English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
অর্থনীতি
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
অর্থনীতি
- টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য 2010-08-21 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
কক্সবাজার, আগষ্ট ২১(চিটাগাংটুডে ডটকম) বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা আবারও অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। র্দীঘদিন ধরে চলে আসা চোরাচালান রোধে বর্ডার গার্ড,পুলিশ,কাস্টমসসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজদারী বৃদ্ধি করেও চোরাচালান বন্ধ করা যাচ্ছেনা। এবছরেই এখানে আটক হয়েছে প্রায় ৫০কোটি টাকার পন্য।
টেকনাফ স্থলবন্দর সূত্রে জানাগেছে, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি আগষ্ট পর্যন্ত ৯ মাসে ১১ জন পাচারকারীসহ প্রায় ৫০ কোটি টাকার পণ্য আটক করা হয়েছে। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে পাচারকালে বিডিআর ,পুলিশ, কাস্টমস, স্থানীয় লোকজন এসব পণ্য আটক করেছে । এ ঘটনায় পৃথক পৃথক মামলাও হয়েছে।
তারপরও থেমে নেই চোরাচাকারবারীরা। চোরাকারবারীরা চক্র দেশীয় পণ্য মিয়ানমারে পাচার এবং সেখান থেকে নিয়ে আসলেও রমজানের শুরুতেই চক্রটি আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ।
রমজান মাসের শুরু থেকে মিয়ানমারের উত্তর আরকান রাজ্যে চিনি ,ছোলা , রসুন, সেমাই , ভোজ্য তেল সহ বিভিন্ন বাংলাদেশী পণ্যের ব্যাপক চাহিদার হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় পণ্য পাচারের ধুম পড়েছে। এসব পণ্যের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে কৌশলে আনা হচ্ছে বিভিন্ন ব্রান্ডের মাদক, পলিব্যগ , ইয়াবা ট্যাবলেট ,পোস্তাদানা , লুঙ্গী,থামীসহ বিভিন্ন আমদানী নিষিদ্ধ পণ্য।
সুত্রে জানা গেছে,সীমান্তের ১০০কিলোমিটার এলাকায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ( সাবেক বিডিআর ) সদস্যদের টহল তৎপরতা থাকলেও চোরাকারবারীরা তাদের নজর উপেক্ষা করে কৌশলে চালিয়ে যাচেছ চোরাচালানী ব্যবসা ।আবার অনেক সময় আইন শৃংখলা বাহিনীর যোগসাজসেই চলছে চোরাচালান।
স্থানীয় সুত্র জানায়, আসন্ন ঈদ ও র্পযটন মৌসুমকে সামনে রেখে পাচারকারীরা চক্র মিয়ানমার থেকে আমদানী নিষিদ্ধ ১৫২ প্রকারের পণ্য ও পলিথিন এনে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন হাট বাজারে ,কক্সবাজার শহরের প্রায় সবগুলো মার্কেট ও বড় বড় মুদির দোকানে ৬০শতাংশই চোরাচালানের পন্য। এইসব মার্কেট থেকেই সারা দেশে চোরাচালানের পন্য পাচার করা হয়।
সুত্রে আরো জানা যায়,কক্সবাজার শহর,উখিয়া ও টেকনাফ ভিত্তিক রয়েছে ৭/৮টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি চোরাচালানী চক্র। তবে এদের মধ্যে উখিয়ার কলেজ গেইট এলাকা,হোয়াইক্যং মিনা বাজার (হাসইন্নার টেক), টেকনাফের দমদমিয়া,মৌলভী বাজার , কানজর পাড়া, নয়া বাজার , মিনা বাজার নাট মোরাপাড়া , চৌধুরী পড়া, লেদা, জাদীমোরা, ঝিমংখালী, পালংখালীর কেরোনতলীসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার অতিপরিচিত বড় বড় চোরাচালানীরা এই কাজে জড়িত রয়েছে ।
 Print    
- দুই চেম্বারের মধ্যে খোলাবাজারে পন্য বিক্রীর প্রতিযোগীতা 2010-08-16 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগস্ট ১৫ (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীদের বৃহৎ দুটি সংগঠন এবার খোলাবাজারে পন্য বিক্রী নিয়ে প্রতিযোগীতাই নেমেছে। গত শনিবার থেকে মেট্রোপলিটন চেম্বার পন্য বিক্রী করছে। আর ব্যবসায়ীদের পুরানো সংগঠন চট্টগ্রাম চেম্বারও রবিবার থেকে একই কায়দায় পন্য বিক্রী করছে।
প্রতিষ্ঠান চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে রোববার দিনভর নগরীর ২৫টি স্থানে ন্যায্য মূল্যে চাল, ভোজ্য তেলসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য বিক্রি করা হয়। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিম্নআয়ের লোকজন এবং শ্রমিকদের জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে চেম্বার সচিব উসমান গণি চৌধুরী জানান, পুরো রমজান মাসে প্রতিদিন এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। নগরীর আগ্রাবাদস্থ চেম্বার ভবনের সামনে পণ্য বিক্রি কর্মসূচি উদ্বোধন করেন চেম্বার সভাপতি এম. এ. লতিফ এমপি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালাম, সহ-সভাপতি এস. এম. শফিউল হক, পরিচালকবৃন্দ মো. শাহিন আলম, সাহাবউদ্দিন আহমেদ, এস. এম. আবু তৈয়ব, মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, ওয়াসিউর রহমান চৌধুরী, এস. এম. মাহবুবুল ইসলাম, বেনজির চৌধুরী নিশান ও ছৈয়দ ছগীর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগরীর জনবহুল ২৫টি স্থানে ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি করা হবে।
