার রূপ যৌনব হারাতে বসেছে। বিশেষজ্ঞরা আশংকা প্রকাশ করেছেন, এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে এই হ্রদ।
হ্রদ দখল করে স্থাপনা নির্মান, পাহাড় কাটা,ভূমি ধ্বস ও বর্জ্য নিক্ষেপের ফলে ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে কাপ্তাই লেকের গভীরতা। প্রতি নিয়ত ধ্বংস হচ্ছে এই হ্রদে গত চার দশকে গড়ে উঠা জীব বৈচিত্র। এই হ্রদ ঘিরে আবর্তিত হওয়া কয়েক লাখ মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাও আজ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে দূষনের কারনে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিবেশ সাংবাদিক এসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার, বনরূপা, রাজবাড়ী, কাঠাতলী, আসামবস্তি,পর্যটন রোড, ওমদামিয়া হিল এলাকার ১৭টি করাতকলের মজুদ করা গাছের কারনে হ্রদের পানি সবচেয়ে বেশি দূষিত হচ্ছে। এইসব করাত কলের আশপাশের হ্রদে প্রায় ২লাখ ঘনফুট কাঠ মজুদ করা হয়েছে। পানি দূষণের কারনে রাঙ্গামাটিবাসী চর্মরোগসহ বিভিন্ পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী বৈধ কাঠ হলে যার যার নিজস্ব ডিপোতে রাখাতে হবে। অন্যথায় সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিধান আছে। কিন্তু লাখ লাখ ঘনফুট কাঠ পানিতে রাখা হলেও এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা বলেও জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিবেশ সাংবাদিক এসোসিয়েশন।
সরকারের বন বিভাগও হ্রদে কাঠ রেখে পানি দূষন করছে বলে অভিযোগ আছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিন বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম কাপ্তাই হ্রদে কাঠ মজুদ এর কারণে হ্রদ দূষণ বিষয়ে তার মতামতে বলেন, কত কাঠ মজুদ আছে জানি না। আইনে নিজস্ব ডিপোতে কাঠ রাখার বিধান থাকলেও ব্যবসায়ী বা জোত মালিকরা কোন ডিপো গড়ে তোলেনি বলেও তিনি জানান।
গভীরতা কমে যাওয়াতে ব্যাহত হচ্ছে হ্রদে নৌ যোগাযোগও। এই হ্রদের মাধ্যমে রাঙ্গামাটি শহরের সাথে নৌপথে সরাসরি যোগাযোগ থাকা বরকল,বাঘাইছড়ি,নানিয়ারচর,বিলাইছড়ি,জুরাছড়ি, ও কাপ্তাই উপজেলার প্রায় ৪লাখ মানুষের দূর্ভোগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
দেশ মিঠাপানির মাছের একক বৃহত্তম উ‍‍‍তস কাপ্তাই হ্রদ।প্রতি বছর হ্রদ থেকে আহরিত হচ্ছে সাড়ে ৮লাখ টন মাৎস্য সম্পদ। সরকার এ বছর আয় করছে ৫কোটি ৪২লাখ টাকা মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন সূত্র।
মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক কমান্ডার জাহিরুল আলিম জানিয়েছেন, আগামী ২০ বছরে কাপ্তাই হ্রদ নাব্যতা হারিয়ে সম ভূমিতে পরিনত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, হ্রদের নাব্যতা রক্ষায় দ্রুত ড্রেজিং করা, পরিবেশ বিরোধী জুম চাষ নিরুৎসাহী করা, ধ্বংস প্রাপ্ত সরকারী বেসরকারী বন বাগান পূনরায় বনায়নের আওতায় আনাসহ শহরের বর্জ্য নিক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
এ হ্রদের কাপ্তাই পয়েন্টে তৈরী জল বিদ্যুৎ প্রকল্পে উৎপাদন হচ্ছে স্বল্প মূল্যে প্রায় ২শ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ। কাপ্তাই লেকের অস্তিত্ব বিপন্ন হলে বন্ধ হয়ে যাবে স্বল্প মূল্যের এই বিদ্যুত কেন্দ্রটি।
 Print    
- লোকালয়ে নেমে আসছে হাতির পাল, দক্ষিণ চট্টগ্রামে আতংক 2010-06-26 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম , জুন ২৬, শহীদুল ইসলাম বাবর/সাতকানিয়া (চিটাগংটুডে ডটকম) এক সময় যেখানে হাতিসহ বন্যপ্রানী বসবাস করত সেখানে এখন চলছে ব্যাপক বন নিধন। যার ফলে আবাসস্থল হারিয়ে হিংস্র হয়ে উঠছে বন্য প্রাণীরা। এর মধ্যে হাতি অন্যতম। হাতির পাল লোকালয়ে নেমে এসে জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করলেও এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেন কোন কিছুই করণীয় নেই।
