| English Version |
Subscription - Advertisement |
|
|
| Sunday 05 September 2010 |
| রোববার - ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ - ২১ ভাদ্র ১৪১৭ - ২৫ রমজান ১৪৩১ |
|
সর্বশেষ শিরোনাম  |
|
|
|
| - সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প |
2010-08-24 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
রাঙ্গামাটি, আগষ্ট ২৩(চিটাগাংটুডে ডটকম) কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় সাড়ে ২৮কোটি টাকার বিলাসী প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ প্রায় ১০বছর পর বাস্তবমূখী এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ এ পরিবর্তন আনছে। এর আগের তিনটি প্রকল্পই সফলতার মূখ দেখেনি। হ্রদ সৃষ্টির অর্ধ্ব শতকের মধ্যে সরকারের এটি ৪র্থ উদ্যোগ। কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য উৎপাদন,সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা জোরদার করণ ’’ নামের এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৭শত ২৫বর্গ কিলোমিটারের কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের হ্রদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এটি একটি অনুকরনীয় মডেল হিসেবে পরিগনিত হবে। রাঙ্গামাটি মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন এর ব্যবস্থাপক জাহিরুল আলিম জানিয়েছে, যাচাই শেষে একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে প্রকল্পটি। তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের অক্টোবর থেকে শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে মৎস্য উন্নয়ন মূখ্য ভূমিকায় থাকবে। যৌথ ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশিদারিত্ব থাকবে মৎস্য অধিদপ্তর ও মৎস্য গবেষনা অধিদপ্তরের। হ্রদ সৃষ্টির পর থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত হ্রদ ব্যবস্থাপনায় কর্তৃপক্ষ ৩টি প্রকল্প গ্রহন করেছে। বাস্তবতার সাথে মিল না থাকায় প্রকল্প গুলো থেকে আশানুরূপ ফল পায়নি এলাকাবাসী। দীর্ঘ ৫০বছরের মধ্যে এটিই প্রথম বাস্তব সম্মত উদ্যোগ বলে দাবী করেছে মৎস্যজীবি মো: আবুল কালাম । বাস্তবায়নাধীন ’’কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য উৎপাদন,সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা জোরদার করণ ’’প্রকল্পে রাজস্ব বাড়ানো ও অবৈধ মৎস্য শিকার রোধে ৮টি ভাসমান তদারকি কেন্দ্র নির্মান, মৎস্য পোনা উৎপাদন নার্সারী বা হ্যাচারী, দক্ষ জেলে তৈরীর জন্য জেলেদের প্রশিক্ষণদান, আর্থিক সাহায্য ও স্থাপনা নির্মান অর্ন্তভূক্ত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। কর্ণফুলী নদীর ভাটিতে ষাটের দশকে তৎকালিন সরকার কাপ্তাই নামক স্থানে পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীর জন্য বাধ নির্মান করার ফলে কাপ্তাই হ্রদের সৃষ্টি। দক্ষিন এশিয়ার সর্ব বৃহৎ এ কৃত্রিম হ্রদ থেকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশী আয় হলেও ব্যবস্থাপনায় তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। এ বিষয়ে মৎস্যজীবি নেতা শাহ আলম বলেন.’’ আমরা যা প্রত্যাশা করেছি, তা পূরণে সরকার এগিয়ে এসছে। কাপ্তাই হ্রদ সরকারের রাজস্ব আদায়ের একটি বিরাট ক্ষেত্র। আমাদের মাধ্যমে সরকার গত বৎসর ৫কোটি ৪২ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করেছে। এবার হ্রদে মাছের উৎপাদন বেড়ে গেছে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব দ্বিগুন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই উজ্জল । |
| |
|
| - হাইকোর্টের রুল উপেক্ষা করে অবাঙ্গালীদের উচ্ছেদের অভিযোগ |