এর আগে ব্যবসায়ীদের অপর সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স রমজানের প্রথম দিন থেকে একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করে।
সকাল ১১টা থেকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে কোতয়ালী, অক্সিজেন মোড়, বহদ্দারহাট, ষোলশহর দুই নম্বর গেইট, চকবাজার ও আগ্রাবাদ মেট্রোপলিটন চেম্বার কার্যালয়ের সামনে পণ্য বিক্রি শুরু হয়।
কোতোয়ালী মোড়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সালাম বলেন, ‘দামের উর্ধ্বগতি ঠেকাতে এবং সাধারণ মানুষকে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য সরবরাহ করতেই আমরা এই কার্যক্রম শুরু করেছি। আশা করি, বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
চেম্বারের ন্যায্যমূল্যের বিক্রয়কেন্দ্রে চাল ২৫, ছোলা ৩৮, মটর ২০, চিনি ৪৫, সয়াবিন তেল ৮৩ টাকা (১ লিটার), ১৬০ টাকা (২ লিটার) এবং ৪শ’ টাকায় (৫ লিটার) বিক্রি করা হচ্ছে। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি চাল ও তেল এবং দুই কেজি করে অন্যান্য পণ্য কিনতে পারবেন।
 Print    
- সরকারী গুদামের ভাড়াটিয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহবান চেম্বারের 2010-08-12 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, আগষ্ট ১১(চিটাগাংটুডে ডটকম) সরকারী খাদ্য গুদামগুলোর ভাড়াটিয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার। খাদ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি এম. এ. লতিফ এম.পি. এক জরুরী ফ্যাক্সবার্তায় এই আহবান জানান।ফ্যাক্সবার্তায় চেম্বার সভাপতি গুনগত মান যাচাই করা ছাড়া এইসব গুদামের পন্য যাতে বাজারে ছাড়তে না পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধও জানান সরকারের কাছে।
ফ্যাক্সবার্তায় বলা হয়েছে চিটাগাং চেম্বার সরকার থেকে ভাড়া নেয়া গুদামসমূহ যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান বরাবরে বরাদ্দ প্রদান করেছিল তাদেরকে অতিসত্ত্বর তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়ার তাগাদা দেয়। তা সত্ত্বেও গুদামগুলোতে রক্ষিত মালামাল রেখে দিয়ে এবং ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল প্রদান না করে উপরন্তু তারা খাদ্য মন্ত্রণালয এবং বেপজা কর্তৃপক্ষের বরাবরে বিভিন্ন মাধ্যমে তদবিরসহ তাদের সক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এক অনাকাংখিত অবস্থার সৃষ্টি করে।
সরকার ভোগ্যপন্য মজুদ করার জন্য চেম্বারের কাছে ভাড়া দেয়া চট্টগ্যামের ৯৪টি গুদাম ছেড়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলো।
ফ্যাক্স বার্তায় তিনি বলেন- চট্টগ্রামের হালিশহরস্থ সিএসডি এলাকাধীন দীর্ঘকাল অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা সরকারী পরিত্যক্ত খাদ্য গুদামসমূহ তদানীন্তন সরকার বেপজাকে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব বিমোচনে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে উক্ত গুদামসমূহ রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। বেপজা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিদেশী শিল্পোদ্যোক্তাদের বরাবরে উক্ত সিএসডি এলাকাধীন প্রায় ৯৪টি গুদামের বেশির ভাগ বরাদ্দ প্রদান করেন।
বাদবাকি ৩৪টি পরিত্যক্ত গুদাম খালি পড়ে থাকায় দেশে খাদ্য গুদামের অপ্রতুলতার অবস্থাকে সামাল দেয়ার নিমিত্তে চিটাগাং চেম্বারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সংশ্লিষ্ট ভোগ্যপণ্য আমদানিকারকদের স্বল্পকালীন ব্যবহারের জন্য নাম মাত্র ভাড়ায় (প্রতি বর্গফুট ৪.০০ টাকা হারে) চেম্বারের বরাবরে বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
ফ্যাক্স বার্তায় চেম্বার সভাপতি তথ্য প্রকাশ করে বলেন-এক মাসের নোটিশে গুদাম খালি করে দেয়ার কথা থাকলেও প্রভাবশালী এসব ব্যবসায়ী ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল দীর্ঘ তের মাস যাবৎ অনাদায়ী রেখে গুদামসমূহ দখল করে রেখেছেন এবং প্রায় দেড় বছর পূর্বে তাদের আনীত এসব খাদ্যশস্য জনস্বাস্থ্য উপযোগী আছে কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে উক্ত গুদামসমূহ থেকে অদ্যাবধি পণ্য সরবরাহ করে যাচ্ছেন।