হাতির আক্রমণে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশংকায় শংকিত হয়ে পড়েছেন দক্ষিন চট্টগ্রামের একাধিক উপজেলার মানুষ। দক্ষিন চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাশঁখালী, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশে হাতির আক্রমনে গত তিন মাসে অন্তত ৮ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২০ জনের অধিক। আর হাতির আক্রমনে বাড়ি ঘর ভাংচুর ও কত যে ফসল হানি হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।
সূত্র জানায়, হাতিসহ অসংখ্য বন্যপ্রানী বসবাস করছে বাশখালী,লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার পাহাড়গুলোতে। গত কয়েক বছর থেকে এলাকার লোকজন এসব পাহাড়ের বন উজাড় প্রতিযোগিতায় নেমেছে। নষ্ট হয়ে গেছে হাতিসহ বন্যপ্রানীর আবাসস্থল। আর এতেই দিনে দিন হিংস্র হয়ে উঠছে বন্যাপ্রানী।
সাতকানিয়া উপজেলার চুড়ামনি এলাকার আমির হোসেন জানান, গত কিছু দিন আগে ১৪/১৫ টি হাতির একটি বিশাল পাল সাতকানিয়ার ছনখোলা, চুড়ামনি এলাকায় লোকালয়ে প্রবেশ করে লোকজনের উপর চড়াও হয়। এতে এক সপ্তাহে অন্তত তিনজন নিহত হয় হাতির আক্রমনে। আর আহত হয় অন্তত ২০ জন।
এছাড়াও হাতির পালটি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। এর পর এলাকার হাজার হাজার লোকজন একত্রিত হয়ে মশাল জ্বালিয়ে হাতির পালটিকে বাশঁখালীর পাহাড়ে উঠিয়ে দিতে সক্ষম হয়। পরবর্তি সময়ে এ হাতির পালটিই বাশখালীর, জলদি, নাপোড়াসহ আরো একাধিক এলাকায় লোকালয়ে হানা দিয়ে কাঠুরিয়া, দিনমজুর সহ তিন ব্যক্তিকে পদদলিত করে হত্যা করে। হাতির পাল বাড়িঘরেও ভাঙচুর চালায় । সব মিলিয়ে এখানকার মানুষ হাতি আতংকে দিনাতিপাত করছে।
এদিকে সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ভোরে সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ছোটহাতিয়া এলাকায় বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে একটি বিশালদেহী হাতির মৃত্যু হয়েছে। হাতিটির মৃত্যুর সাথে সাথেই এলাকার কিছু ব্যক্তি হাতির নখ দাতসহ মূল্যবান অংশ চুরি করে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বনবিভাগ ময়নাতদন্ত শেষে হাতিটিকে পুতে ফেলে।
 Print    
- সাতকানিয়ায় বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে বন্য হাতির মৃত্যু 2010-06-24 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুন ২৪, (চিটাগাংটুডে ডটকম) সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ছোট হাতিয়া গ্রামে বুধবার গভীর রাতে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে এক বন্য হাতির মৃত্যু হয়েছে।
স্থানিয়রা জানান, ছোট হাতিয়া গ্রামে একটি গভীর নলকূপ চালানোর জন্য টানানো হয়েছিলো অস্থায়ী বৈদ্যুতিক তার। রাতে কোন এক সময় সংলগ্ন পাহাড় থেকে হাতিটি সমতলে নেমে এলে সেই তারে জড়িয়ে যায়।
মৃত হাতিটি দেখার জন্য সকাল থেকে এলাকার লোকজন ভীড় করে। তারা হাতিটির মৃত দেহ রাস্তা থেকে সরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে বনবিভাগের লোকজনও হাতিটিকে সেখান থেকে সরিয়ে আনার চেষ্টা করে।
তবে কে বা কারা হাতিটির মৃত্যুর পর পায়ের নখসহ অনেক মূল্যবান অংশ চুরি করে নিয়ে গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সাতকানিয়া-বাশখালি সীমানায় বন্য হাতির উপদ্রব বেড়ে গেছে। প্রায় সময় জঙ্গল ছেড়ে হাতির পাল খাবারের সন্ধানে নেমে আসছে লোকালয়ে।
গত কয়েক মাসে সেখানে বন্য হাতির আক্রমনে তিন ব্যক্তি প্রান হারায়।
 Print    
- ক্ষতিকর তামাক চুল্লী ধংসের নির্দেশ বীর বাহাদুর এমপির 2010-05-20 
বান্দরবান, মে ২০,(চিটাগাংটুডে ডটকম)বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে জেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংএ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তামাক চুল্লী ধংস করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) বীর বাহাদুর এমপি বৃহস্পতিবার বান্দরবান জেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংএ এ নির্দেশ দেন।
সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন মিলনায়তনে জেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংএ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) বীর বাহাদুর এমপি।
জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে মিটিংএ অন্যান্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার কামরুল আহসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবদুল মান্নান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য কাজী মুজিবুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যা্ন আব্দুল কুদ্দুছ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যা্ন মোঃ তৌফাইল, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিম সোহেল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জামান, বিডিআর প্রতিনিধি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ইউএনও, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ এবং সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) বীর বাহাদুর এমপি বলেছেন, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর তীরে কোন তামাক চাষ করা যাবে না। জনবসতি এলাকায়ও তামাক চাষ বন্ধ করতে হবে এবং উপজেলা পর্যায়ে নির্মিত সকল তামাক চুল্লী ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে বীর বাহাদুর এমপি।
 Print    
- বনজসম্পদ ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা শুরু 2010-05-09 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম,মে ৯(চিটাগাংটুডে ডটকম) রোববার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম সুখবিলাসে দুধপুকুরিয়া-ধোপাছড়ি বণ্যপ্রাণী অভয়ারন্য প্রকল্পের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বনজসম্পদ ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা শুরু হয়েছে। ইউএসএইডের সহায়তায় শুরু হওয়া এই অভয়ারন্য প্রকল্প উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সুরক্ষা ও সুষ্ট ব্যবস্থাপনায় ঘনিষ্টভাবে কাজ করতে আগ্রহী। একই সাথে মার্কিন সরকার এই সে ক্টরে বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে কাজ করতে চায়।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় সরকারকে প্রাকৃতিক সম্পদের উন্নততর ব্যবস্থাপনা, পতিত জমি পুনরুদ্ধার, জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মানুষের আয় বৃদ্ধি করতে প্রশিক্ষন দিয়ে সহায়তা করে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্ঠার ফলে বাংলাদেশের সংরক্ষিত বন এলাকার অভ্যান্তরে ও এর আশেপাশে বসবাসরত ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ উপকৃত হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বর্ণিল এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুখবিলাস গ্রামের অধিবাসী স্থানীয় সাংসদ পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএসএআইডি’র বাংলাদেশ মিশন প্রধান ডেনিস রলিন্স। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান বন সংরক্ষক আব্দুল মোতালেব। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বন্যপ্রাণী সার্কেলের বন সংরক্ষক ড. তপন কুমার দে, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির আজম সিদ্দিকী, স্থানীয় পদুয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সেলিম প্রমুখ।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে রাঙ্গুনিয়া ও ধোপাছড়ি এলাকায় প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যায়ে বন্যপ্রানী অভয়রন্য প্রকল্পের কাজ মার্কিন রাষ্ট্রদুতের উদ্বোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করা হয়। প্রকল্পটি ইউএসএআইডি’র অর্থায়নে সমন্বিত সংরক্ষিত এলাকা সহ-ব্যবস্থাপনা আইপ্যাক প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুখবিলাসের বনাঞ্চলে ৩টি হরিণ অবমুক্ত করেন।