2010-08-12 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, আগষ্ট ১১(চিটাগাংটুডে ডটকম) হাইকোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষা করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটকে পড়া পাকিস্থানিদের উচ্ছেদের পায়তারা চলছে বলে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে।আটকে পড়া পাকিস্থানিদের সংগঠন এসপিজেআরসি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, গত ২৬জুলাই চট্টগ্রাম রউফাবাদ কলোনীর স্কুল ক্যাম্পের বসবাসরত অবাঙ্গালী বাসিন্দাদেরকে উচ্ছেদের নোটিশ প্রদান করে এবং গত ৬জুলাই খুলনা খালিশপুরে অবাঙ্গালীদেরকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়া হয়। ফিরোজশাহ কলোনীর ই/জে-০৪ এর মোহাম্মদ ইসরাফিলকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য মূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে। জাতীয় গৃহ সংস্থান বিভাগ হালিশহর বি-ব্লক ট্রেড স্কুলের কিছু জায়গা প্লট তৈরির পায়তারা করছে। ফিরোজশাহ কলোনীর ঈমাম বাড়ার জবর দখল করে ক্লাব তৈরির পায়তারা চলছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, ১৪ফেব্রুয়ারী ২০০৮ হাইকোর্ট আটকে পড়া পাকিস্তানিদের (অবাঙ্গালীদের) ব্যাপারে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত এবং বিকল্প পূনর্বাসনের ব্যাবস্থা ছাড়া তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না মর্মে রুল জারী করেছে। সমপ্রতি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন জেনেভা ক্যাম্পবাসীর পূনর্বাসন এর জন্য একটি বিশেষ প্রকল্পের ঘোষনা করেছে। চট্টগ্রামের নব নির্বাচিত মেয়র জ্বনাব মঞ্জুরুল আলম মঞ্জুরের নিকট চট্টগ্রামে বসবাসরত অবাঙ্গালী পরিবারদেরকে পূনর্বাসনের উদ্যেগ গ্রহনের জন্য মানবিক আবেদন জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন।
গত ১৮মে ২০০৮ মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ অবাঙ্গালীদের নাগরিকত্বের ব্যাপারে ঘোষনা দিলেও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা শুধুমাত্র ভোটাধিকার সুযোগ পেয়েছে। এছাড়া অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা হইতে তারা এখনো বঞ্চিত । এমনকি ক্যাম্পের ঠিকানায় কোন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় না। আটকে পড়া পাকিস্তানিদের ব্যাপারে সু-স্পষ্ট, সু-নির্দিষ্ট নীতিমালা ঘোষনা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসপিজেআরসির সম্পাদক আবদুল কাদের। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হারুনুর রশিদ, সোহেল আকতার খান সোহেল আশ্রাফী প্রমূখ। |
| |
|
| - খাগড়াছড়িতে এক ইউপি সদস্য অপহৃত |
2010-07-21 |
|
|
খাগড়াছড়ি, জুলাই ২১ (চিটাগাংটুডে ডটকম) খাগড়াছডির লক্ষীছডিতে মঙ্গলবার রাতে একজন ইউপি সদস্যকে অপহরন করেছে সন্ত্রাসীরা।আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অপহৃত এই ইউপি সদস্যের সন্ধানে লক্ষীছড়ি ও কুতুকছড়িতে তল্লাশী চালাচ্ছে। পুলিশ জানায়, খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়ি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও মারমা ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি চাথোয়াই প্রু চৌধুরীকে মঙ্গলবার রাতে ৭/৮ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ কুতুপছড়ি নিজ বাড়ি থেকে তাকে অপহরণ করে গভীর জঙ্গলে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। চাথোয়াই প্রু চৌধুরী ২০০৯এর ২ অক্টোবর বর্মাছড়িতে নিহত ইউপিডিএফ নেতা রুইখই মারমা হত্যা মামলারও আসামি।ওই ঘটনার পর থেকেই চাথোয়াই প্রু চৌধুরী পলাতক ছিলেন। গত ১৯ জুলাই তিনি নিজ বাড়ি কুতুকছড়িতে আসেন। মঙ্গলবার রাতে খাওয়ার পরপরই সন্ত্রাসীরা তাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির লক্ষ্মীছড়ি শাখার সাধারণ সম্পাদক উছাখই মারমা জানিয়েছেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চাথোয়াই প্রু চৌধুরী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। হয়তো সে কারণেও তাকে অপহরণ করা হতে পারে। |
| |
|
| - সমন্বয়হীনতা পার্বত্য উপজেলা গুলোর উন্নয়নে বড় বাধা |
2010-07-17 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
রাঙ্গামাটি, জুলাই ১৭ (চিটাগাংটুডে ডটকম) তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা ২৫টি উপজেলা পরিষদের সাথে তিন জেলা পরিষদের সমন্বয়হীনতা, উন্নয়নে চরম বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে। উপজেলা পরিষদের কাছে ন্যাস্ত ১৩টি বিভাগের কাজ কর্ম দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।
শনিবার দুপুরে রাঙ্গামাটির একটি হোটেলে তিন পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ এ সব কথা বলেন।
রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যন ও বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ মুছা মাতব্বর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন লংগদু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তফাজ্জল হোসেন,বরকল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার চাকমা, কাউখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংশাপ্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শানে আলম, দিঘীনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ধর্মবীর চাকমা, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুসম, রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লাথোয়াই রুই প্রমূখ। অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিন পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলার ১৮জন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ সভায় অংশ গ্রহন করেছে। মতবিনিময় সভায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাই উপজেলা ও বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলার থানছি উপজেলা ,লামা উপজেলা ও রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় উপজেলা পরিষদ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানগণ অনুপস্থিত ছিলেন। আগামী ২ আগষ্ট ঢাকা সম্মেলনে অংশ গ্রহন বিষয়ে তিন পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলা পরিষদের সমন্বয়ে গঠিত ’’বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান পরিষদ’র’’ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন- বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৫টি উপজেলা পরিষদের সাথে তিন জেলা পরিষদের সমন্বয়হীনতা উন্নয়নে চরম বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে। উপজেলা পরিষদের কাছে ন্যাস্ত ১৩টি বিভাগের কাজ কর্ম দিন দিন জটিল হয়ে যাচ্ছে। বক্তারা বলেন, একই ভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণও উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের কাজে সহযোগিতা করছে না। এমনকি তারা চেয়ারম্যান জন্য সরকার কর্তৃক জারিকৃত গেজেট অমান্য করছে। জনগণের সেবা করার অঙ্গিকারে যারা আজ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে তারা আজ অবহেলিত। সরকারের এক ঘোষনাতেই চেয়ারম্যানদের ন্যার্য ক্ষমতা খর্ব করায় এখন তাদের কাছে পদ পদবী গলার ফাঁসে পরিনত হয়েছে। |
| |
|
| - বান্দরবানের আলীকদমে সড়ক দূর্ঘটনায় ৬ সেনা আহত |
2010-07-10 |
|
|
বান্দরবান,জুলাই ১০(চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবানের আলীকদমে শনিবার সড়ক দূর্ঘটনায় ৬ সেনা সদস্য আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর ৪ জনকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রা্ম সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানিয়েছেন, শনিবার জেলার লামা-আলীকদম সড়কের কানামারির ঘাট এলাকায় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সেনাবাহিনীর ট্রাক রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে। এ সময় আলীকদম সেনা জোনের ৬ জন সেনা সদস্য মারাত্মক ভাবে আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুরুতর সেনাবাহিনীর সার্জেন মহসিন, সৈনিক মালেক, মোহাম্মদ আলী এবং শরিফুল আলমকে দ্রুত হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদের আলীকদম সেনা জোনের মেডিক্যালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। |
| |
|
| - রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান ডিজিটাল হচ্ছে |
2010-07-04 |
|
|
বান্দরবান জুলাই ৩,(চিটাগাংটুডে ডটকম) পার্বত্যাবাসীর সুবিধার্থে বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠানমালা শীঘ্রই ডিজিটাল হচ্ছে। বেতারের মহাপরিচালক একেএম শামীম চৌধুরী জানান, পার্বত্য জেলা বান্দরবান ও রাঙ্গমাটি দুটি বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান ও সংবাদের মান উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের এই দুইটি বেতার কেন্দ্রকে সম্পূণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে বান্দরবান বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন কালে কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেছেন।