এসব ব্যবসায়ী সরকারী গুদামসমূহের ভাড়া অনাদায়ী রেখে সরকারের প্রয়োজনে গুদাম ছেড়ে না দিয়ে যে অমার্জনীয় ধৃষ্টতা দেখিয়ে চলেছেন তা কোনভাবেই কাম্য নয়। চেম্বার সভাপতি খাদ্যমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের এ বিষয়টিকে অতীব গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় এনে বর্ণিত গুদামসমূহের বকেয়া ভাড়া আদায় এবং রক্ষিত মালামালের গুণগতমান সম্পর্কে বিএসটিআই, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বিসিএসআইআরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে অনতিবিলম্বে সরকারী খাদ্যশস্য সংরক্ষণের জন্য জরুরী পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন। সরকারী গুদামের ভাড়া এবং জোরপূর্বক সরকারী গুদামে সরকারী মালামাল রাখার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপরাধের যে কোন শাস্তি নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে চিটাগাং চেম্বার সরকারকে সার্বিকভাবে সহায়তা করবে বলেও ফ্যাক্সবার্তায় আশ্বাস প্রদান করা হয়।
 Print    
- ইন্টারনেট লেনদেন :খুলনায় সিএসইর রোড শো 2010-08-01 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
খুলনা, জুলাই ৩১(চিটাগাংটুডে ডটকম) শেয়ারবাজারে প্রবাসীদেরকে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়ার লক্ষ্যে ইন্টারনেটভিত্তিক লেনদেন পদ্ধতি চালু করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। আর এই পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে দেশব্যাপী রোড শো শুরু করেছে সিএসই। শনিবার খুলনার ক্যাসল সালাম হোটেলে রোড শোর দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২২ মে সিলেট থেকে এ রোড শো শুরু হয়েছিল। পর্যায় ক্রমে রাজশাহী, বরিশাল, কুমিল্লাসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে এই রোড শোর আয়োজন করা হবে।
খুলনায় রোড় শোতে সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রফেসর ড. এম এ মামুন, সিএসইর পরিচালক মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন এবং খুলনার বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ লিয়াকত আলী। অনুষ্ঠানে খুলনার বিপুল সংখ্যক বিনিয়োগকারী এবং বিনিয়োগ আগ্রহী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এতে ইন্টারনেটভিত্তিক লেনদেনের কলাকৌশল ও পদ্ধতির বিবরণ তুলে ধরা হয়।
এ সময়ে সিএসই নেতারা বলেন, দেশের ভেতরের এবং বাইরের সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের কাছে লেনদেন সুবিধা আরও সহজলভ্য করে তুলতে তারা ইন্টারনেটভিত্তিক লেনদেনে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। এছাড়াও বাজারে বিদ্যামান চাহিদার বিপরীতে শেয়ার সরবরাহ বাড়াতে তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান ।
অনুষ্ঠানে সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতিতে খুলনার ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে। এক সময়ের শিল্পনগরী এই খুলন অঞ্চলে বর্তমানে বিনিয়োগে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এখানে প্রচুর অলস জমে আছে। এই অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের তথ্যসমৃদ্ধ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে সিএসই। দেশের দুটি স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনের মধ্যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে। লেনদেনের এই ভারসাম্যহীনতা কমিয়ে আনতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ পর্যন্ত সিএসইর ২১টি ব্রোকারেজ হাউজকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেনের শুরুও অনুমতি দেয়া হয়েছে। আরো বেশ কেছিু ব্রোকারেজ হাউজ এই অনুমতির জন আবেদন করেছে। অনুষ্ঠানে আরো জানানো হয়, প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন বিনিয়োগকারী নিয়মিত এই সেবা গ্রহণের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে থাকেন।
যেভাবে করবেন ইন্টারনেটে শেয়ার লেনদেন :ইন্টারনেটে লেনদেন করতে হলে প্রথমে একজন বিনিয়োগকারীকে সিএসইর অনুমোদিত ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে রেজিষ্টেশন করতে হবে। অনলাইনে লেনদেনের জন্য দুইভাবে রেজিষ্টেশন করা যাবে। ব্রোকারেজ হাউজে গিয়ে অথবা অনলাইনেও রেজিষ্টেশন করতে পারেন।
রেজিষ্টেশন:লেনদেনের জন্য প্রথমে www.bangladeshstockmarket.com এই ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েব সাইটের ওপরেই Register নামে একটি অপশন রয়েছে। এখানে ক্লিক করলে আরো দুটি অপশন পাওয়া যাবে। একটি হল Permitted broker list অন্যটি Register with a broker.
