| English Version |
Subscription - Advertisement |
|
|
| Sunday 05 September 2010 |
| রোববার - ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ - ২১ ভাদ্র ১৪১৭ - ২৫ রমজান ১৪৩১ |
|
সর্বশেষ শিরোনাম  |
|
|
|
| - ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে |
2010-08-24 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম ,আগস্ট ২৩(চিটাগাংটুডে ডটকম) ২০১২ সালের শেষ নাগাদ চট্টগ্রাম ওয়াসা মহানগরীর পানির চাহিদা পূরণে অনেকটা সক্ষম হবে চট্টগ্রাম ওয়াসা। ২০১২ সালে মহানগরীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরিমান এবং সে বৃদ্ধির অনুপাতে পানির চাহিদাকে মাথায় রেখে পরিকল্পনা গ্রহন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সোমবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমের সাথে চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এ.কে.এম. ফজলুল্লাহ এক বৈঠকে এ তথ্য জানান। বৈঠকে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, বর্তমানে মহানগরীর পানির চাহিদা দৈনিক ৫০ কোটি লিটার হলেও ওয়াসা সরবরাহ করতে পারছে মাত্র ২২ কোটি লিটার। মহানগরীর উঁচু নিচু প্রতিটি ওয়ার্ডে যাতে নিরিবিচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ করা ওয়াসার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। মেয়রের অফিসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শফিউল্লাহ, সদস্য প্রশাসন মোঃ আবদুল আউয়াল, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও বেশ কয়েকজন কাইন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিটি মেয়র জনাব মনজুর আলম বলেন,চট্টগ্রাম মহানগরীর অধিকাংশ ওয়ার্ডে পানির তীব্র সংকট রয়েছে। এ সংকটের কারণে মানুষকে নানা দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি পানির সরবরাহ বৃদ্ধি করে এ সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওয়াসার চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানান। মনজুর আলম চট্টগ্রাম ওয়াসার গৃহীত পানি সরবরাহ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও স্যানিটেশন প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন ড্রেনে স্থাপিত ওয়াসার পাইপ লাইনগুলোতে আবর্জনা আটকানোর ফলে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি যৌথ সার্ভের মাধ্যমে এই পাইপলাইনগুলো সরানোর জন্য প্রস্তাব করলে ওয়াসার চেয়ারম্যান তা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান। মেয়র রমজান মাসে এবং দূর্যোগপূর্ণ যে কোন জরুরী পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মতো চট্টগ্রাম ওয়াসাকেও ভাউচারের মাধ্যমে পানি সরবরাহের উদ্যোগ নেবার পরামর্শ দেন। বৈঠকে ওয়ার্ড কাউন্সিলারগণ তাদের এলাকার পানি সংকটের নানা সমস্যা তুলে ধরেন। ওয়াসার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জনাব এ.কে.এম. ফজলুল্লাহ বলেন,চট্টগ্রাম মহানগরীতে পানির চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও দীর্ঘ ২৩ বৎসর পানি উৎপাদন ও সরবরাহে কোন প্রকল্প নেওয়া হয়নি। ফলে এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন বর্তমানে চট্টগ্রাম ওয়াসা সরকারী ও দাতা সংস্থার সহযোগিতায় বেশ কয়েকটি প্রকল্প বাসত্মবায়ন করছে। এই প্রকল্পগুলো চালু হলে মহানগরীর কোন ওয়ার্ডেই পানির সংকট থাকবে না। ওয়াসা চেয়ারম্যান বলেন- তৃতীয় অন্তবর্তীকালীন পানি সরবরাহ ও জরুরী পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করে নগরীর পানি সংকট এলাকায় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়াও চিটাগাং ওয়াটার সাপস্নাই ইমপ্রম্নভমেন্ট এন্ড স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩ কোটি ৬০ লক্ষ লিটার পানি শোধনের কাজ শুরু হয়েছে এবং মদুনাঘাট পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ৪ কোটি লিটার পানি শোধন প্রকল্পে অর্থ সরবসাহ করার জন্য গত ২৬ জুলাই বিশ্ব ব্যাংকের সাথে চুক্তি সাক্ষর হয়েছে। এ প্রকল্পগুলো চালু হলে প্রায় ১৮ কোটি লিটার পানি ওয়াসার পাইপলাইনে যুক্ত হবে। তিনি নগরীর পানি সরবরাহের লক্ষে ওয়াসার গৃহীত প্রকল্প বাসত্মবায়ন ও অন্যান্য কাজে সিটি মেয়রের সহযোগিতা কামনা করেন। |