মহাপরিচালক একেএম শামীম চৌধুরী আরো জানান সরকার দেশের ১২টি বেতার কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ ভাবে ঢেলে সাজানোর উদ্দো্যগ নিয়েছে। এই সকল বেতার কেন্দ্র গুলোতে এফএম ট্রান্সমিশন চালু করতে ইতিমধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চট্টগ্রাম কেন্দ্র হতে উপজাতি ভাষায় প্রচারিত সংবাদের মান উন্নয়নেও ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বান্দরবান বেতার কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন বিকাল ৪ টায় আরো একটি বুলেটিন প্রচারের ব্যবস্থা নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সময় অন্যান্যদের মধ্যে বেতারের প্রধান প্রকৌশলী শেখ রুহুল আমীন, এফএম ট্রান্সমিশন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আবুল বাশার পাটোয়ারী, বান্দরবান বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক সৈয়দ মোস্তফা কামাল, আঞ্চলিক প্রকৌশলী মোঃ শামসুদ্দিন এবং সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক মোঃ সিরাজুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। |
| |
|
| - বান্দরবান জেলা পরিষদের ২৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা |
2010-06-29 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
বান্দরবান,জুন ২৯(চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ২৪ কোটি টাকা বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজ কল্যান খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মঙ্গলবার জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা ২০১০-১১ সালের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন। প্রস্তাবিত এই বাজেটে শিক্ষা উন্নয়নে সর্বোচ্চ ২৭% এবং ক্ষুদ্র কুটির শিল্প খাতে সর্বনিম্ন বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। বারের বাজেটে শিক্ষা উন্নয়নে সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৬৪ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তারপর ¯^v¯’¨ ও সমাজ কল্যানে দ্বিতীয় ৫ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা এবং পরিবহণ ও যোগাযোগ খাতে তৃতীয় ৫ কোটি ২ লক্ষ ৮ হাজার টাকার বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়াও নির্মাণ ও বস্তুগত অবকাঠামো ২ কোটি ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, পশু সম্পদ ও মৎস্য ৮৩ লক্ষ ৬৮ হাজার, কৃষি ও সেচ ৮৩ লক্ষ ৬৮ হাজার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ৬২ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ৬২ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাজেটে সর্বোচ্চ আয় ধরা হয়েছে জেলা পরিষদের নিজস্ব উৎস হতে ১ কোটি টাকা এবং টোল ট্যাক্স/ লেক ইজারা থেকে ৬৫ লক্ষ টাকা আয় দেখানো হয়েছে। আয় ব্যয়ের সামনজস্যতা রেখে প্রস্তাবিত বাজের ঘোষণা করা হলেও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি দুটি খাতকে সবচেয়ে কম গুরুত্ব দেওয়ায় সম্ভাবনাময় দুটি ক্ষেত্রের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লার সভাপতিত্বে বাজেট অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নাছিরুল আলম, পরিষদ সদস্য কাজী মুজিবুর রহমান, ক্যসা প্রু, অংপ্রু মুরুং, পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা সুয়ে মেনজো, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাম জামানসহ পরিষদের ২১টি ন্যস্ত বিভাগের কর্মকর্তা ও মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। |
| |
|
| - উদ্বোধনের পরও বান্দরবান মৎস্য হ্যাচারী প্রকল্প নিয়ে অনিশ্চিয়তা |
2010-06-29 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
বান্দরবান জুন ২৯ (চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবানে মিনি মৎস্য হ্যাচারী প্রকল্প অনিশ্চিয়তার মুখে পড়েছে। মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উদ্ধোধনের পাঁচ দিনের মাথায় বান্দরবান মিনি মৎস্য হ্যাচারী প্রকল্পের মেয়াদ কাল ৩০ জুন শেষ হয়ে যাচ্ছে। ১৯৯৫ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে মৎস্য চাষ সমপ্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্য ৫ বছর মেয়াদী প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। কিন্তু প্রকল্প গ্রহণের দু’বছর পর ১৯৯৭ সালে বান্দরবান মৎস্য হ্যাচারী প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শেষে চলতি বছরের ২৫ জুন বান্দরবান মিনি মৎস্য হ্যাচারীর উদ্ধোধন করেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা তোফাজ্জেল হোসেন প্রতিবেককে জানান চলতি বছরের ৩০ জুন হ্যাচারী প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। একারণে হ্যাচারী প্রকল্প এবং হ্যাচারীতে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা অনিশ্চিয়তার মুখে পড়েছে। তবে হ্যাচারী প্রকল্প সর্ম্পকে এখনো কোন সরকারী নির্দেশনা মন্ত্রণালয় থেকে আসেনি। অন্যদিকে উদ্ধোধনকালে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেছেন মেয়াদ শেষ হলেও মৎস্য হ্যাচারী প্রকল্পটি বন্ধ হবে না। পার্বত্যাঞ্চলে মৎস্য চাষ সমপ্রসারণ এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে হ্যাচারী প্রকল্পটি চালু থাকবে। হ্যাচারী প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর আশ্বাসও দেন মন্ত্রী। পার্বত্যাঞ্চলে মৎস্য চাষ সমপ্রসারণের লক্ষ্যে জেলা সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে মাঝেরপাড়া এলাকায় সাড়ে ৫ একর জমির উপর নির্মিত বান্দরবান মিনি মৎস্য হ্যাচারী প্রকল্প। প্রায় ২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এখানে পোনা উৎপাদনের জন্য ৭টি পুকুর, উচ্চ জলাধার, হ্যাচারী বিল্ডিং, পরীক্ষাগার, গোডাউন, স্টাফ কোয়ার্টার এবং অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। রয়েছে মৎস্য হ্যাচারী প্রকল্প পরিচালকসহ ৮ কর্মচারীও। প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হ্যাচারী প্রকল্পের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে মৎস্য চাষ সমপ্রসারণের সরকারের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়েও শংকিত পার্বত্যবাসী। |
| |
|
| - রাঙ্গামাটিতে ব্রাশ ফায়ারে ২ সংস্কারপন্থী জেএসএস নেতা নিহত |
2010-06-26 |
|
|
রাঙ্গামাটি, জুন ২৬ (চিটাগাংটুডে ডটকম) প্রতিপক্ষের ব্রাশ ফায়ারে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার বগাপাড়া গ্রামে ২জন সংস্কারপন্থী জেএসএস নেতা নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, শিশির ত্রিপুরা(২৫) ও বায়েজিন চাকমা(২৮)। শনিবার ভোরে লংগদু ও দিঘীনালা উপজেলা সীমান্তের বগাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ, হাসপাতাল ও নিহতদের পারিবার সূত্র জানিয়েছে, শনিবার ভোর ৫টায় ৭/৮ সদস্যের অস্ত্রধারী একদল ক্যাডার নিহতদের বাড়ী ঘেরাও করে তাদের বাড়ীর আঙিনায় ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করে । শিশির ও বায়েজিন এর মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। দু’ জেএসএস নেতা নিহত হওয়ার ব্যপারে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ-উল-হাসান বলেন সংস্কারপন্থী দু’ জেএসএস নেতা প্রতিপক্ষের হাতে নিহত হয়। তবে ঘটনাস্থল পাশ্ববর্তী জেলা খাগড়াছড়ির দিঘীনালা বলে তিনি দাবী করেন। |
| |
|
| - রাঙ্গামাটি হ্রদ থেকে ৬০ রাউন্ড গুলিসহ এসএমজি উদ্ধার |
2010-06-24 |
|
|
রাঙ্গামাটি জুন ২৪, (চিটাগাংটুডে ডটকম) রাঙ্গামাটি সদরের বন্ধুকভাঙ্গা এলাকার কাপ্তাই হ্রদ থেকে সেনা সদস্যরা বুধবার দিনব্যাপী ডুবুড়ি দিয়ে তল্লাশী চালিয়ে চালিয়ে একটি এসএমজি উদ্ধার করেছে। পুলিশ ও সেনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে, এর পূর্বে গত মঙ্গলবার বিকেল ৬টায় অস্ত্রের মূখে চাদা আদায়ের গোপন খবরের ভিত্তিতে নানিয়ারচর সেনা জোনের একদল সদস্য সেখানে ঝটিকা অভিযান চালায়। সেনা সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা সেনা সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। সেনা সদস্যদের সাথে চাদা আদায়কারী ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) ক্যাডারদের মধ্যে প্রায় ১৫/১৬ মিনিট গুলি বিনিময়ের পর ৬০ রাউন্ড গুলিসহ একজন আটক হয়। আটককৃতের নাম শিশু চাকমা(২৫)। তার অপর সহযোগিরা হ্রদে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়। আটককৃতের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তল্লাশী চারিয়ে এসএমজিটি উদ্ধার করা হয়েছে। |
| |
|
| - অঞ্চল ভিত্তিক ভোটারদের সমর্থন লাভের চেষ্টা মহিউদ্দিনের |
2010-06-10 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
চট্টগ্রাম, জুন ১০,(চিটাগাংটুডে ডটকম) অঞ্চল ভিত্তিক ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন নাগরিক কমিটির মেয়রপ্রার্থী এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। চট্টগ্রামস্থ বিভিন্ন জেলা ও থানার ভোটারদের সমর্থন পেতে নাগরিক কমিটি ছাড়াও আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রিয় নেতারা সমানে প্রচার চালাচ্ছেন। গত কয়েকদিন ধরে নাগরিক কমিটির প্রার্থী মহিউদ্দিন চৌধুরী মতবিনিময় করেছেন রাউজান এবং চন্দনাইশ এলাকার ভোটারদের সাথে। গত দুইদিন ধরে ভোলার সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও আবদুল্লাহ আল জেকপ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গনসংযোগ করছেন। বৃহস্পতিবার তারা নগরীর মাঝিরঘাট এলাকায় মহিউদ্দিন চৌধুরীকে জাহাজ মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য প্রচারনা চালান। মাঝিরঘাটে ভোলা ও বরিশাল এলাকার বেশ কিছু শ্রমিক রয়েছে। জাহাজ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহবান জানিয়ে আওয়ামীলীগের এই দুই সংসদ সদস্য বলেছেন, বিভিন্ন সময় ভোলা বরিশালের মানুষ যখন চট্টগ্রাম এসেছে তখন মহিউদ্দিন চৌধুরী তাদের আশ্রয় দিয়েছিলো। তাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এই এলাকার যারা চট্টগ্রামের ভোটার হয়েছেন তারা যেন মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ভোট দেন। অঞ্চল ভিত্তিক ভোটারদের সমর্থন পেতে মহিউদ্দিন চৌধুরীও অতীতে সেই সব এলাকার মানুষের জন্য কি করেছেন তা তুলে ধরছেন্ পাশাপাশি আগামীতে সেসব এলাকা নিয়ে তার পরিকল্পনার কথাও জানাচ্ছেন। |
| |
|
| - ভূমি বিরোধের নামে রাজনীতি শুরু হয়েছে: সন্তু লারমা |
2010-05-20 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
রাঙ্গামাটি মে ২০, (চিটাগাংটুডে ডটকম) পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতি নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় সন্তু লারমা বলেছেন,’’ ৩৯ বছর ধরে বিভিন্ন নামে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা শাসন অব্যাহত রয়েছে। ল্যান্ড কমিশন গঠন হয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। ল্যান্ড কমিশনের মাধ্যমে ভূমি বিরোধের নামে রাজনীতি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাঙ্গামাটি জিমনেসিয়াম মাঠে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের ২১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ১৫তম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আগে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে আরো আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে। পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় সভাপতি উদয়ন ত্রিপুরার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডীন ডঃ গাজী সালাহ উদ্দীন, জেএসএস নেতা ও আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কেএস মং, ছাত্র মৈত্রী সভাপতি বাপ্পা দীপ্ত বসু, আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেক্রেটারী টিপু রেকসান, কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মোঃ ফেরদৌস আহমেদ কাজল ও আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতা খগেন্দ্রনাথ সিং। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সন্তু লারমা বলেন ’’ল্যান্ড কমিশন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদকে বাদ দিয়ে কাজ করছে। এ কারনে জঠিলতা বাড়ছে। পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে এখনো রক্ত ঝড়ছে। বাড়ছে হানাহানি। ৭২এর সংবিধানে পাহাড়ীদের স্বীকৃতি না থাকায় পাহাড়ের মানুষ বিভিন্নভাবে তাদের দাবী আদায়ের চেষ্টা করছে। আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান সন্তু লারমা আরো বলেন, পাহাড়ীদের পীঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। পার্বত্য চুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং অভ্যন্তরিণ ও ভারত প্রত্যাগত শরনার্থীদের পূর্ণবাসনের পর ভূমি কমিশনের জড়িপ চালানোর মাধ্যমে কাজ করার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা। চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া ল্যান্ড কমিশন কজ শুরু করায় পাহাড়ে ভূমি বিরোধ আরো জটিল হয়ে গেছে। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় নেতা পদ্মলোচন চাকমা, ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শরৎ জ্যোতি চাকমা। |
| |
|
| - রাজস্থলীতে গুলিতে ১ জেএসএস কর্মী নিহত |
2010-05-17 |
|
|
রাঙ্গামাটি মে ১৭(চিটাগাংটুডে ডটকম)রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলীতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) সমর্থিত অস্ত্রধারীদের গুলিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(জেএসএস)’র দু’ক্যাডার হতাহত হয়েছে। নিহতের নাম উষানুর মারমা(২৮) ও আহত ব্যক্তির নাম উবাচিং মারমা(২৫)। রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় রাজস্থলী বাজারে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান হাবিব জানিয়েছেন, এলাকার আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় একদল অস্ত্রধারী এসে তাদের গুলি করে । এরা দু’জনই জেএসএস’র কর্মী। পুলিশ সোমবার সকালে নিহত উষানূর মারমার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এবং আহত উবাচিং মারমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যালে ভর্তি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশাসন রাজস্থলী উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোয় অতিরিক্ত সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ জড়িতদের কাউকে আটক করতে পারেনি। রাঙ্গামাটি জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ-উল-হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে শহরের কোর্ট বিল্ডং এলাকায় জনসংহতি সমিতি রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে তাদের দু’কর্মী হতাহতের ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও ইউপিডিএফ’র রাজনীতি বন্ধের দাবীতে সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। মিছিল পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তৃতা করেন জেএসএস নেতা লক্মী প্রসাদ চাকমা, পূর্ণেন্দু বিকাশ চাকমা,
|
| |
|
| - পার্বত্য ভূমি কমিশনে আবেদনের সময় তিন মাস বাড়ানো হয়েছে |
2010-05-14 |
|
 বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন |
রাঙ্গামাটি মে ১৩ (চিটাগাংটুডে ডটকম)পার্বত্য ভূমি কমিশনে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন গ্রহনের সময় আরো তিন মাস বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটিতে ভূমি কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রাঙ্গামাটি জেলা স্টেডিয়ামে মিলনায়তনে এই ব্যাপরে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মোঃ খাদেমুল ইসলাম বলেছেন, ’’আমরা পাহাড়ের দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আসুন আমরা সকলে মিলে মিশে পাহাড়ের ভূমি সমস্যার সমাধান করি। এ অঞ্চলের মানুষ যাতে সহজে ভুমি বিরোধের দরখাস্ত দিতে পারে তার জন্য ভূমি কমিশন এই সময় আরো ৯০দিন সময় বাড়িয়ে দিয়েছে।
পার্বত্য শান্তি চুক্তির আলোকে যারা তালিকাভূক্ত শরনার্থী হিসাবে ভারত থেকে প্রত্যাগত উপজাতীয়দের ভূমি বিরোধ ও অবৈধ বন্দোবস্তী যা আইন সম্মত ভাবে হয়নি কিংবা অতিরিক্ত জমি বন্দোবস্তী দেওয়া হয়েছে কিংবা নিয়ম ভঙ্গ করে বন্দোবস্তী, হস্তান্তর কিংবা বিক্রি করা হয়েছে সে বিষয়গুলোও কমিশন অবশ্যই খতিয়ে দেখবে বলে তিনি উল্লে¬খ করেন। বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে(রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) ভূমি জরিপের মাধ্যমে ভূমির সীমানা পরিচিহ্নিত করতে হবে। ভূমি জরিপ ছাড়া এ কাজ করা দূরহ ব্যাপার। তবে কমিশন তাদের আইন অনুসারে ভূমি বিরোধ মিমাংসা করবে। আইনের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ কমিশনের নেই। তিনি আরো বলেন কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা সহোযোগিতা না করলে কাজ করা কঠিন হবে। তাই তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধি প্রিয় সন্তু লারমা সহ অন্য সকল সদস্যের সহাযতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য যে, ভুমি বিরোধ সংক্রান্ত দরখাস্ত গ্রহন করার ৬০দিন বৃহস্পতিবার শেষ হযে যাওয়ায় ভূমি কমিশন আরো ৯০দিন সময়ে বৃদ্ধি করেছে। এ পর্যন্ত কমিশন অফিসে দেড় হাজার ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন জমা পড়েছে। এ বিষয়ে তিন পার্বত্য জেলায় ব্যাপক ভাবে প্রচারনা চালানো হচ্ছে। এ বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের সদস্য সচিব,চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবত্তীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার পূর্বে বিচারপতি মোঃ খাদেমুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যা লী বের করা হয়। |
| |
|
| - সন্তু লারমাদের বিরোধীতার কার্যকর হচ্ছে না পার্বত্য ভূমি কমিশন |
2010-05-12 |
|
|
খাগড়াছড়ি,মে ১২,(চিটাগাংটুডে ডটকম) জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা ও উপজাতীয়দের একাংশের বিরোধীতার মুখে কার্যকর হচ্ছে না পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন।তারা সাধারণ উপাজাতীয়দের বাঁধা ও বিভ্রান্ত করে বিরোধ নিস্পত্তিতে কমিশনের আহুত গণ বিজ্ঞপ্তিতে অচলাবস্থা তৈরীর জন্য চেষ্টা করছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠায় সাধারণ ক্ষতিগ্রস্থদের আশ্বস্থ করার জন্য বুধবার খাগড়াছড়িতে পার্বত্য ভুমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের প্রচারনামূলক র্যা লী ও যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সন্তু লারমার নেতৃত্বে উপজাতীদের একটি অংশ বুধবার খাগড়াছড়িতে অনুষ্ঠিত পার্বত্য ভূমি কমিশনের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিল। তারা ধারাবাহিকভাবে কমিশনের বৈঠক বর্জন করে আসছে।
বুধবার সকালে কমিশন ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত র্যা লীটি টাউন হল থেকে বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে র্যা লীতে বিভিন্ন বয়সের মানুষ উপস্থিত থাকলেও পাহাড়ীদের উপস্থিতি ছিল কম। পাহাড়ীদের একটি অংশের বাঁধার কারণে বিভ্রান্ত থাকায় সাধারণ পাহাড়ীদের ভুমি কমিশনে দরখাস্ত দিতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই র্যা লী ও সভার আয়োজন করা হয়েছিলো। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) গিয়াস উদ্দিন মোঘলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত টাউন হলের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী। এ দিকে আগামী ১৪ মে কমিশনে দরখাস্ত জমা দেয়ার শেষ দিন হলেও এ মেয়াদ আরো বাড়তে পারে। কমিশনের একটি সুত্র জানিয়েছেন,এ মেয়াদ আবারও তিন মাস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দ্রুতই শুনানী শুরু হতে পারে’ ।
সভায় কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থী, পার্বত্য শান্তিচুক্তি সম্পাদনের দিন পর্যন্ত অবৈধভাবে দেয়া সেটেলমেন্ট বাতিল করে ক্ষতিগ্রস্থদের বুঝিয়ে দেয়াসহ ভুমি বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি করাই এই কমিশনের লক্ষ্য। তিনি এ ক্ষেত্রে কমিশনের কাজে গাফিলতি না করে বৈঠকেই অভাব অভিযোগ তুলে ধরার জন্য তাঁর কমিশনের সদস্যদের প্রতি আহবান জানান।
তিনি বলেন, কমিশন একটি আইনী প্রাতিষ্ঠান; এটা কোন রাজনৈতিক জায়গা নয়। এ কাজে সহযোগিতা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন।
চেয়ারম্যান খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী জনগনকে সকল সংশয় সন্দেহ দূর কমিশনে আবেদন জমা দেয়ার আহবান জানান। তিনি পুরো বক্তব্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ভুমি জরিপের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সভায় মং সার্কেল চীফ সাচিংপ্রু চৌধুরী, পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এবং হেডম্যান-কার্বারীরা উপস্থিত ছিলেন না। সভায় অংশ নেয়া হেডম্যান ভাইবোনছড়ার মৌজার সাপুরাম ত্রিপুরা বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমির জাফর, মেয়র আনোয়ার হোসেন, দীঘিনালা, গুইমারা, পানছড়ি ও খাগড়াছড়ি গুচ্ছগ্রামের বেশ কয়েকজন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
|
| |
|
1 2 3 Next |
|
|
|
|
Designed & Developed By
HSSOFT |
|
Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved. |
|
|
|
|
|
|
|