 Print    
- আনারসের বাম্পার ফলন, নায্য মূল্য পাচ্ছে না চাষীরা 2010-07-19 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
বান্দরবান ,জুলাই ১৯(চিটাগাংটুডে ডটকম) বান্দরবানে চলতি মৌসুমে আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। আনারসে ছেয়ে গেছে এখন বান্দরবানের হাট বাজার গুলো। ভাল ফলন হলেও নায্য মূল্য পাচ্ছে না আনারস চাষীরা। ফড়িয়াদাররা পাহাড়ী চাষীদের কাছ থেকে কম দামে আনারস কিনে তা উচ্চ দামে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করছে।
প্রতিদিন বান্দরবানের লাইমী পাড়া, স্যারণ পাড়া, ফারুক পাড়া, গেজমনী পাড়া, সাতকমল পাড়া, নোয়া পাড়া, পোড়া পাড়া, বাগান পাড়া, দেওয়াই হেডম্যান পাড়া এবং রুমা ও থানছি উপজেলা থেকে খুচরা দামে আনারস কিনে ট্রাক এবং পিকআপ করে নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।
অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পন্য বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা না থাকায় চাষীরা কম মূল্যে ফড়িয়াদারদের আনারস বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে চাষীরা নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
আনারস চাষী চমলিয়াং বম: আনারসের বাম্পার ফলন হলেও নায্য মূল্য পাচ্ছে না তারা। পাইকারী ব্যবসায়ীরা কম মূল্যে আনারস কিনে তা অধিক দামে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করায় লাভের মুখ দেখছে না তারা।
অন্যদিকে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মূছা জানান পণ্য পরিবহণে একই পণ্যের উপর একাধিকবার টোল ট্যাক্স আদায় এবং পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারাও লাভবান হতে পারছে না। একারণে ইচ্ছা থাকা সত্বেও চাষীদের নায্য মূল্য দেওয়া সম্ভব হয় না।
কৃষি বিভাগ সুত্রে জানাগেছে, চলতি বছর বান্দরবান জেলায় ৪ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে ৪০ লক্ষ আনারস চারা লাগানো হয়েছে। তার মধ্যে ৯৮ হাজার গাছে ফলন পাওয়া গেছে। চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লক্ষ ৬২ হাজার মে:টন আনারস উৎপাদন হয়েছে।
বান্দরবান উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উদয় শংকর মুৎসুদ্দি জানান লাভ জনক হওয়ায় জেলায় আনারস চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি হেক্টরে ৪০ মে:টন আনারস উৎপাদিত হয়েছে। এখানে জেনকিউ, হানিকইন এবং দেশীয় গ্যালেঙ্গা ৩ প্রজাতির আনারস চাষাবাদ হয়। তবে জেনকিউ আনারসের জন্য বিখ্যাত বান্দরবান জেলা।
এবারও বান্দরবানে আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। স্বল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় পাহাড়ীরা জুম চাষ ছেড়ে দিন দিন আনারসসহ মিশ্র ফল চাষের দিকে যুগছে। এই অঞ্চলের পাহাড়ীরা এখন আনারস বাগান করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে।
তবে সময়মত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া এবছর আনারসের সাইজ একটু ছোট হয়েছে। একারণে চাষীরাও অন্যান্য বারের তুলনায় দাম পাচ্ছে কম। অপরদিকে মৌসুমি ফল সংরক্ষনের জন্য কোন হিমাগারের ব্যবস্থা নেই বান্দরবান জেলায়। ফলে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকার আনারস নষ্ট হচ্ছে সংরক্ষণের অভাবে। এতে আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে চাষীরা। একারণে বান্দরবানে একটি হিমাগার স্থাপনের দাবী জানিয়েছেন চাষীরা।
 Print    
- পার্বত্যাঞ্চলের ভারত সীমান্তে দুটি স্থল বন্দর নির্মানের উদ্যোগ 2010-07-16 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
খাগড়াছড়ি, জুলাই ১৬, (চিটাগাংটুডে ডটকম): ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্যের সীমান্তে সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে পৃথক দুটি স্থলবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্ত শহর রামগড়ে এবং রাঙ্গামাটি জেলার তেগামুখ এলাকায় ইতিমধ্যে স্থলবন্দর দুটি নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে স্থানও নির্ধারণ করা হয়েছে।
রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হান কাউসার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চলতি বছরে বাণিজ্য, পররাষ্ট্র ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল বন্দরের স্থান নির্ধারণের জন্য একাধিকবার রামগড় সফর করেছেন।
তিনি জানান প্রতিনিধিদলটি সম্ভাব্য তিনটি স্থান পরিদর্শন করছেন। সেগুলো হল মহামনি, বিওপি এবং রামগড় রেঞ্জ কর্মকর্তার বাসভবন সংলগ্ন এলাকা।
সূত্রগুলো জানায়, চলতি বছরের প্রথম দিকে ভারতের খাগড়াছড়ি জেলা রামগড় ও রাঙ্গামাটি জেলার তেগামুখ এলাকায় স্থলবন্দর নির্মাণের প্রস্তাব দেয়ার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এ দুটি স্থানকে শুল্ক স্টেশন ঘোষণা দিয়ে এসআরও জারি করে।
পরে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মফিদুল ইসলামকে প্রধান করে স্থলবন্দর সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গত এপ্রিল মাসে খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় ও রাঙ্গামাটি জেলার তেগামুখ পরিদর্শন করে জুন মাসে সম্ভাব্যতা যাচাই সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন নৌ-মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়।
তবে প্রতিবেদনে এ জন্য ব্যাপক অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়। মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন পাওয়ার পর স্থলবন্দরের পাবলিক ওয়্যার হাউজকিপার নিয়োগে রাজস্ব বোর্ডে আবেদন জানানোর জন্য স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, তেগামুখ এলাকায় স্থলবন্দর নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতের মিজোরাম সীমান্তের তেগামুখ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তেগামুখে পণ্য পৌঁছাতে হলে রাঙ্গামাটি শহর পর্যন্ত প্রায় ১শ কিলোমিটার সড়ক পথে এবং বাকি পথ নদী পথে যেতে হবে।