| |
|
| - কাফকোর গ্যাসে চট্টগ্রামে দুটি বিদ্যুত কেন্দ্র চালু হয়েছে |
2010-08-13 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, আগষ্ট ১৩,(চিটাগাংটুডে ডটকম) কাফকোর গ্যাস বন্ধ করে দিয়ে অবশেষে রাউজান ও শিকলবাহা তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র চালু করা হয়েছে শুক্রবার থেকে।ফলে এই দুই বিদ্যুত কেন্দ্রে পুনরায় উতপাদন শুরু হওয়াতে শুক্রবার চট্টগ্রামে বিদ্যুত সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পিডিবি সূত্র জানায় , চট্টগ্রামে গ্যাসভিত্তিক তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য মোট ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। কিন্তু গ্যাস সরবরাহ না্ থাকায় এই কেন্দ্রগুলো একপ্রকার বন্ধ ছিল অনেক দিন ধরে। শুক্রবার কাফকোর গ্যাস বন্ধ করে দেওয়াতে পাওয়া গেছে মাত্র ৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।তাতে চট্টগ্রামের কেন্দ্রগুলোতে ৫০৬ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে। এছাড়া গ্যাসের অভাবে নবনির্মিত শিকলবাহা ১৫০ মেগাওয়াটের পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু করা যাচ্ছেনা। চট্টগ্রামের কর্ণফুলি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড(কাফকো) বন্ধ করে ওই কারখানার বরাদ্দকৃত গ্যাস দিয়ে পুনরায় রাউজান ও শিকলবাহা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এতে চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুক্রবার অতিরিক্ত ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় শুক্রবার দিনের বেলায় চট্টগ্রামে কোন লোডশেডিং করা হয়নি।
জানা যায়, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সরকারের সিদ্ধান্তে বৃহস্পতিবার রাতে কাফকো বন্ধ করে দেওয়ার পর শুক্রবার থেকে চট্টগ্রামের শিকলবাহা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রাউজান তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট পুনরায় উৎপাদনে যায়। এর আগে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এই দুটি বিদ্যুকেন্দ্র বন্ধ ছিল। ফলে বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল জনজীবন। এ প্রসঙ্গে পিডিবি চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ কেন্দ্র) মোহাম্মদ আবু তাহের জানান, ‘কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আমরা আরো ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেয়েছি, এতে চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আজ শুক্রবার অতিরিক্ত ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। তাই চট্টগ্রামে কোনো লোডশেডিং করা হয়নি।’ চাহিদার পুরো গ্যাস পাওয়া গেলে চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো বলে তিনি দাবি করেন। |
| |
|
| - বকেয়া বিদ্যুত বিল নিয়ে সিসিসি- পিডিবি সমঝোতা |