 Print    
- কক্সবাজারে ৯৬১২.৯১ হেক্টর বনভূমি বেদখল 2009-11-05 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
কক্সবাজার, নভেম্বর ০৫ (চিটাগাংটুডে ডটকম) বনবিভাগের জনবলের অপ্রতুলতা ও নানা ব্যর্থতার কারণে কক্সবাজার বনবিভাগের ৯ হাজার ৬১২ দশমিক ৯১ হেক্টর বনভূমি বেদখল হয়ে গেছে।যদিও বেসরকারি হিসাবে বেদখল জমির পরিমাণ ২০ হাজার হেক্টরের বেশি।
কক্সবাজারে বন সম্পদ সংরক্ষণে সমস্যা ব্যর্থতা ও করণীয় শীর্ষক এক গোল টেবিল বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও জেলা বন সংরক্ষণ পরিষদ এই গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসন সম্মেলন কড়্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে বক্তাগণ বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থীদের কারণে দেশের বনজ সম্পদ উজাড় হয়েছে। এখন সময় এসেছে আনত্মর্জাতিক ভাবে তার ক্ষতিপুরণ দাবি করা।
তারা আরও বলেন, বিদেশী গাছ এনে দেশের পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে। এখন পরিবেশ উপযোগী গাছের দিকে নজর দেয়া দরকার। পাম ও রাবার গাছের বাগান করা অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে করা যেতে পারে। ঔষধি গাছের বনায়ন করা গেলে আরও বেশি উপকার পাওয়া যাবে।
জেলা বন সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু ও সাধারণ সম্পাদক এম. ইব্রাহিম খলিল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে জানানো হয়, কক্সবাজার বন বিভাগের অধীনে মোট বনভূমি রয়েছে ৩৫ হাজার ৬ দশমিক ৪৫ হেক্টর। এসবের মধ্যে ২৯ হাজার ১৪৪ দশমিক ২৭ হেক্টর সংরড়্গিত বনভূমি, ৫ হাজার ৭৯৫ দশমিক ৬৪ হেক্টর রড়্গিত বনভূমি ও ৫ হাজার ২৫৫ দশমিক ২৩ হেক্টর বেদখল বনভূমি রয়েছে। এছাড়াও বৃক্ষ শূণ্য জমি রয়েছে ৬ হাজার ৫৫৬ দশমিক ৬০ হেক্টর।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগের অধীনে মোট বনভূমি রয়েছে ৪৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ৯১ হেক্টর। এসবের মধ্যে ৩৬ হাজার ৬০২ দশমিক শূণ্য ৫ হেক্টর সংরক্ষিত বনভূমি, ৭ হাজার ৫৭২ দশমিক ৮৬ হেক্টর রড়্গিত বনভূমি ও ৪ হাজার ৩৫৭ দশমিক ৬৮ হেক্টর বেদখল বনভূমি রয়েছে। এছাড়াও বৃক্ষ শূণ্য জমি রয়েছে ২৫ হাজার ৯৭৮ দশমিক ৫১ হেক্টর।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগের অধীনে মোট বনভূমি রয়েছে ৪৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ৯১ হেক্টর। এসবের মধ্যে ৩৬ হাজার ৬০২ দশমিক শূণ্য ৫ হেক্টর সংরক্ষিত বনভূমি, ৭ হাজার ৫৭২ দশমিক ৮৬ হেক্টর রক্ষিত বনভূমি ও ৪ হাজার ৩৫৭ দশমিক ৬৮ হেক্টর বেদখল বনভূমি রয়েছে। এছাড়াও বৃক্ষ শূণ্য জমি রয়েছে ২৫ হাজার ৯৭৮ দশমিক ৫১ হেক্টর।
বৈঠকের তথ্য মতে, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে ৩০৯টি মঞ্জুরীকৃত পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ২২৮ জন, কক্সবাজার দড়্গিণ বন বিভাগে ৩০০টি মঞ্জুরীকৃত পদের বিপরীতে ২০৫ জন এবং উপকূলীয় বন বিভাগে কক্সবাজারে ৮০ জন কর্মরত রয়েছেন।
কক্সবাজারে বৈধ করাত কল রয়েছে ৩২টি। তবে অবৈধ করাত কলের সংখ্যা তারচেয়েও ৩ গুণ। বর্তমানে অবৈধ করাত কল রয়েছে ৮১টি।
প্রধান অতিথি হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেন, আন্তবিভাগীয় সহযোগিতা না পেলে বন বিভাগ একক ভাবে বন রক্ষা করতে পারবে না।
তিনি বলনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাম ও রাবার বাগান করা যেতে পারে। ঔষধি গাছের বনায়নও করা যেতে পারে।
গোল টেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারম্নক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট সলিম উলস্নাহ বাহাদুর, উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী, টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান শফিক মিয়া, উত্তর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল মনসুর, আওয়ামী লীগ নেতা নজরম্নল ইসলাম চৌধুরী, সহকারি বন সংরড়্গক রফিকুল ইসলাম, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন কোম্পানী, এনজিও কর্মকর্তা কানন পাল ও আবু মোর্শেদ চৌধুরী, সাংবাদিক মমতাজ উদ্দিন বাহারী প্রমূখ।