পক্ষান্তরে স্থলবন্দরটি সাজেকে নির্মিত হলে সরাসরি সড়ক পথে খাগড়াছড়ি হয়ে প্রায় ১শ ৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই বাংলাদেশের শেষ সীমানা রুইলুই কার্বারীপাড়া এবং ওপারে মিজোরাম রাজ্যের সীমান্ত শহর আয়জল।
সেনাবাহিনীর ইসিবির উদ্যোগে ইতিমধ্যে সাজেক পর্যন্ত পাকা সড়ক নির্মাণ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা স্থলবন্দর নির্মাণে তেগামুখের চেয়ে সাজেককেই উপযুক্ত স্থান বলে মনে করেন।
অপরদিকে ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরা রাজ্য চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সরাসরি সড়ক পথে রামগড় এবং ফেনী নদী পার হলেই ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুম শহর।
 Print    
- ভারত- চট্টগ্রাম সরাসরি বিমান যোগাযোগ চেয়েছেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা 2010-07-13 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুলাই ১৩(চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রামে সফররত ভারতীয় বানিজ্য প্রতিনিধি দলের সাথে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে চট্টগ্রামের সাথে ভারতের সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম চেম্বার মিলনায়তনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দু’দেশের সম্পর্কোন্নয়নের লক্ষ্যে জনসাধারণসহ ব্যবসায়ী সমাজের অবাধ চলাচলের সুবিধার্থে অতিসত্ত্বর সরাসরি ইন্ডিয়া-চট্টগ্রাম ফ্লাইট চালু করতে হবে। চট্টগ্রামের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ থাকলে এতদ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা ভৌগলিক অবকাঠামোগত সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারবে।
ভারত সরকারের সাবেকমন্ত্রী ও বর্তমান রাজ্যসভার সদস্য মনি শংকর আয়ার’র ভারতীয় বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। আর স্থানীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি এম এ ছালাম।
ভারতীয় বাণিজ্য প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বৈঠকে এম এ ছালাম বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী ও ঐতিহ্যবাহী বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারত। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর করে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সমপ্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হলে দুই দেশের জনগনই লাভবান হবে।
তিনি দু’দেশের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি দূরীকরণের লক্ষ্যে ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত অবাধ প্রবেশ চেয়েছেন এবং এর জন্য সকল ট্যারিফ নন ট্যারিফ বাধাসমূহ অপসারনের জন্য প্রতিনিধিদল নেতার ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বৈঠকে ব্যবসায়ী, রোগী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের ভারতে ভিসা দেয়ার প্রক্রিযা আরো সহজকরার অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতা মনিশংকর আয়ার তার বক্ত্যবে আমদানি-রপ্তানীর ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন শুল্ক-অশুল্ক প্রতিবন্ধকতার চেয়েও ’মাইন্ডসেট’-কেই প্রধান বাধা বলে মন্তব্য করেন এবং উভয় দেশের মধ্যকার বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে অধিক পরিমাণে বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানীর উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্কোন্নয়নে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব করেন।
চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে এস এম আবু তৈয়ব, ইঞ্জিনিয়র আলী আহমদ, নাসিরউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, এ. কে. এম. আক্‌তার হোসেন, মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী, ওয়াসিউর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক স্থপতি তসলিম উদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন চেম্বার সভাপতি শফিউর রহমান, প্রাক্তন সহ-সভাপতি আমির আলী চৌধুরী ও মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
ভারতীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন, অরুণাচলের মূখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা মি. কিরণ রিজুজু , নাগাল্যান্ড’র শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সচিব ড. কে. সি. নিহোশি, চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার এ. কে. গোম্বামী ও ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার সভাপতি আবদুল মাতলুব আহম্মদ।
 Print    
- চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে পণ্য খালাস স্বাভাবিক হয়নি 2010-07-13 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুলাই ১৩ (চিটাগাংটুডেডট কম): চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের তিনটি সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত তুলে নেয়া হলেও সমুদ্র উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙ্গরের পন্য খালাস মঙ্গলবারও স্বাভাবিক হয়নি।চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় ভোর থেকে হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস সকাল ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ৬৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে।