2010-07-23 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, জুলাই ২৩ (চিটাগাংটুডে ডটকম) বকেয়া বিদ্যুত বিল নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এর মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিসিসি তে মেয়র মনজুর আলমের সাথে পিডিবির চট্টগ্রামের পদস্থ কর্মকর্তাদের বৈঠকে এই সমঝোতা হয়। সমঝোতা অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দুই কিস্তিতে সড়ক বাতির বকেয়া পরিশোধ করা হবে এবং এখন থেকে প্রতি মাসের বিল পরবর্তী মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। সিসিসি সূত্রে জানা গেছে, মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমের সাথে পিডিবির এই বৈঠকে জানানো হয় যে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বকেয়া বিলের অজুহাতে সিটি কর্পোরেশনের কোন অফিস বা স্থাপনার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করবে না। সময় মত সিটি কর্পোরেশন পিডিবির বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যবস্থা নেবে। কয়েক দিন আগে বকেয়া বিল আদায়ের লক্ষ্যে পিডিবি সিসিসি ভবনের বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বৃহস্পতিবার সকালে সিসিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পিডিবি চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী সুজিত চাকমা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জনাব মিন্টু রঞ্জন চৌধুরী, অতিরিক্ত পরিচালক জনাব বাসেকুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ হারম্নন, সহকারী প্রধান প্রকৌশলী সামিনা বানু, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনজুর-ই-ইলাহী, প্রধান প্রকৌশলী আবুল হাসনাত, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহফুজুল হক, সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল বারী উপস্থিত ছিলেন। সভায় মেয়র মনজুর আলম বলেন, জুন ২০১০ পর্যন্ত সড়ক বাতির বিদ্যুৎ বিলের মোট প্রায় ৪ (চার) কোটি টাকা বকেয়ার মধ্যে আগষ্ট মাসে এর অর্ধেক এবং ডিসেম্বর মাসে অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করা হবে। এছাড়া তিনি বর্তমান সময় থেকে প্রতিমাসের বিল পরবর্তী মাসে পরিশোধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। সভায় বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের উপর সারচার্জ মওকুফের জন্য মন্ত্রণালয়ে পত্র দেবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান করে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ও সুন্দর সম্পর্ক স্থাপনে উদ্যোগ নেয়ায় মেয়রকে ধন্যবাদ জানান। |
| |
|
| - পিডিবির ডিজিটাল মিটার নিয়ে চট্টগ্রামে গ্রাহকদের ভোগান্তি |
2010-07-03 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, জুলাই ৪,(চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ডিজিটাল মিটার প্রতিস্থাপন করা নিয়ে নানা ধরনের হয়রানি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকরা। মিটার রিডিং জালিয়াতি, বিদ্যুতের চুরি ও অপব্যবহার ঠেকাতে এই ডিজিটাল মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৬২ হাজার ৩৩১টি ডিজিটাল মিটার স্থাপন করা বলে পিডিবি সূত্রে জানা গেছে। অতিরিক্ত ও ভূতুডে বিদ্যুৎ বিলের ভার, লোডশেডিং থেকে রক্ষা পেতে আবাসিক এলাকা ও বিভিন্ন ব্যবসা কেন্দ্রে জেনারেটরসহ বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে এমনিতেই সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারপরও এ্যানালগ মিটারের রিডিং ঘাপলা ও বাড়তি বিল দেয়া থেকে রক্ষা পেতে গ্রাহকরা ডিজিটাল মিটার স্থাপনে আগ্রহী হয়ে উঠছে। কিন্তু সার্ভিস চার্জ (মিটার বদলানো) এর নামে পিডিবি কর্র্মচারীরা হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ৫টি অঞ্চলে বর্তমানে পিডিবির এ্যানালগ মিটার রয়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার ১টি। প্রতিটি ডিজিটাল মিটারের দাম ১ হাজার ৩শ থেকে ১ হাজার ৫শ টাকা। সাধারণ গ্রাহকরা কিছু টাকা সাশ্রয়ের জন্য এবং মিটার প্রতিস্থাপনকারী পিডিবির লোকদের পরামর্শে ১৩শ টাকা দামের ডিজিটাল মিটার কিনছে খোলা বাজার থেকে। পিডিবি চট্টগ্রামকে প্রশাসনিক ও বিতরণ সুবিধার জন্য ৫টি সার্কেলে ভাগ করেছে। সার্কেলগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রাম পূর্ব, চট্টগ্রাম পশ্চিম, চট্টগ্রাম