 Print    
- এক সপ্তাহে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে দুই দুর্ঘটনা: ৬ শ্রমিকের মৃত্যু 2009-10-13 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম ১৩ অক্টোবর (চিটাগাংটুডে ডটকম) : সীতাকুন্ডের পাকিজা শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে জাহাজ কাটার সময় দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৩ শ্রমিক। গত ৮ অক্টোবর শীতলপুরের কিস্টাল নামের অপর একটি শিপ ইয়ার্ডে দুর্ঘটনায় ৩ শ্রমিক নিহত হয়েছিল।
গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে তাঁরা মারা যান বলে জানিয়েছেন স্থানীয় শ্রমিকরা।
নিহতরা হলেন ইমরান (২৫), মোহাম্মদ ইসমাইল(২৬) ও মামুন (২৩)। এদের মধ্যে ইমরান সীতাকুন্ড উপজেলার শীতলপুর গামুরীতলা এলাকার কবির আহমদের পুত্র। অপর দুই জনের ঠিকানা জানা যায়নি।
মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে পাকিজা শীপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে একটি জাহাজ কাটার সময় গ্যাসে আক্রান্ত হয় তিন শ্রমিক ইমরান, ইসমাইল ও মামুন।
এদের মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইমরান। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইন চার্জ এএসআই জহির জানিয়েছেন, গ্যাস আক্রান্ত অপর দুইজনকে মুমুর্ষূ অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে দুপুর ১টার দিকে ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে শিপইয়ার্ড মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জাফর আলম সাংবাদিকদের বলেন, বেশ কয়েকটি নতুন শিপইয়ার্ড গড়ে ওঠায় অনেক অদক্ষ শ্রমিক চলে এসেছে এই সেক্টরে। তাদের ট্রেনিং দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে বলে আমার মনে হয়।
যোগাযোগ করা হলে পাকিজা শিপ ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কথা স্বীকার করলেও ঘটনাস্থলে কোন শ্রমিকের মৃত্যূর কথা অস্বীকার করেছে। ফৌজদারহাট থেকে কুমিরা পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলের ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অর্ধ শতাধিক শিপইয়ার্ড আছে। আর এতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা আনুমানিক পঞ্চাশ হাজার হবে বলে জানান এসোসিয়েশনের নেতারা।
 Print    
- চট্টগ্রাম থেকে বিশ্বের ৩৮টি গন্তব্যে যাত্রা শুরু করবে কুয়েত এয়ারওয়েজ 2009-10-08 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, অক্টোবর ০৭ (চিটাগাংটুডে ডটকম)-- কুয়েত এয়ারওয়েজ বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর নিউইয়র্কসহ বিশ্বের ৩৮টি গন্তব্যে যাত্রা শুরু করবে ।
বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে কুয়েত এয়ারওয়েজের সেলস ম্যানেজার (প্যাসেঞ্জার) সামিউর রাজ্জাক ফ্লাইট চালুর এ ঘোষণা দেন।
প্রথম দিকে সপ্তাহে শুক্র ও রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৫ টায় দুটি ফ্লাইট দিয়ে শুরু হবে এবং আগামীতে ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার এয়ারপোর্ট ম্যানেজার আবু আমিন চৌধুরী, সেলস ম্যানেজার (কার্গো) মনশুরুল হক ভূইয়া
সামিউর রাজ্জাক বলেন, "গত ২৮ বছর ধরে কুয়েত এয়ারওয়েজ ঢাকা থেকে সফলভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আরও উন্নতমানের যাত্রী সেবার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৩০ অক্টোবর বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম থেকে বিশ্বের ৩৮টি গন্তব্যে যাত্রা শুরু করবে।"