এদিকে সাগর এখন উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দর বর্হিনোঙ্গরে অবস্থানরত পণ্যবাহী জাহাজ থেকে মালামাল খালাস তৃতীয় দিনের মত বন্ধ রয়েছে। বর্হিনোঙ্গরে আজ বর্তমানে ২৭ টি পণ্যবাহী জাহাজ অবস্থান করছে।
ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের নির্বাহী পরিচালক (অবসর প্রাপ্ত) কমোডর এ জেড নিজাম জানিয়েছেন, সাগর এখনো উত্থাল থাকায় মঙ্গলবার কোন লাইটার জাহাজ পণ্য খালাসে যায়নি। ৩৭ টি লাইটারেজের সিডিউল ছিল পণ্য খালাসে। তবে পরিস্থিতি অনূকূল হলে তারা জাহাজ ছাড়তে পারবে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে কিছু কিছু জাহাজে পণ্য খালাস হচ্ছে দাবী করে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ ফরহাদ উদ্দিন জানিয়েছেন, বর্হিনোঙ্গরে ২৭ টি পণ্যবাহী জাহাজ অবস্থান করছে।
রোববার বিকেল থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল মৌসুমী বায়ুর কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের তিনটি সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গাস্থ আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় আপাততে সর্তকতা সংকেত তুলে নেয়া হয়েছে।
 Print    
- দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়া:চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙ্গরে পন্য খালাস বন্ধ 2010-07-12 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুলাই ১২, (চিটাগাংটুডে ডটকম) দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং সাগর উত্তাল থাকায় লাইটারেজ জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়াতে চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙ্গরে অবস্থানরত পণ্যবাহী জাহাজ থেকে মালামাল খালাস বন্ধ রয়েছে। সে সাথে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নৌপথে পন্য পরিবহনও বন্ধ রয়েছে।বর্হিনোঙ্গরে বর্তমানে ১৮টি পণ্যবাহী জাহাজ অবস্থান করছে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল সূত্র জানিয়েছে, দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়ার কারনে ৩নং সতর্ক সংকেত এবং সাগর উত্তাল থাকায় লাইটারেজ জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। একইসাথে বর্হিনোঙ্গরে অবস্থানকারী মাদারভেসেল থেকে পণ্য খালাস ও পরিবহন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল মৌসুমী বায়ুর কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের তিনটি সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত এখনো বহাল রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।
রোববার রাত থেকে চট্টগ্রামে লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গাস্থ আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশীদ জানিয়েছেন, উত্তর বঙ্গোপসাগরে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে।
এ মেঘমালার কারণে বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরসমূহ এবং উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে বৃষ্টি, বজ্র বৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, মংলা এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত সোমবারও বহাল রয়েছে বলে আবহাওয়া দপ্তরের এই কর্মকর্তা জানান।
আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়েছে- প্রবল মৌসুমী বায়ুর কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে চলাচলকারী সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সঞ্চরণশীল মেঘমালার কারণে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় নগরীতে ১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করেছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ ফরহাদ উদ্দিন জানিয়েছেন, লাইটারেজ জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়া বা বর্হিনোঙ্গরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো বিষয় নয়। এটি সম্পূর্ণ লাইটারেজ জাহাজ মালিকদের। আবহাওয়া খারাপ থাকায় জাহাজ মালিকদের সংগঠন তাদের জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে বর্তমানে বিভিন্ন পণ্যবাহী ১৮টি জাহাজ রয়েছে।
ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের নির্বাহী পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত কমোডর এজেড নিজাম জানিয়েছেন, পণ্য খালাসের জন্য সোমবার ২৩টি লাইটারেজের সিডিউল ছিল। কিন্তু সাগর উত্তাল থাকায় সকাল থেকে বর্হিনোঙ্গরে অবস্থানকারী জাহাজ থেকে পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে। লাইটারেজ জাহাজের মাষ্টারদের বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূল হলে তারা জাহাজ ছাড়তে পারবে।
 Print    
- ২০ ঘন্টা পর কাজে যোগ দিলেন বন্দরের ল্যাসিং-আনলেসিং শ্রমিকরা 2010-06-29 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুন ২৯ ( চিটাগংটুডে ডটকম ) দীর্ঘ ২০ ঘন্টা পর ফের কাজে যোগ দিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের ল্যাসিং-আনলেসিং শ্রমিকরা। বাড়তি মজুরির দাবিতে তারা সোমবার বিকেল ৫ টা থেকে কন্টোইনার জেটিতে কাজ বন্ধ করে দেন। বন্দর কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর অবশেষে মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে কাজে যোগ দিলে কন্টোইনার জেটিতে অচলাবস্থার অবসান ঘটে।
বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বার্থ অপারেটরের অধীনে কাজ করে শ্রমিকরা যে মজুরী পেতেন, বর্তমানে বন্দরের ব্যবস্থাপনার অধীনে কাজ করে সেই পরিমাণ বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলে লেসিং আনলেসিং শ্রমিকরা ৬ টি কন্টেইনার জেটির ৪ টিতে কাজ বন্ধ করে দেন। এতে জেটিতে অবস্থানরত মোট ৯ টি জাহাজের মধ্যে ৬ টিতে কনেইনার খালাস বন্ধ হয়ে যায়। দেখা দেয় অচলাবস্থা। বাকি ৩ টি জাহাজে অবশ্য যথারীতি কাজ হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্র্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ জানান, দুপুর থেকে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। তাদের সাথে বন্দর কর্তৃপক্ষের আলোচনা হলেও কোন ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়নি। শ্রমিকরা নিজেরাই কাজে যোগ দিয়েছেন।
 Print    
- সিসিসি নির্বাচন সরকারের বিরুদ্ধে জনতার রায় : সালাউদ্দিন কাদের 2010-06-20 
চট্টগ্রাম, জুন ২০ (চিটাগাংটুডে ডটকম) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফলকে বর্তমান মহাজোট সরকারের দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি সিগন্যাল বলে মনে করছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। রোববার দুপুরে চট্টগ্রামে নিজ বাসা গুডহিলে এক সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, দেশ শাসনে গত ১৮ মাসে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ব্যর্থতার বিপক্ষে জনগনের রায়।
তিনি বলেন, স্থানীয় এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করে নির্বাচন কমিশন নিজেদের পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করছে। এ নির্বাচন কমিশন সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের গঠিত মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন কাদের বলেন, এ নির্বাচন কমিশনকে বদলাতে হবে।
তবে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা এবং নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকলে রাজনৈতিক সরকার কোন সমস্যা নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিতে বিশ্বাস নেই উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দলীয় সরকারের সময়ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।
চট্টগ্রামের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে সালাউদ্দিন কাদের বলেন, দেশের শাসনব্যবস্থার মূল দুর্বলতা কেন্দ্রীভূত শাসন ব্যবস্থা। দেশের উন্নয়নের জন্য বন্দরনগরীতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
এবারের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর বিজয়ের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামকে সমৃদ্ধ নগরীতে পরিণত করার সুযোগ এসেছে এবং এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতা কামনা করেন। চট্টগ্রামের উন্নয়নের ভার নেয়ার যে প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন তা রাখবেন বলেও আশা করেন সালাউদ্দিন কাদের।
এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘুরা আর সংখ্যালঘু ছিল না বলে মন্তব্য করে সাকা বলেন, সিসিসি নির্বাচনে চট্টগ্রামের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকলেই স্থানীয় উন্নয়ন দেখে ভোট দিয়েছেন, এবারে সুরঞ্জিত বাবুরা চট্টগ্রামে এসে তাদের পুরনো খেলা আর খেলতে পারেননি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামীতে চট্টগ্রামের উন্নয়ন জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি সরবরাহের সুব্যবস্থা, লোডশেডিং বন্ধ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার। এতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করা হলে গণতন্ত্রের পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেন এ কেন্দ্রীয় নেতা।
 Print    
- এস. এম. নুরুল হক এফবিসিসিআই‘র পরিচালক নির্বাচিত 2010-06-20 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম,জুন ২০, (চিটাগাংটুডে ডটকম) চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি এস. এম. নুরুল হক ২০১০-১১ এবং ২০১১-২০১২ মেয়াদের জন্য চিটাগাং চেম্বার মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র ডাইরেক্টর নির্বাচিত হয়েছেন।
তিনি ১৯৫৫ সালে হাটহাজারী উপজেলাধীন বুড়িশ্চর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মরহুম পিতা আলহাজ্ব এস. এম. এছারুল হক ১৯৫৪ সালে বুড়িশ্চর শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
জনাব নুরুল হক ২০০১-২০০২ এবং ২০০৫-২০০৬ সালে চিটাগাং †P¤^v‡ii সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ২০০৩-২০০৪ মেয়াদে বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি চিটাগাং চেম্বার আয়োজিত সিআইটিএফ‘২০০১ এবং বিজিএমইএ’র প্রথম কাফেক্সপো্২০০৩ এর চেয়ারম্যান’র দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন।
তিনি ২০০৩-২০০৬ সালে অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন। জনাব নুরুল হক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট পরিষদের নেতা এবং বর্তমানে ফোরাম ফর পিপল’স ভয়েস’র কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ”রিসার্চ ফর এডুকেশন এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাডেমী" নামে চট্টগ্রামে বেসরকারী খাতে প্রথম টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। বহুমুখী কার্যক্রমের ফলশ্রুতিতে তিনি একজন সফল সংগঠক এবং সর্বোপরি দেশের একজন অন্যতম ব্যবসায়ি নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
 Print    
- চট্টগ্রামের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র আরো ভূমিকা রাখতে আগ্রহী 2010-06-15 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুন ১৫,(চিটাগাংটুডে ডটকম) ওয়াশিংটনস্থ ব্যুরো অফ সাউথ এন্ড সেন্ট্রাল এশিয়া বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা মিস মেডলিন স্পাইরনাক বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি চট্টগ্রামের উন্নয়নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহযোগীতা করতে আগ্রহী। চট্টগ্রামের সাথে