উত্তর, চট্টগ্রাম দক্ষিন-কক্সবাজার পর্যন্ত এবং রাঙ্গামাটি। রাঙ্গামাটি সার্কেলে রাঙ্গামাটি, নসহ তিন পার্বত্য জেলাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম পূর্ব সার্কেলে এ্যানালগ মিটারের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৫৬০টি। পশ্চিম সার্কেলে ১ লাখ ৪১ হাজার ২৪টি, উত্তর সার্কেলে ৬৩ হাজার ৬১৯টি , দক্ষিণ সার্কেলে ৫৮ হাজার ১৯৪টি এবং রাঙ্গামাটি সার্কেলে রয়েছে ৪৬ হাজার ৬০৪টি এ্যানালগ মিটার। পিডিবির চট্টগ্রামের এই পাঁচটি সার্কেলে সর্বমোট এ্যানালগ মিটারের সংখ্যা হচ্ছে ৪ লাখ ৪০ হাজার ১টি। এক হিসেবে এই বিপুল সংখ্যক এ্যানালগ মিটারের স্থলে ডিজিটাল মিটার প্রতিস্থাপনে শুধুমাত্র মিটার কেনা বাবদ গ্রাহকের পকেট থেকে ব্যয় হচ্ছে ৫৭ কোটি ২০ লাখ ১ হাজার ৩শ টাকা। প্রতিস্থাপনে আর কাজের এ্যানালগ মিটার পরিবর্তন করে ডিজিটাল মিটার স্থাপন কাজে যুক্ত পিডিবি কর্মীদের জন্য মিটার প্রতি ব্যয় হচ্ছে গড়ে ৩’শ টাকা। কোন ক্ষেত্রে আরো বেশিও দিতে হচ্ছে। এই হিসেবে দেখা গেছে ৪ লাখ টাকা। এই হিসেবে দেখা যাচ্ছে,৪০ হাজার ডিজিটাল মিটার প্রতিস্থাপনে শুধুমাত্র পিডিবি কিংবা টেকনিশিয়ানদের জন্য ব্যয় হচ্ছে ১৩ কোটি ২০ লাখ ৩’শ ডিজিটাল মিটার প্রতিস্থাপনে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে পিডিবি টেকনেশিয়ানদের টাকা আদায়ের বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী সুজিত চাকমা জানিয়েছেন, মিটার স্থাপনের জন্য টাকা নেওয়ার সিস্টেম নেই। পিডিবি নিজের স্বার্থে এ মিটার স্থাপন করে দিবে। কারো ব্যাপারে টাকা নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসাথে গ্রাহকরা নিজেদের কাজ দ্রুত এবং ভালভাবে করিয়ে নেওয়ার জন্য পিডিবির কর্মীদেরকে টাকা দিচ্ছে বলেও তিনি জানান। |
| |
|
| - ১০ টি ইউনিটের ৭ টিই বন্ধ চট্টগ্রামে বিদ্যুত উৎপাদনে ধস |
2010-06-30 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম জুন ৩০ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) চট্টগ্রামে বিদ্যুত সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। দিন-রাতের প্রায় অর্ধেক সময়ই বিদ্যুত থাকছে না। লোড শেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। দিনের চেয়ে রাতেই এখন লোড শেডিং বেশি হচ্ছে। বিদ্যুত সংকটের কারনে নির্বিঘ্নে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে পারছেন না চট্টগ্রামের বেশিরভাগ মানুষ। পিডিবির হিসাব অনুযায়ি,প্রতিদিন অফ পিক আওয়ারে ১০০ থেকে ১৫০ এবং পিক আওয়ারে ২৫০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুত ঘাটতি থাকছে চট্টগ্রামে। বাস্তবে এই ঘাটতি আরো বেশি। চট্টগ্রামে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা দিনের বেলা ৫০০ এবং রাতে ৬৫০ মেগাওয়াট বলে পিডিবি সূত্রে জানা গেছে। গ্যাস চালিত বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকা এবং কাপ্তাই পানি বিদ্যুত প্রকল্পের ৩ টি ইউনিট বন্ধ থাকায় স্থানিয় বিদ্যুত উৎপাদনে ধস নেমেছে। তাই পিডিবিকে প্রতিদিন তাকিয়ে থাকতে হয় জাতীয় গ্রিড লাইনের দিকে। জাতীয় গ্রিড থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুত পাওয়া যায় তাও যথেষ্ট নয়। তবু জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতই এখন প্রধান ভরসা। পিডিবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনসংযোগ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, বুধবার কাপ্তাই পানি বিদ্যুত কেন্দ্রের ২ টি ইউনিট থেকে ৯৫, রাউজান তাপ বিদ্যুত কন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট থেকে ১০০ বেসরকারি বিদ্যুত কেন্দ্র রিজেন্ট পাওয়ার থেকে ২০ ও শিকলবাহা রেন্টাল থেকে ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুুত পাওয়া যায়। এর বাইরে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ করা হয় ১৯০ মেগাওয়াট। সব মিলিয়ে মোট ৪১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুত পাওয়া যায়। স্থানিয় লোকজন জানান, নগরীর লালখান বাজার, আগ্রাবাদ, চকবাজার, মুরাদপুর, আতুরার ডিপো, শুলকবহর,বাকলিয়া, চান্দগাঁও, হালিশহরসহ নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুত থাকে না। বিদ্যুতের অভাবে রাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচ নির্বিঘ্নে দেখা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে রাত ৮ টার ম্যাচ চলাকালেই লোডশেডিং বেশি হচ্ছে বলে এসব এলাকার লোকজন জানিয়েছেন। একটানা এক দেড় ঘন্টার বেশি বিদ্যুত থাকছেনা নগরীর কোন এলাকাতেই। একবার গেলে দুই তিন ঘন্টা পরও বিদ্যুত আসে না। কোথাও কোথাও ঘন্টায় তিন/চারবার বিদ্যুত আসা যাওয়া করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪ টি সরকারি বিদ্যুত কেন্দ্রের মোট ১০ টি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে চালু আছে মাত্র ৩ টি ইউনিট। বাকি ৭ টিই বন্ধ রয়েছে। রাউজান তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি , শিকলবাহা ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্র এবং শিকলবাহা ৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্রের ২ টি ইউনিট গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। কাপ্তাই পানি বিদ্যুত কেন্দ্রের ৫ টি ইউনিটের মধ্যে দুটি ইউনিট ওভারহলিংয়ের জন্য ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এখানকার সচল তিনটি ইউনিটের একটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে বন্ধ হয়ে গেছে গত ২৫ জুন থেকে। বাকি দু’টি ইউনিটে বর্তমানে ৮০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুত উৎপাদিত হচ্ছে।
|
| |
|
| - ক্ষুদ্র বিদ্যুত কেন্দ্র : আলোকিত হচ্ছে বরকল |
2010-06-24 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
মোহাম্মদ ইলিয়াছ/রাঙ্গামাটি, জুন ২৪,(চিটাগাংটুডে ডটকম) এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে রাঙ্গামাটি জেলার দূর্গম পাহাড়ী উপজেলা বরকল এলাকায় বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে উঠছে ক্ষুদ্র জল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এটি শুধু রাঙ্গামাটির জন্য নয়, হতে পারে সমগ্র দেশের জন্য মডেল হবে বলে উদ্যোক্তারা মনে করছেন। অনটেক নামক একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ ভাবে স্থানীয় বিডিআর কর্তৃপক্ষ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। আগামী এক দুই মাসের মধ্যে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন শুরু করবে বলে সংশি¬ষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২শ কিলো ওয়াট নির্ধারণ করা হলেও এটি ১মেগাওয়াট বিদ্যূৎ উৎপাদন করবে। সম্প্রতি এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন বরকল ২৬ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল সৈয়দ সাইয়েদিন সাকলাইন পিএসসি। এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাইভেট বিদ্যৎ উৎপাদন কর্তৃপক্ষ অনটেক পাওয়ারে প্রধান নজরুল ইসলাম নান্নু, ২৬রাইফেলস এর উপ অধিনায়ক মেজর৬মো: হান্নান খান, ২৬ রাইফেলস এর ইপসহকারী পরিচালক জামাল উদ্দীস আহমেদ, বরকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুদ্দীন আহমেদ ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তা অনটেক পাওয়ারের প্রকৌশলীবৃন্দ। দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে থাকা বরকল উপজেলায় বিদ্যূৎ সরবরাহের জন্য অনটেক কর্তৃপক্ষ দু’পাহাড়ের মাঝখানে বাধ দিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে করছে। উৎপাদনের শুরুতে ২৬ রাইফেল ব্যাটালিনে ও সরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এর পর ধাপে ধাপে গ্রাম গুলোকে বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হবে। তাদের উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যূতের মূল্য ১৭টাকা বলে জানান। তবুও পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষের কথা বিবেচনা করে বিদ্যুতের এ মূল্য সহনীয় অবস্থানে রাখার বিষয়টি তাদের বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও জানান অনটেক পাওয়ার । এক কোটি ৩০লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন এ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে উপজেলার প্রায় তিন’শতাধিক পরিবার বিদ্যূতায়নের আওতায় আসবে। জলবিদ্যূৎ উৎপাদনের জন্য তৈরী ডেমের সেচ সুবিধা ভোগ করবে এলাকার প্রায় ২শ’ কৃষক পরিবার। এ ব্যপারে অনটেক পাওয়ারের প্রধান নজরুল ইসলাম নান্নু বলেন, দেশের ক্রমবর্ধ্বমান বিদ্যূৎ চাহিদা পূরণে এটি একটি মডেল। বিডিআরের সাথে যৌথভাবে এ উদ্যোগ গ্রহন করে আমরা পথ দেখিয়ে দিলাম। আন্তরিকতা এবং সমন্বয় থাকলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরণের উদ্যোগ নিলে আগামীতে দেশের বিদ্যমান বিদ্যূৎ সমস্যা সমাধান সম্ভব। |
| |
|
| - চট্টগ্রামে আগামী মাসে ২ টি বিদ্যুত কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হচ্ছে |
2010-04-27 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, এপ্রিল ২৭ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) চট্টগ্রামে আগামী মে মাস থেকে আনুষ্ঠানিক উৎপাদন শুরু করছে দু’টি বিদ্যুত কেন্দ্র। এ দুটি কেন্দ্র থেকে পাওয়া যাবে ২০৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত। কেন্দ্র দুটি চালু হলে চট্টগ্রামের চলমান লোড শেডিংয়ের পরিমাণ কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন শিকলবাহা পিকিং প্লান্ট আগামী মাসের মাঝামাঝি সময় উদ্বোধন করা হবে। কেন্দ্রটি চালুর সকল প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। এ কেন্দ্রের সবচে বড় সুবিধা হল এটি ডুয়েল ফুয়েল চালিত অর্থাৎ গ্যাস এবং ফার্নেস অয়েল-এই দুই ধরনের জ্বালানী দিয়েই চালানো সম্ভব। শিকলবাহা বিদ্যুত কেন্দ্রের ম্যানেজার মিলন কান্তি দাস জানান, ১২ মে পিকিং প্লান্ট উদ্বোধন করা হতে পারে। ওদিকে ফার্নেস অয়েল চালিত ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন শিকলবাহা রেন্টাল বিদ্যুত কেন্দ্র গত কয়েকমাস ধরে পরীক্ষামুলকভাবে বিদ্যুত উৎপাদন করে আসছে। সর্বোচ্চ ৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুত উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে এ কেন্দ্র থেকে। তবে কেন্দ্রটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেনি। আগামী মাসে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে পারে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য চট্টগ্রামে বিদ্যুতের মোট চাহিদা বর্তমানে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোয় ২৫০ থেকে ৩৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমানে রাউজান তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রের দুটি ইউনিট , শিকলবাহা রেন্টাল এবং বেসরকারি বিদ্যুত কেন্দ্র রিজেন্ট থেকে বিদ্যুত উৎপাদন হচ্ছে। গ্যাসের অভাবে বন্ধ রয়েছে শিকলবাহা ৬০ মেগাওয়াট ও শিকলবাহা বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুত কেন্দ্র। পানির স্তরের উচ্চতা কমে যাওয়ায় কাপ্তাই পানি বিদ্যুত কেন্দ্রেও উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। |
| |
|
| - কর্ণফুলী গ্যাস সিষ্টেম লিমিটেড চালুসহ চট্টগ্রামে গ্যাস সংযোগ দেয়ার দাবী ব্যবসায়ীদের |
2009-10-06 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম ৫ অক্টোবর, (চিটাগাংটুডে ডটকম) কর্ণফুলী গ্যাস সিষ্টেম লিমিটেডের কার্যক্রম শুরু সহ অবিলম্বে চট্টগ্রাম অঞ্চলের আবেদন করা সকল বানিজ্যিক ও আবাসিক গ্রাহককে গ্যাস সংযোগ দেয়ার দাবী জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট ইনচার্জ এম এ ছালাম।সোমবার তিনি বাখরাবাদ গ্যাস সিষ্টেম ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সাথে মতবিনিময় সভায় এই দাবী জানান। চেম্বার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় এম এ ছালাম বলেন, গ্যাস সংযোগ বন্ধে পেট্রো বাংলার অযৌক্তিক সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিল্পায়ন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে। সে সাথে বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের আবাসিক গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়বে। তিনি বলেন গ্যাসের অভাবে চট্টগ্রামে শতাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু হচ্চেনা। ফলে আটকা পড়েছে বিপুল অংকের বিনিয়োগ।অবিলম্বে এই পরিস্থির অবসানে কার্যকর পন্থা বের করার জন্য তিনি সরকারকে পরামর্শ দেন। এম এ ছালাম বিদ্যুতের পয়াপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার আহবান জানিযে বলেন, চট্টগ্রামের শিল্পায়ন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে।
সভায় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চেম্বার সহ সভাপতি শফিউল হক, সাহাব উদ্দীন আহমদ, এস এম মাহবুবুল ইসলাম, এমদাদুল হক চৌধুরী, চেম্বার পরিচালক ওয়াসিউর রহমান চৌধুরী, বেনজীর চৌধুরী নিশান, আলমগীর পারভেজ প্রমুখ।
বৈঠকে ঠিকাদার কল্যান সমিতির সভাপতি আলহাজ্জ একরাম চৌধুরী গ্যাস সংযোগ বন্ধের সরকারের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বাতিল করতে কার্যকর উপায় বের করাসহ প্রযোজনীয় দিক নিদেৃশনা দেয়ার জন্য চট্টগ্রামের ব্যাবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন চট্টগ্রাম চেস্বারের প্রতি আহবান জানান। |
| |
|
| - রমজানে চট্টগ্রামে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ |
2009-08-04 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
আসন্ন রমজানে চট্টগ্রামে লোডশেডিং কমিয়ে আনতে পিডিবির স্থানীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান এ এস এম আলমগীর কবির। আসন্ন রমজানে বিদ্যুত সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতির জন্য সরবরাহ লাইন মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষনের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ ও দেন তিনি।
পিডিবি চেয়ারম্যান সোমবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিদ্যুত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বিতরন বিভাগ চট্টগ্রাম দক্ষিনের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। আগ্রাবাদস্থ পিডিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় কর্মকর্তারা বিভিন্ন সাব ষ্টেশন এবং সরবরাহ লাইনের ত্রুটির কথা উল্লেখ করেন পাশাপাশি চট্টগ্রাম অঞ্চলে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়টি তুলে ধরেন। আগ্রাবাদস্থ পিডিবি চট্টগ্রা অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় কর্মকর্তারা বিভিন্ন সাব ষ্টেশন এবং সরবরাহ লাইনের ত্রুটির কথা উল্লেখ করেন পাশাপাশি চট্টগ্রাম অঞ্চলে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়টি তুলে ধরেন। তবে চেয়ারম্যান এতে আত্মতৃপ্তিতে না ভূগে আরো বেশি রাজস্ব আদায়ের পরামর্শ দেন বলে পিডিবি সূত্র জানিয়েছে। এই বৈঠকে বিতরন বিভাগ দক্ষিনের কর্মকর্তারা ছাড়াও চট্টগ্রাম অঞ্চলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
| |
|
| - রমজানে চট্টগ্রামে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ |
2009-08-03 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
আসন্ন রমজানে চট্টগ্রামে লোডশেডিং কমিয়ে আনতে পিডিবির স্থানীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান এ এস এম আলমগীর কবির। আসন্ন রমজানে বিদ্যুত সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতির জন্য সরবরাহ লাইন মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষনের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ ও দেন তিনি। পিডিবি চেয়ারম্যান সোমবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিদ্যুত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বিতরন বিভাগ চট্টগ্রাম দক্ষিনের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। আগ্রাবাদস্থ পিডিবি চট্টগ্রা অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় কর্মকর্তারা বিভিন্ন সাব ষ্টেশন এবঙ সরবরাহ লাইনের ত্রুটির কথা উল্লেখ করেন পাশাপাশি চট্টগ্রাম অঞ্চলে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়টি তুলে ধরেন। তবে চেয়ারম্যান এতে আত্মতৃপ্তিতে না ভূগে আরো বেশি রাজস্ব আদায়ের পরামর্শ দেন বলে পিডিবি সূত্র জানিয়েছে।
এই বৈঠকে বিতরন বিভাগ দক্ষিনের কর্মকর্তারা ছাড়াও চট্টগ্রাম অঞ্চলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। |
| |
|
| - গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, গঠিত হচ্ছে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল |
2009-08-01 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
গ্যাসের নতুন মূল্যে গৃহস্থালি খাতে এক চুলার ক্ষেত্রে ৩৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ টাকা, দুই চুলার ক্ষেত্রে ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫০ টাকা করা হয়েছে। মিটারভিত্তিক গৃহস্থালি সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪৩ দশমিক ২৫ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের মূল্য বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ৭৩ দশমিক ৯৮ টাকা থেকে ৭৯ দশমিক ৮২ টাকা, সার কারখানার জন্য ৬৩ দশমিক ৪১ টাকা থেকে ৭২ দশমিক ৯২ টাকা, ক্যাপটিভ ও ক্ষুদ্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ১০৫ দশমিক ৫৯ টাকা থেকে ১১৮ দশমিক ৩৬ টাকা, শিল্প কারখানা ও চা বাগানের জন্য ১৪৮ দশমিক ১৩ টাকা থেকে ১৬৬ দশমিক ৯১ টাকা, বাণিজ্যিক সংযোগের জন্য ২৩৩ দশমিক ১২ টাকা থেকে ২৬৮ দশমিক ০৯ টাকা করা হয়েছে। বিইআরসি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত আদেশে বলেছে, ২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কমিশনের আদেশের সূত্র ধরে মূল্য বৃদ্ধির আদেশ দেওয়া হলো। গ্যাস খাতের উন্নয়নে পেট্রোবাংলাকে ৫ বছরের একটি আর্থিক ও ভৌত কর্মসূচির পূর্বাভাস দিতে হবে। যার ভিত্তিতে তহবিলের অর্থ ব্যয় হবে। ৬ মাস পর পর পেট্রোবাংলাকে বিইআরসির কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। আদেশে আরও বলা হয়েছে, গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অর্থ লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত হবে না। অর্থ ব্যয়ের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। নীতিমালাটি কমিশনের কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে গণশুনানির আয়োজন করা হবে। গ্রাহককে বিল পরিশোধের প্রত্যায়নপত্র প্রদান করতে হবে। গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের কথা বিলে উল্লেখ করতে হবে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে মোখলেসুর রহমান জানান, সেপ্টেম্বরের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডিপিডিসি, ডেসকো এবং ওজোপাডিকোর কাছে মে মাসে কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর নিরীক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। |
| |
|
|
|
|
|
|
|
Designed & Developed By
HSSOFT |
|
Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved. |
|
|
|
|
|
|
|