তিনি জানান, বাংলাদেশের পুরস্কারপ্রাপ্ত সার্ফার জাফর আলমকে কুয়েত এয়ারওয়েজ ব্র্যান্ড অ্যামবাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করেছে। সামিউর আরও বলেন, "আমরাই প্রথম এয়ারবাসের মাধ্যমে ফুল সার্ভিস নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছি। এতে অপার সম্ভাবনার শহর চট্টগ্রামে একদিকে যেমন বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে, অন্যদিকে তেমনি পর্যটন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করবে।"
 Print    
- বাংলাদেশের মতো পাহাড় কাটার ঘটনা পৃথীবির কোথাও নেই 2009-10-04 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
শনিবার চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের মতো পাহাড় ধ্বংসের ঘটনা পৃথীবির কোথাও নেই। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও চট্টগ্রামকে বাস যোগ্য রাখতে হলে অবিলম্বে এখানকার পাহাড়গুলো রক্ষা করার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপা), নওজোয়ান ও সুখী বাংলা ফাউন্ডেশন এই সেমিনারের আয়োজনে করেছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেরিন সায়েন্স ও ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সাহাদাত হোসেন।
প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক আবদুস সোবহান বলেন, সারা বিশ্বে বরফ গলার কারণে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়েই চলেছে। এতে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও আঞ্চলিকভাবে জোরালো প্রতিরোধ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ কি রকম ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের কি করণীয় তার ধারণা দেন অধ্যাপক সাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ রক্ষা ও গাছ রোপণ করা দরকার।
অধ্যাপক সেকান্দর খান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএ এবং সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম গড়তে হবে। তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের কারণে জলবায়ু পরিবতৃন হচ্ছে আর আমরা কষ্ট ভোগ করছি। তাদের কাছে দান নয়, আমরা ক্ষতিপূরণ চাইবো।
বক্তব্য রাখেন, পরিবেশবিদ প্রকৌশলী আলী আশরাফ, চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম।
 Print    
- ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী 2009-07-13 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম জুলাই১২(চট্টগ্রাম টুডে ডটকম)চট্টগ্রাম উপকূলের সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প প্রতিদিনই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। যারফলে উপকূলীয় এলাকার প্রান ো সম্পদের উপর সামুদ্রিক দুর্যোগের হুমকী ক্রমেই বাড়ছে। বন বিভাগসহ সঙশ্লিষ্টরা আশংকা করছেন এভাবে চলতে থাকলে একদিন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা অতি মূল্যবান উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপকূলে সবুজ বেষ্টনীর হাজার হাজার কেওড়া গাছ কেটে ফেলেছে শিপ ইয়ার্ড মালিকেরা।প্রতিবছরই নানা অজুহাতে এভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে সবুজ বেষ্টনী। এপ্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এম খালেক খান বলেন, আদালতের আদেশ এবং নানা কারনে নিয়মিত গাছ কাটা হচ্ছে। ভূমি বিরোধ এবং উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে সচেতনতা না থাকায় সবুজ বেষ্টনী রক্ষা করা কষ্টকর হয়ে পড়ছে।এই ভাবে গাছ কাটার কারণে বেড়ি বাধের সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী এভাবে ধ্বংসের কারণে পরিবেশ বিপটর্যয় ও বেড়িবাধ ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপকূলীয় বনবিভাগের নানা সীমাবদ্ধতার কারনে এই বন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছেনা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় সীতাকূন্ডে গাছ কাটার ঘটনায় বন বিভাগের কর্মর্তারা মামলা দিতে গেলেও পুলিশ গড়িমসি শুরু করে। হাইকোর্টের আদেশ নিয়ে গাছ কাটায় পুলিশ এবং উপজেলা প্রসাশন থেকেও কোন ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি।
উপকূলীয় এলাকার মানুষরা জ্বালানী কিংবা ঘরের খুটি হিসেবে ব্যাবহারে জন্য প্রতিনিয়ত গাছ কেটে নিয়ে যায় সরকারে মালিকানাধীন এই বন থেকে। সবুজ বেষ্টনী ধ্বংস হয়ে যাৌয়াতে সীতাকূন্ডের সোনাইছড়ি ইয়ার্ড সংলগ্ন পাকা মসজিদ এলাকায় ইতিমধ্যে বেড়িবাধের কিছু অংশ ভেঙ্গে গেছে। পূর্নিমার জোয়ারে এই বাধ উপচে পানি ঢোকে বলে জানায় স্থানীয় লোকজন। সোনাইছড়ি পাকামসজিদ এলাকার মো. জাহাঙ্গীর জানান এখানে আগে অনেক গাছ ছিল আস্তে আস্তে সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছ কাটার ঘটনায় প্রায়ই বন বিভাগ থানায় থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় এবং গাছ কাটা বন্ধ করার জন্য পুলিশের সহায়তা চাোয়া হয়। কিন্তু আদালতের রায় থাকায় পুলিশ কোন ব্যাবস্থা নেয়নি।
গত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কয়েক দফায় বেড়ী বাধের সবুজ বেষ্টনীর গাছ কেটে অন্তত সাতটি শিপ ইয়ার্ড করা হয়।এইভাবে বন ধ্বংস করে শিপ ইয়ার্ড নির্মাণের সাথে রাজনৈতিক নেতা এলাকার প্রভাবশালীরা এবং চট্টগ্রামের নামীদামী ব্যবসায়ীরা জড়িত বলে জানা গেছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগ থাকলে সবুজ বেষ্টনীর গাছ রক্ষা করা যেত বলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান।
সীতাকূন্ডের সোনাইছড়ি এলাকা নিয়ে দেয়া আদালতের আদেশে ভুমি ব্যাবহারের কথা থাকলেও গাছ কাটা সংক্রান্ত কোন স্পষ্ট নিদের্শনা নেই।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রেজওয়ানা হক বলেন ‘এই জুমিগুলো ব্যাক্তি মালিকানাধীন নয়। ব্যাক্তিমালিকানা হলে ইজারা নেওয়ার প্রশ্ন আসছে কেন্? উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী বন বিভাগের মালিকানাধীন। আর ভুমি ব্যাবহার করতে পারবে মানে এই নয় যে গাছ কাটতে পারবে। বন বিভাগের আইনের মধ্যে থেকেই ভুমি ব্যাবহার করতে হবে।
এর আগে বেলার একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসে সোনাইছড়ি এলাকার নির্মনাধীন পাচটি শিপ ইয়ার্ড প্রতিষ্ঠানকে গাছ কাটার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর আগে বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় কক্সবাজারের মহেশখালীতে কয়েকশত হেক্টর উপকূলীয় বন আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে চিংড়ি প্রকল্প্র এবং লবন চাষের জন্য। পরে বন বিভাগ সেখানকার দখলদারদের উচ্ছেদ করেছে কিন্তু পরবর্তীতে সেই জমি আবার বেদখল হয়ে যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনাঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এমএ খালেক খান বলেন ‘বন ও পরিবেশ এবং ভুমি মন্ত্রনালয়ের পৃথক পরিপত্রে নতুন জেগে ওঠা চরের মালিক বন বিভাগ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী বন বিভাগ ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট সৃজন করেছে। তবে যত দিন রিজার্ভ ফরেষ্ট না হচ্ছে ততদিন এই জমির রেকর্ড বন বিভাগের নামে হবে না।তবে এটা কোন ব্যাক্তির নামেও থাকতে পারবে না।’ ১৯৯০ সালের ‌‌সেপ্টেম্বরে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে ‘সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে যে উপকূলীয় অঞ্চলে নতুন জেগে ওঠা চরভুমি, বনায়নের উপযোগী হলে সে জমি ২০ বছর মেয়াদের জন্য সর্বপ্রথম বন অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করতে হবে।’ আবার ভুমি মন্ত্রনালয়ের ১৯৯৮ সালের অপর এক পরিপত্রে বলা হয়েছে ‘বনভুমি হিসেবে নোটিফিকেশনকৃত এলাকার কোন খসজমি অথবা সরকারের বিদ্যমান বননীতি অনুযায়ী বনায়নের জন্য বনবিভাগের প্রয়োজন এমন কোন এলাকার খাসজমি ভুমি মন্ত্রনালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের মতামত ব্যাতিত কোন প্রকার ইজারা বা বন্দোবস্ত করা যাবে না।’
 Print    
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions