English Version
Subscription - Advertisement
  Home   Feedback   Contact Us
Sunday 05 September 2010
রোববার   -  ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০   -  ২১ ভাদ্র ১৪১৭   -  ২৫ রমজান ১৪৩১
সর্বশেষ শিরোনাম     
সাড়ে ২৮ কোটি টাকায় কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প  |  ২০১২ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানির সংকট নিয়ন্ত্রণে আসবে  |  কুতুবদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুর কবলে ফিশিং ট্রলার ৮ জেলে গুলিবিদ্ধ  |  চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি সরকার সমর্থক শ্রমিক সংগঠনের  |  বান্দরবানে জনবসতির অভ্যন্তরে ৫ হাজার তামাক চুল্লি   |  মন্ত্রীসভা পুনর্গঠনের দাবি জানালেন কর্ণেল অলি   |  টেকনাফে জমজমাট চোরাচালান: এবছরেই আটক ৫০কোটি টাকার পন্য  |  নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণের দাবি  |  আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত  |  হালিশহর থেকে ২৭ টি চোরাই রিকশা ও বেবিটেক্সি উদ্ধার   |  
বিশ্ব
উপকূল ও সমুদ্র উদ্বাস্তু ও আদিবাসী পর্যটন পানি ও জ্বালানী পরিবেশ যাতায়াত ও যোগাযোগ কর্পোরেট শেয়ার বাজার রাজনীতি প্রবাস জীবন Chittagonian in USA/UK
বিশ্ব
- রাঙ্গামাটির পতাকা বৈঠকে কর্ণফুলী ব্যবহারে আলোচনা 2009-10-29 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
রাঙ্গামাটি, অক্টোবর ২৯(চিটাগাং টুডে ডটকম)রাঙ্গামাটির বরকলে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পতাকা বৈঠকে সীমান্তে শান্তিপুর্ণ সহাবস্থান, কর্ণফুলি নদীতে দু দেশের জেলেদের নিরাপদে মাছ শিকার ও হরিনা এলাকায় স্থলবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতাসহ কর্ণফুলি নদীকে অধিকতর ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে বিডিআর এবং বিএসএফ।
বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার সীমান্তে ছোট হরিনা তলাবাগ বিওপি ক্যাম্পে বিডিআরের ১৮ ব্যাটালিয়ান এবং ১২০ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের মধ্যে এক ঘন্টা স্থায়ী অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
পতাকা বৈঠকে বি.ডি.আর ১৮ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর গোলাম মাওলা খন্দকার এর নেতৃত্বে মেজর সাহাব উদ্দীন,ক্যাপ্টেন মশিউর রহমান,সুবেদার মেজর সাইদুর রহমান,সুবেদার মেজর মাহফুজুর রহমান,নায়েক সুবেদার মহিউদ্দীন সহ ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
বিএসএফ ১২০ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার সঞ্জয় পান্থর নেতৃত্বে বিএসএফ ষ্টাফ অফিসার পি.কে.শর্মা,সুবেদার অরুন রায়, সুবেদার এস এস পান্ডে, সুবেদার টি এস সাংবা সহ ছয় সদস্যের একটি দল যোগ দেয়।
বৈঠকটি সাড়ে তিনটায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটায় শেষ হয়।
বৈঠক শেষে বিডিআরের ছোট হরিনা ১৮ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর গোলাম মাওলা খন্দকার সাংবাদিকদের জানান, ইন্দো-বাংলা গাইড লাইন অনুসারে বর্ডার পিলার জরিপ ও সীমান্তবর্তী দুদেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে কর্ণফুলী নদীকে অধিকতর নিরাপদ ব্যবহারসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
তাছাড়া বরকলের ৪৪ কিঃ মিঃ জুড়ে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, কর্ণফুলি নদীতে দুই দেশের জেলেদের নিরাপদে মাছ শিকার নিশ্চিত করন, বাংলাদেশের হরিনা বাজারে একটি স্থলবন্দর স্থাপনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো,সীমান্ত অপরাধ দমন ও নিয়মিত পতাকা বৈঠক প্রসঙ্গে আলোচনা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ ধরনের বৈঠকের মাধ্যমে দু দেশের সীমান্ত রক্ষিদের মাঝে আস্থা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
 Print    
- ওয়াসার ব্যবস্থাপনা ত্রুটি চট্টগ্রামে পানি সংকট সৃষ্টি করছে 2009-10-16 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
চট্টগ্রাম অক্টোবর ১৬(চিটাগাংটুডে ডটকম) স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মনজুর হোসেন বলেছেন, ওয়াসা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীতে পানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াসার বিভিন্ন সময়ের চেয়ারম্যানসহ অনেক কর্মকর্তা এ ব্যর্থতার জন্য দায়ী। শুক্রবার চট্টগ্রাম ওয়াসার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্ণফুলি প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য এ সভা আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় সংস্থার সদস্যসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সচিব পরে জেলার রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলি প্রকল্পের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।
চট্টগ্রামের ৬০ শতাংশ মানুষ জল দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে উল্লে¬খ করে সচিব বলেছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর দৈনিক পানি চাহিদার পরিমাণ ৫০ কোটি লিটার। অথচ চট্টগ্রাম ওয়াসা সরবরাহ করতে পারে মাত্র ২০ কোটি লিটার, যা মোট চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ। এর অর্থ চট্টগ্রামের ৬০ শতাংশ মানুষ জল দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে।
সভায় সচিব বলেন, চট্টগ্রামে পানি সংকটের জন্য অনেকে সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণকে দায়ী করেন। তাদের এ ধারণা সঠিক নয়।
তিনি আরো বলেন, ২০১১ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিকের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার বিষয়টি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। এ ধরণের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক অঙ্গীকারের কারণে জনগণ বিপুল ম্যান্ডেট দিয়ে বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে।
সরকার যাতে জনগণের কাছে দেয়া নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করতে পারে। সেজন্য তিনি কর্ণফুলি প্রকল্পসহ অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্মকর্তাদের আরো আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের পরামর্শ দেন।
 Print    
- টিপাইমুখ না দেখেই দেশে ফিরছে সংসদীয় প্রতিনিধি দল, জেআরসির বৈঠকের প্রস্তাব বিএনপির 2009-08-02 
  বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
ভারতের টিপাইমুখ প্রকল্প এলাকা না দেখেই দেশে ফিরতে হচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলকে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করেও ভারতের প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেনি এ প্রতিনিধি দল। এই দিকে বিরোধী দল বিএনপির পক্ষ থেকে টিপাইমূখ বিষয়ে ভারত- বাংলাদেম যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক ডাকার আহবান জানানো হয়েছে।
বিবিসি বাংলা সার্ভিস জানিয়েছে, শুক্রবার একদফা চেষ্টার পর শনিবার আসামের রাজধানী গৌহাটি থেকে হেলিকপ্টার যোগে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটি দ্বিতীয় বারের মত প্রকল্প এলাকায় গেলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে তারা সেখানে নামতে পারেনি। দ্বিতীয় দফায়ও টিপাইমুখে অবতরণের ঠিক আগে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় প্রস্তাবিত বাঁধের স্থানটি সরেজমিনে খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা বাতিল করতে হয় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটিকে।
বিএনপির সহসভাপতি হাফিজ রোববার বনানীর নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের বলেন, "বিশেষজ্ঞ ছাড়া সংসদীয় দল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন না করে শূন্য হাতে ফিরে আসছেন। তাই অবিলম্বে সরকারের উচিত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক আহবান করা। সেখানেই বাংলাদেশের জনগণের বলিষ্ঠ দাবি তুলে ধরতে হবে।"
টিপাই মুখ এলাকা থেকে গৌহাটি ফিরে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা আব্দুর রাজ্জাক বিবিসিকে বলেন, "সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা দেখতে না পারলেও সফর ব্যর্থ হয়েছে তা বলবো না, অনেকটা সফল হয়েছি। । অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলেছে তবে আরও জানার আছে।" বর্ষা মৌসুম শেষে বাংলাদেশকে আবারো প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে ভারতের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
টিপাই মুখ পরিদর্শন নিয়ে আবদুর রাজ্জাক বিবিসি সাংবাদিককে বলেন, আপনি নিজেও দেখেছেন খুবই দুর্গম জায়গা। এখন প্রতিদিনই বৃষ্টি থাকে। গতকাল আমরা উপর দিয়ে ঘুরে এসেছি তবে নিচে নামতে পারিনি। আজকে পাইলট প্রায় আধাঘণ্টা সেখানে ঘুরেছেন। আমাদের দেখানো হলো। আমরা সেখানে দুই নদীর মোহনায় তেমন কোনো স্থাপনা দেখতে পাইনি। কিন্তু আমরা হেলিকাপ্টার থেকে নেমে সেখানকার কিছু লোকজনের সঙ্গে আলাপ করতে চেয়েছিলাম। সেটা হয়নি।
সফরের ফলাফল সম্পর্কে বিবিসির প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান "আমাদের সাথে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা বলেছেন আমাদের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া বাংলাদেশের স্বার্থ বিরেোধী কোন কিছু না করার ব্যাপারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে যে আশ্বাস দিয়েছেন তা অটুট থাকবে বলেও কৃস্ঞা আমাদের জানেয়েছেন। এই প্রকল্প বাংলাদেশের স্বার্থের বিরোধী হলে অবশ্যই এর বিরোধিতা করা হবে।
সফরের নানা বিষয় তুলে ধরে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে জানিয়ে প্রতিনিধি দলটির প্রধান বলেন, "আমরা যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন জমা দেব। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। "
গত বুধবার টিপাইমুখ প্রকল্প পরিদর্শনে ভারত রওনা হয় এ সংসদীয় প্রতিনিধি দলটি। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক।
প্রতিনিধি দলে সংসদ সদস্যরা হলেন- আওয়ামী লীগের আব্দুর রহমান, এবিএম আনোয়ারুল হক, জহির হোসেন, জাতীয় পার্টির এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, স্বতন্ত্র সাংসদ ফজলুল আজিম।
দলের অপর সদস্যরা হলেন- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের সদস্য সাজ্জাদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদুজ্জামান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এমরান আহমেদ।
জামায়াতে ইসলামীর সাংসদ হামিদুর রহমান আযাদের নাম থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি সফরে যাননি।
দেশে ফিরে তারা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেবে।
তিনি বলেছেন, এ ধরনের বিতর্কিত প্রকল্পের প্রেক্ষাপটে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে এ অঞ্চরের মানুষকে অবশ্যই সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
বরাক নদীর ভাটিতে টিপাইমুখে ভারতের এ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব নিয়ে মণিপুর রাজ্য ও বাংলাদেশের পরিবেশবাদীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন।
 Print    
Designed & Developed By
HSSOFT
  Copyright © 2009, Chittagong Today.
All Rights reserved.
Home | About Us | Contact Us | Sitemap | Admin Login | Feedback | Subscription | User Policy | Terms & Conditions