মঙ্গলবার চিটাগাং চেম্বার পরিচালকমন্ডলী ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দের সাথে চট্টগ্রাম চেম্বার মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে অবদান রাখতে মার্কিন প্রশাসন সবসময় আগ্রহী।
মিস মেডলিন স্পাইরনাক বলেন-কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক ধারের কারণে বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অত্যন্ত সম্ভাবনাময় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তিনি বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে এতদঞ্চলের রিজিওনাল হাব উল্লেখ করে এর উন্নয়নে মার্কিন সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।
চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান জনাব এম. এ. লতিফ এম.পি.র সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালাম, এস. এম. শফিউল হক, এস. এম. আবু তৈয়ব, সাহাবউদ্দিন আহমেদ, মোঃ নুরুল আমিন, এস. এম. মাহবুবুল ইসলাম ও বেনাজির চৌধুরী নিশান, মোহাম্মদ শোয়েব রিয়াদ, বাংলাদেশস্থ মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অফিসার মি. কলিয়ার এফ. গ্রাহাম ।
সফররত অতিথিকে চট্টগ্রামে স্বাগত জানিয়ে চেম্বার সভাপতি জনাব এম. এ. লতিফ এম.পি. বলেন-বাংলাদেশ ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় এবং পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের উপর গড়ে উঠেছে।
চেম্বার সভাপতি বলেন-সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলা এবং নৈরাজ্যকর রাজনীতি প্রতিরোধে বর্ধনশীল বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোন বিকল্প নেই।
চেম্বার সভাপতি বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরো বেশি অবদান রাখার অনুরোধ করেন।
 Print    
- পুরাতন কাপড় আমদানীতে জাহাজীকরনের সময় বৃদ্ধির দাবি চট্টগ্রাম চেম্বারের 2010-06-13 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম, জুন ১৩,(চিটাগাংটুডে ডটকম) পুরাতন কাপড় আমদানীতে জাহাজীকরনের সময় বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স। সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রী কাছে প্রেরিত এক ফ্যাক্সবাতার্য় এই দাবী জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট এমএ লতিফ এমপি।
ফ্যাক্স বার্তায় তিনি বলেন, পুরাতন কাপড় উৎপাদিত পণ্য নয়। ঋণপত্র পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিদেশী রপ্তানিকারক উক্ত পণ্য বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করে রপ্তানি করে থাকেন যা একটি দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।
বর্তমান আমদানী এবং জাহাজীকরনের যে সময়সীমা দেয়া আছে তাতে পুরাতন কাপড় আমদানী প্রায় অসম্ভব ব্যপার। এতে অনেক আমদানীকারক পুরাতন কাপড় আমদানী বন্ধ করতে বাধ্য হবেন।
এর আগেও একাধিকবার পুরাতন কাপড় আমদানীতে জাহাজীকরনের সময় বৃদ্ধি করার জন্য অনুরোধ জানানো হলেও কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে ফ্যাক্স বার্তায় উল্লেখ করা হয়।
ফ্যাক্স বার্তায় আরো বলা হয়, পুরাতন কাপড় দেশের দুস্থ, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত জনসাধারণের অন্যতম পরিধেয় বস্ত্র। আসন্ন শীত মৌসুমের আগে এসব পুরাতন কাপড় আমদানির সুযোগ দেয়া না হলে গরীব ও অসহায় জনসাধারণ চরম দুর্দশার সম্মুখীন হবে।
মানবিক দিক বিবেচনা করে পুরাতন কাপড় আমদানির ক্ষেত্রে জাহাজীকরনের সময় বৃদ্ধির জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী বরাবরে অনুরোধ জানানো হয় ফ্যাক্স বার্তায়।
ফ্যাক্স বার্তায় বলা হয়েছে, পুরাতন কাপড় দূষ্প্রাপ্য হয়ে উঠলে দরিদ্র জনগোষ্ঠির দূভোর্গ বৃদ্ধি পাবে যা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
 Print    
- বাজেট: চেম্বার স্বাগত জানিয়েছে, বিএনপির হতাশা 2010-06-10 
চট্টগ্রাম, জুন ১০,(চিটাগাংটুডে ডটকম) ২০১০-২০১১ সালের বাজেটকে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স স্বাগত জানালেও চট্টগ্রামকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রেসিডেন্ট এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য এমএ লতিফ এমপি এক বিবৃতিতে প্রস্তাবিত বাজেটকে কৃষি প্রণোদনামূলক, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সহায়ক, বিনিয়োগবান্ধব এবং সামাজিক উন্নয়ন সহায়ক বলে মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন-এই ধরণের একটি বাজেট প্রধানমন্ত্রীর জনকল্যাণ ও গণমূখী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। চেম্বার সভাপতি চিটাগাং চেম্বারের সুপারিশ অনুযায়ী বেশকিছু প্রস্তাবনা বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করায় সরকারকে সাধুবাদ জানান।
এদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন বাজেটে চট্টগ্রামকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া হয়নি যা সরকারের চট্টগ্রামের প্রতি বিমাতা সূলভ আচরনের বহি:প্রকাশ।
সরাই পাড়ায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের মেয়রপ্রার্থী মনজুর আলমের সমর্থনে এক জনসভায় তিনি বলেন জাতীয় স্বার্থে সরকারকে এই বাজেট সংশোধন করে চট্টগ্রামের প্রকল্পগুলোতে আরো বেশি বরাদ্দ দিতে হবে। না হলে আমরা আন্দোলন করে সরকারকে বাধ্য করবো চট্টগ্রামের পাওনা যথযথভাবে দেয়ার জন্য।
 Print    

1  2  3  Next
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions